ইবি প্রতিনিধি
সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার ছবি ও জাতীয় পতাকা অবমাননার ঘটনায় গভীর উদ্বেগ ও তীব্র নিন্দা জানিয়েছে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) শিক্ষক সংগঠন জিয়া পরিষদ।
শনিবার (১৮ এপ্রিল) সংগঠনটির সভাপতি অধ্যাপক ড. মো. ফারুকুজ্জামান খান ও সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. মো. রফিকুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক যৌথ বিবৃতির মাধ্যমে এই প্রতিবাদ ও দোষীদের শাস্তির দাবি জানানো হয়।
বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়, গত ১৫ এপ্রিল বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন ভবনের সামনে কতিপয় ছাত্র নামধারী দুষ্কৃতিকারী দেশের আপসহীন নেত্রী সদ্য প্রয়াত সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও জাতীয় পতাকার ছবি সম্বলিত বিভিন্ন ব্যানার ছিঁড়ে পদদলিত করে। এই অবমাননাকর ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে দোষীদের দ্রুত শনাক্ত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির আওতায় আনার দাবি জানিয়েছে সংগঠনটি।
বিবৃতিতে বলা হয়, জাতীয় পতাকা আমাদের সার্বভৌমত্ব, স্বাধীনতা ও আত্মমর্যাদার প্রতীক। একইসঙ্গে দেশের একজন সাবেক প্রধানমন্ত্রীর ছবি অবমাননা করা শুধু ব্যক্তির প্রতি নয়, বরং রাষ্ট্রের গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ ও রাজনৈতিক সংস্কৃতির ওপর আঘাত। এ ধরনের ন্যাক্কারজনক কর্মকাণ্ড কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।"
তারা আরও বলেন, "যারা এ ধরনের ঘৃণ্য কাজে জড়িত, তারা প্রকৃত ছাত্র হতে পারে না। তারা উদ্দেশ্যপ্রণোদিত উত্তেজনা সৃষ্টির মাধ্যমে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি এবং দেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার অপচেষ্টায় লিপ্ত। অবিলম্বে এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে দোষীদের শনাক্ত ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির আওতায় আনার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি জোর দাবি জানাচ্ছি।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি পক্ষ মাননীয় প্রধানমন্ত্রীসহ সরকারের নানা পর্যায়ে দায়িত্বরত সম্মানিতদের নামে নানা অশালীন মন্তব্য ও অপপ্রচারের মাধ্যমে সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। বিশ্ববিদ্যালয়ে সরকারি দায়িত্বশীল পদাধিকারীদের ক্ষেত্রে পূর্ণাঙ্গ নীরবতা আমাদের ব্যথিত করেছে।
উল্লেখ্য, গত বুধবার (১৫ এপ্রিল) বিশ্ববিদ্যালয়ের বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা নিহত আসমা সাদিয়া রুনা হত্যার বিচারের দাবিতে প্রশাসন ভবনে অবস্থানকালে বেশ কয়েকটি ব্যানার ছিঁড়ে ফেলে। তন্মধ্যে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার একটি ব্যানার ছিল।