কাশিয়ানী (গোপালগঞ্জ) প্রতিনিধি
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচনে গোপালগঞ্জ থেকে বিএনপির মনোনয়ন পেয়েছেন আওয়ামী লীগের পদধারী নেত্রী সুবর্ণা শিকদার (ঠাকুর)। তাঁর এ মনোনয়নকে ঘিরে জেলাজুড়ে সৃষ্টি হয়েছে তীব্র আলোচনা-সমালোচনা। বিএনপির ত্যাগী নেতাকর্মীদের মধ্যে দেখা দিয়েছে ব্যাপক ক্ষোভ ও অসন্তোষ।
জানা গেছে, সুবর্ণা ঠাকুর কাশিয়ানী উপজেলা আওয়ামী লীগের বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্বে রয়েছেন। দীর্ঘদিন আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে সক্রিয় থাকা এই নেত্রী হঠাৎ করেই বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী হিসেবে সক্রিয় হন এবং শেষ পর্যন্ত দলটির টিকিট পেয়ে যান।
বিএনপি নেতাকর্মীদের অভিযোগ, দলের দুঃসময়ে যারা মাঠে থেকে আন্দোলন-সংগ্রাম করেছেন, মামলা-হামলা সহ্য করেছেন। তাদের মূল্যায়ন না করে অন্য দল থেকে আসা একজন পদধারী নেত্রীকে মনোনয়ন দেওয়ায় তারা হতাশ ও ক্ষুব্ধ।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক নেতা বলেন, ‘দলে নতুন কেউ আসতেই পারেন, কিন্তু দীর্ঘদিন অন্য দলের সক্রিয় রাজনীতিতে থেকে হঠাৎ এসে মনোনয়ন পাওয়া দলের ত্যাগী নেতাকর্মীদের প্রতি অবিচার। যারা বছরের পর বছর নানা প্রতিকূলতা সহ্য,দুঃসময়ে দলের পাশে থেকে সংগ্রাম করেছেন। তাদের অবদান উপেক্ষা করা হলে, দলের মধ্যে বিভাজন তৈরি হবে। তৃণমূল কর্মীদের মধ্যে নেতিবাচক প্রভাব পড়বে।’
সুবর্ণা শিকদার (ঠাকুর) বিএনপির মনোনয়ন পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তবে আওয়ামী লীগের কমিটিতে নিজের বর্তমান অবস্থান সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, দল পুনর্গঠনের এই সময়ে এ ধরনের সিদ্ধান্ত দলীয় ঐক্য ও শৃঙ্খলার ওপর প্রভাব ফেলতে পারে। বিশেষ করে তৃণমূল পর্যায়ে ক্ষোভ বাড়লে নির্বাচনী কার্যক্রমে এর নেতিবাচক প্রতিফলন দেখা দিতে পারে।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচনে গোপালগঞ্জ থেকে বিএনপির মনোনয়ন পেয়েছেন আওয়ামী লীগের পদধারী নেত্রী সুবর্ণা শিকদার (ঠাকুর)। তাঁর এ মনোনয়নকে ঘিরে জেলাজুড়ে সৃষ্টি হয়েছে তীব্র আলোচনা-সমালোচনা। বিএনপির ত্যাগী নেতাকর্মীদের মধ্যে দেখা দিয়েছে ব্যাপক ক্ষোভ ও অসন্তোষ।
জানা গেছে, সুবর্ণা ঠাকুর কাশিয়ানী উপজেলা আওয়ামী লীগের বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্বে রয়েছেন। দীর্ঘদিন আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে সক্রিয় থাকা এই নেত্রী হঠাৎ করেই বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী হিসেবে সক্রিয় হন এবং শেষ পর্যন্ত দলটির টিকিট পেয়ে যান।
বিএনপি নেতাকর্মীদের অভিযোগ, দলের দুঃসময়ে যারা মাঠে থেকে আন্দোলন-সংগ্রাম করেছেন, মামলা-হামলা সহ্য করেছেন। তাদের মূল্যায়ন না করে অন্য দল থেকে আসা একজন পদধারী নেত্রীকে মনোনয়ন দেওয়ায় তারা হতাশ ও ক্ষুব্ধ।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক নেতা বলেন, ‘দলে নতুন কেউ আসতেই পারেন, কিন্তু দীর্ঘদিন অন্য দলের সক্রিয় রাজনীতিতে থেকে হঠাৎ এসে মনোনয়ন পাওয়া দলের ত্যাগী নেতাকর্মীদের প্রতি অবিচার। যারা বছরের পর বছর নানা প্রতিকূলতা সহ্য,দুঃসময়ে দলের পাশে থেকে সংগ্রাম করেছেন। তাদের অবদান উপেক্ষা করা হলে, দলের মধ্যে বিভাজন তৈরি হবে। তৃণমূল কর্মীদের মধ্যে নেতিবাচক প্রভাব পড়বে।’
সুবর্ণা শিকদার (ঠাকুর) বিএনপির মনোনয়ন পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তবে আওয়ামী লীগের কমিটিতে নিজের বর্তমান অবস্থান সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, দল পুনর্গঠনের এই সময়ে এ ধরনের সিদ্ধান্ত দলীয় ঐক্য ও শৃঙ্খলার ওপর প্রভাব ফেলতে পারে। বিশেষ করে তৃণমূল পর্যায়ে ক্ষোভ বাড়লে নির্বাচনী কার্যক্রমে এর নেতিবাচক প্রতিফলন দেখা দিতে পারে।