স্টাফ রিপোর্টারঃ
নেত্রকোণার কেন্দুয়া উপজেলার গন্ডা ইউনিয়নের মনকান্দা এম ইউ আলিম মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মহিবুল্লাহর ওপর দফায় দফায় হামলা, মারধর ও প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় তিনি থানায় পৃথকভাবে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, মাদ্রাসার অভ্যন্তরীণ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষকদের মধ্যে বিরোধ চলছিল। এক পক্ষের নেতৃত্বে রয়েছেন অধ্যক্ষ মহিবুল্লাহ এবং অপর পক্ষের নেতৃত্ব দেন সহকারী অধ্যাপক সাইফুল ইসলাম। পরে এ বিরোধে স্থানীয় কিছু লোক জড়িয়ে পড়লে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। এ নিয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে একাধিক মামলা বর্তমানে বিচারাধীন রয়েছে।
ভুক্তভোগীর অভিযোগ, গত রোববার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে মনকান্দা গ্রামের আবু সাঈদ শহীদ মড়ল ও তার সহযোগীরা অধ্যক্ষের কক্ষে প্রবেশ করে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। এ সময় তারা বিভিন্ন হুমকি-ধমকি দেন এবং অস্ত্র প্রদর্শন করেন। পরে অধ্যক্ষের ব্যবহৃত মোটরসাইকেল ভাঙচুর করে চলে যান।
পরদিন সোমবার বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে মাদ্রাসা থেকে ফেরার পথে মনকান্দা গ্রামের মাওলানা তৌহিদুল ইসলাম কারিগরি স্কুলের সামনে তার পথরোধ করে মারধর করা হয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে। পরে সহকর্মীরা তাকে উদ্ধার করে কেন্দুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।
অধ্যক্ষ মহিবুল্লাহ বলেন, এ পর্যন্ত আমার ওপর পাঁচবার হামলা চালানো হয়েছে। আমি এখন নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি এবং মাদ্রাসায় যেতে ভয় পাচ্ছি। তারা আমাকে হত্যার উদ্দেশ্যে সুযোগ খুঁজছে।
অভিযুক্ত আবু সাঈদ শহীদ মড়ল মুঠোফোনে বলেন, এলাকার ছেলেরা গেছে, আমি যাইনি। ফেসবুকে যে অডিওটি প্রচার হচ্ছে সেটি অনেক আগের।
এ বিষয়ে কেন্দুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মেহেদী মাকসুদ বলেন, অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিষয়টি গুরুত্বসহকারে তদন্ত করা হচ্ছে এবং প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।