কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ীতে আঙ্গুর চাষে সফল এক ব্যাংক কর্মকর্তা

আপলোড সময় : ২৩-০৪-২০২৬ ০২:৩৩:১১ অপরাহ্ন , আপডেট সময় : ২৩-০৪-২০২৬ ০২:৩৩:১১ অপরাহ্ন
 
আনোয়ার সাঈদ তিতু, কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি:-
 
 
কুড়িগ্রাম জেলার ফুলবাড়ী উপজেলায় এক ব্যাংক কর্মকর্তা আঙ্গুর চাষ করে এ অঞ্চলের কৃষিতে নতুন সম্ভাবনার দুয়ার খুলেছেন। তিনি দুই বিঘা জমিতে বিভিন্ন জাতের আঙ্গুর চাষ করেছেন। এর মধ্যে বাইকুনুর, গ্রীনলং, গোল্ডেনপ্লেস, জুপিটাসসহ অনেক জাতের আঙ্গুর রয়েছে। এগুলোর মধ্যে বাইকুনুর জাতের আঙ্গুরই বেশি। তিনি তার উৎপাদিত আঙ্গুর ভবিষ্যতে বিদেশে রপ্তানির স্বপ্ন দেখছেন। আঙ্গুর চাষ লাভজনক হওয়ায় এখানকার কৃষকদের মধ্যে এটি চাষের আগ্রহ বাড়ছে। কৃষি দপ্তরের সঠিক পরামর্শ ও নির্দেশনা পেলে এখানকার কৃষকদের জন্য আঙ্গুর চাষ একটি লাভজনক খাতে পরিণত হবে।
 
মোঃ রুহুল আমিন নিজ উদ্যোগে গড়ে তোলা আঙ্গুর বাগানে আধুনিক পদ্ধতিতে চাষ করে ইতোমধ্যে ভালো ফলন পেয়েছেন। তার এই উদ্যোগ শুধু ব্যক্তিগত সফলতাই নয়, তৈরি করেছে কর্মসংস্থানের সুযোগও। তার আঙ্গুর বাগানে ৭ জন শ্রমিক নিয়মিত কাজ করেন। কর্মরত শ্রমিকরা জানান, আমরা এখানে নিয়মিত মাসিক ভিত্তিতে কাজ করি। এই আয়ে আমাদের সংসার সুন্দরভাবেই চলে। আগে আমাদের নিয়মিত কোন কাজ ছিল না। অনেক সময় কর্মহীন থাকায় সংসার চালানো কষ্টকর ছিল।
 
কুড়িগ্রাম জেলার জেলার ভূরুঙ্গামারী উপজেলা থেকে ঘুরতে আসা এক দর্শনার্থী জানান, আমি গত বছর ইউটিউবে দেখি ফুলবাড়ীতে আঙ্গুর চাষ হচ্ছে। ওই সময় বাগান দেখতে এসে একটি চারা কিনে নিয়ে যাই। এ বছর আমার ওই গাছে প্রায় ৫০/৬০ টি থোকা ধরেছে। আজকেও আমি আঙ্গুরের চারা কিনতে মোঃ রুহুল আমিন ভাইয়ের বাগানে এসেছি।
 
আঙ্গুর চাষী মোঃ রুহুল আমিন জানান, আমি চার বছর আগে আঙ্গুর বাগান করেছি। এখন ভালো ফলন পাচ্ছি। আমার স্বপ্ন এই আঙ্গুর বিদেশে রপ্তানি করব। আমার বাগান বড় করে বিভিন্ন লোকের কর্মসংস্থান তৈরি করব। আমি দুই বিঘা জমিতে আঙ্গুরের চারা লাগিয়েছি। এর মধ্যে এক বিঘায় পর্যাপ্ত পরিমাণে আঙ্গুর এসেছে। প্রতিবছরে ছয় থেকে সাত লক্ষ টাকা আমার আয় হচ্ছে।
 
ফুলবাড়ী উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোছাঃ নিলুফা ইয়াসমিন জানান, ফুলবাড়ী উপজেলায় মোঃ রুহুল আমিন নামের এক ব্যাংক কর্মকর্তা আঙ্গুর চাষ করেছে। তার বাগানে প্রায় ৪শ বিভিন্ন জাতের আঙ্গুর গাছ রয়েছে। তার বাগানে আশানুরূপ ফলন হয়েছে। পাশাপাশি তিনি চারা উৎপাদন করে দেশের বিভিন্ন জেলায় রপ্তানি করছেন। আমরা তার সফলতা কামনা করছি।
 
এ উদ্যোগকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন স্থানীয়রা। কৃষি সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এমন উদ্যোগ বাড়লে এলাকার কৃষিতে নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে এবং কৃষিখাতে আসবে বৈচিত্র্য।

সম্পাদকীয় :

প্রকাশক ও সম্পাদক

মোঃ গোলাম মাওলা শাওন

মোবাইল : ০১৭১১-০০৬২১৪

অফিস :

প্রধান কার্যালয়


৩১/১ শরীফ কমপ্লেক্স দশম তলা পুরানা পল্টন ঢাকা ১০০০

মোবাইল : ০১৯৯৯-৯৫৩৯৭০

ই-মেইল : banglaralonewsbd@gmail.com