নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (নোবিপ্রবি)-এর নির্বাহী প্রকৌশলী (বিদ্যুৎ) মুজিবুর রহমানের শিক্ষাগত সনদ নিয়ে জালিয়াতির গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। তিনি ২০১৮ সালে Atish Dipankar University of Science and Technology থেকে বিএসসি ইন ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং ডিগ্রি অর্জনের দাবি করে নোবিপ্রবিতে নিয়োগ পান বলে জানা গেছে।
তবে সম্প্রতি তার এই সনদের সত্যতা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। অভিযোগের প্রেক্ষিতে নোবিপ্রবি প্রশাসন যাচাই-বাছাইয়ের জন্য সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয়ে চিঠি পাঠায়। জবাবে Atish Dipankar University of Science and Technology কর্তৃপক্ষ জানায়, মুজিবুর রহমান নামে তাদের কোনো শিক্ষার্থী বা সনদের রেকর্ড নেই। ফলে উক্ত সনদটি ভুয়া বলে উল্লেখ করা হয়।
বিশ্ববিদ্যালয়টির রেজিস্ট্রার আরও জানান, তাদের প্রতিষ্ঠানের নামে জাল সনদ তৈরি করে মানহানি করায় অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।
সূত্র জানায়, এ সংক্রান্ত আনুষ্ঠানিক চিঠি এখনো নোবিপ্রবির সংস্থাপন শাখা থেকে প্রকাশ করা হয়নি, যা নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠেছে।
উল্লেখ্য, এর আগেও ক্রয় প্রক্রিয়ায় অনিয়মের অভিযোগে তিনি শাস্তি ও পদাবনতি (ডিমোশন) পেয়েছিলেন বলে জানা গেছে।
নোবিপ্রবির এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, “বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে। প্রমাণ মিললে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
বর্তমানে মুজিবুর রহমানের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দায়ের হয়েছে কি না, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তবে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে এবং প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ও আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, অভিযোগটি প্রমাণিত হলে তা উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার ওপর বড় ধরনের আঘাত হিসেবে বিবেচিত হবে। একই সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির চাকরি হারানোসহ শাস্তির সম্ভাবনাও রয়েছে।
এদিকে অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে মুজিবুর রহমান বলেন,,,,
নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (নোবিপ্রবি)-এর নির্বাহী প্রকৌশলী (বিদ্যুৎ) মুজিবুর রহমানের শিক্ষাগত সনদ নিয়ে জালিয়াতির গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। তিনি ২০১৮ সালে Atish Dipankar University of Science and Technology থেকে বিএসসি ইন ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং ডিগ্রি অর্জনের দাবি করে নোবিপ্রবিতে নিয়োগ পান বলে জানা গেছে।
তবে সম্প্রতি তার এই সনদের সত্যতা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। অভিযোগের প্রেক্ষিতে নোবিপ্রবি প্রশাসন যাচাই-বাছাইয়ের জন্য সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয়ে চিঠি পাঠায়। জবাবে Atish Dipankar University of Science and Technology কর্তৃপক্ষ জানায়, মুজিবুর রহমান নামে তাদের কোনো শিক্ষার্থী বা সনদের রেকর্ড নেই। ফলে উক্ত সনদটি ভুয়া বলে উল্লেখ করা হয়।
বিশ্ববিদ্যালয়টির রেজিস্ট্রার আরও জানান, তাদের প্রতিষ্ঠানের নামে জাল সনদ তৈরি করে মানহানি করায় অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।
সূত্র জানায়, এ সংক্রান্ত আনুষ্ঠানিক চিঠি এখনো নোবিপ্রবির সংস্থাপন শাখা থেকে প্রকাশ করা হয়নি, যা নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠেছে।
উল্লেখ্য, এর আগেও ক্রয় প্রক্রিয়ায় অনিয়মের অভিযোগে তিনি শাস্তি ও পদাবনতি (ডিমোশন) পেয়েছিলেন বলে জানা গেছে।
নোবিপ্রবির এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, “বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে। প্রমাণ মিললে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
বর্তমানে মুজিবুর রহমানের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দায়ের হয়েছে কি না, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তবে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে এবং প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ও আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, অভিযোগটি প্রমাণিত হলে তা উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার ওপর বড় ধরনের আঘাত হিসেবে বিবেচিত হবে। একই সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির চাকরি হারানোসহ শাস্তির সম্ভাবনাও রয়েছে।
এদিকে অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে মুজিবুর রহমান বলেন,,,,