আনোয়ার সাঈদ তিতু, কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি:-
কুড়িগ্রাম জেলার রৌমারী উপজেলায় জমি থেকে করলা চুরির অভিযোগে মোছাঃ ছালেহা বেগম (৪০) নামে এক নারীকে গাছে বেঁধে পিটিয়েছেন তার স্বামী—এমন অভিযোগ উঠেছে। মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) সকাল ৯টার দিকে কুড়িগ্রাম জেলার রৌমারী উপজেলার দাঁতভাঙ্গা ইউনিয়নের বংশিপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
অভিযুক্ত মোছাঃ ছালেহা বেগম একই ইউনিয়নের ছোটধনতোলা এলাকার মোঃ বদিয়া মিয়ার স্ত্রী। তাদের বিরুদ্ধে মাদকের একাধিক মামলা রয়েছে বলে জানা গেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার সকাল আনুমানিক ৭টার দিকে কুড়িগ্রাম জেলার রৌমারী উপজেলার দাঁতভাঙা ইউনিয়নের বংশিপাড়া এলাকার মোঃ ফরহাদ হোসেনের জমি থেকে করলা চুরির সময় মোছাঃ ছালেহা বেগমকে হাতেনাতে আটক করেন জমির মালিক ও এলাকাবাসী। পরে বিষয়টি তার পরিবারকে জানানো হলে সকাল ৯টার দিকে তার স্বামী মোঃ বদিয়া মিয়া ঘটনাস্থলে এসে তাকে গাছে বেঁধে লাঠি দিয়ে বেধড়ক মারধর করেন।
এ ঘটনায় এলাকায় মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।
জমির মালিক মোঃ ফরহাদ হোসেন বলেন, “জমি থেকে প্রায়ই করলা চুরি হচ্ছিল। পরে গোপনে নজরদারি করে মোছাঃ ছালেহা বেগম নামের ওই নারীকে এক বস্তা করলাসহ হাতেনাতে আটক করা হয়। বিষয়টি তার স্বামীকে জানালে তিনি এসে তাকে পিটিয়েছেন।”
কুড়িগ্রাম জেলার রৌমারী উপজেলার দাঁতভাঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য মোঃ আবুল হোসেন বলেন, “এক নারীকে করলাসহ আটক করা হয়েছিল। পরে তার স্বামী এসে তাকে শাসন করে বাড়ি নিয়ে যান।”
এ বিষয়ে রৌমারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ কাওসার আলী বলেন, ‘ঘটনার পুরো বিষয় আমার জানা নেই। তবে খোঁজখবর নেব।
কুড়িগ্রাম জেলার রৌমারী উপজেলায় জমি থেকে করলা চুরির অভিযোগে মোছাঃ ছালেহা বেগম (৪০) নামে এক নারীকে গাছে বেঁধে পিটিয়েছেন তার স্বামী—এমন অভিযোগ উঠেছে। মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) সকাল ৯টার দিকে কুড়িগ্রাম জেলার রৌমারী উপজেলার দাঁতভাঙ্গা ইউনিয়নের বংশিপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
অভিযুক্ত মোছাঃ ছালেহা বেগম একই ইউনিয়নের ছোটধনতোলা এলাকার মোঃ বদিয়া মিয়ার স্ত্রী। তাদের বিরুদ্ধে মাদকের একাধিক মামলা রয়েছে বলে জানা গেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার সকাল আনুমানিক ৭টার দিকে কুড়িগ্রাম জেলার রৌমারী উপজেলার দাঁতভাঙা ইউনিয়নের বংশিপাড়া এলাকার মোঃ ফরহাদ হোসেনের জমি থেকে করলা চুরির সময় মোছাঃ ছালেহা বেগমকে হাতেনাতে আটক করেন জমির মালিক ও এলাকাবাসী। পরে বিষয়টি তার পরিবারকে জানানো হলে সকাল ৯টার দিকে তার স্বামী মোঃ বদিয়া মিয়া ঘটনাস্থলে এসে তাকে গাছে বেঁধে লাঠি দিয়ে বেধড়ক মারধর করেন।
এ ঘটনায় এলাকায় মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।
জমির মালিক মোঃ ফরহাদ হোসেন বলেন, “জমি থেকে প্রায়ই করলা চুরি হচ্ছিল। পরে গোপনে নজরদারি করে মোছাঃ ছালেহা বেগম নামের ওই নারীকে এক বস্তা করলাসহ হাতেনাতে আটক করা হয়। বিষয়টি তার স্বামীকে জানালে তিনি এসে তাকে পিটিয়েছেন।”
কুড়িগ্রাম জেলার রৌমারী উপজেলার দাঁতভাঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য মোঃ আবুল হোসেন বলেন, “এক নারীকে করলাসহ আটক করা হয়েছিল। পরে তার স্বামী এসে তাকে শাসন করে বাড়ি নিয়ে যান।”
এ বিষয়ে রৌমারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ কাওসার আলী বলেন, ‘ঘটনার পুরো বিষয় আমার জানা নেই। তবে খোঁজখবর নেব।