আদমদীঘি (বগুড়া) প্রতিনিধি:
বগুড়ার আদমদীঘি উপজেলার সান্তাহারে পূর্ব শত্রুতার জেরে সুলতান মাহমুদ মিজান (১৮) নামের এক কলেজ ছাত্রকে মুঠোফোনে ডেকে নিয়ে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর আহত করার অভিযোগ উঠেছে। গত বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) দুপুরে সান্তাহার কালীমন্দির এলাকায় এই হামলার ঘটনা ঘটে।
আহত মিজান সান্তাহার সরকারি কলেজের প্রথম বর্ষের ছাত্র এবং স্থানীয় রথবাড়ি মহল্লার সেজান মাহমুদ জনির ছেলে। বর্তমানে তিনি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এ ঘটনায় মিজানের বাবা বাদী হয়ে ওই রাতেই জোবায়ের ও জয়সহ ১৪ জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতআরওনামা ১০ জনের বিরুদ্ধে আদমদীঘি থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, মিজানের সাথে অভিযুক্ত জোবায়ের ও জয়দের বেশ কিছুদিন ধরে বিরোধ চলছিল। বৃহস্পতিবার দুপুরে মিজানকে মুঠোফোনে রেলগেট কালীমন্দির এলাকায় আসতে বলা হয়। মিজান তার দুই সহপাঠীকে নিয়ে সেখানে পৌঁছামাত্র আগে থেকে ওত পেতে থাকা একদল যুবক দেশীয় অস্ত্র ও বাঁশের লাঠি নিয়ে তাদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়।
হামলাকারীরা মিজানকে হত্যার উদ্দেশ্যে গলায় কোপ দেওয়ার চেষ্টা করলে তিনি বাম হাত দিয়ে তা ঠেকানোর চেষ্টা করেন। এতে তার হাত গুরুতর জখম হয় এবং রক্তক্ষরণ শুরু হয়। মিজানের দুই সহপাঠী তাকে বাঁচাতে এগিয়ে এলে তাদেরও পিটিয়ে ও কুপিয়ে আহত করা হয়। স্থানীয়রা এগিয়ে আসলে হামলাকারীরা প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে ঘটনাস্থল ত্যাগ করে।
আদমদীঘি থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) কামরুজ্জামান মিয়া ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, "এ বিষয়ে একটি লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিষয়টি গুরুত্বের সাথে তদন্ত করা হচ্ছে এবং দ্রুত আইনগত পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।"
বগুড়ার আদমদীঘি উপজেলার সান্তাহারে পূর্ব শত্রুতার জেরে সুলতান মাহমুদ মিজান (১৮) নামের এক কলেজ ছাত্রকে মুঠোফোনে ডেকে নিয়ে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর আহত করার অভিযোগ উঠেছে। গত বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) দুপুরে সান্তাহার কালীমন্দির এলাকায় এই হামলার ঘটনা ঘটে।
আহত মিজান সান্তাহার সরকারি কলেজের প্রথম বর্ষের ছাত্র এবং স্থানীয় রথবাড়ি মহল্লার সেজান মাহমুদ জনির ছেলে। বর্তমানে তিনি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এ ঘটনায় মিজানের বাবা বাদী হয়ে ওই রাতেই জোবায়ের ও জয়সহ ১৪ জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতআরওনামা ১০ জনের বিরুদ্ধে আদমদীঘি থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, মিজানের সাথে অভিযুক্ত জোবায়ের ও জয়দের বেশ কিছুদিন ধরে বিরোধ চলছিল। বৃহস্পতিবার দুপুরে মিজানকে মুঠোফোনে রেলগেট কালীমন্দির এলাকায় আসতে বলা হয়। মিজান তার দুই সহপাঠীকে নিয়ে সেখানে পৌঁছামাত্র আগে থেকে ওত পেতে থাকা একদল যুবক দেশীয় অস্ত্র ও বাঁশের লাঠি নিয়ে তাদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়।
হামলাকারীরা মিজানকে হত্যার উদ্দেশ্যে গলায় কোপ দেওয়ার চেষ্টা করলে তিনি বাম হাত দিয়ে তা ঠেকানোর চেষ্টা করেন। এতে তার হাত গুরুতর জখম হয় এবং রক্তক্ষরণ শুরু হয়। মিজানের দুই সহপাঠী তাকে বাঁচাতে এগিয়ে এলে তাদেরও পিটিয়ে ও কুপিয়ে আহত করা হয়। স্থানীয়রা এগিয়ে আসলে হামলাকারীরা প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে ঘটনাস্থল ত্যাগ করে।
আদমদীঘি থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) কামরুজ্জামান মিয়া ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, "এ বিষয়ে একটি লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিষয়টি গুরুত্বের সাথে তদন্ত করা হচ্ছে এবং দ্রুত আইনগত পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।"