নিজস্ব প্রতিবেদক
দেশজুড়ে মব সহিংসতা ও হত্যাকাণ্ড বৃদ্ধির প্রতিবাদে বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) শিক্ষার্থীরা।
সোমবার বিশ্ববিদ্যালয়ের শান্ত চত্বরে অনুষ্ঠিত এ কর্মসূচিতে শিক্ষার্থীরা প্ল্যাকার্ড বহন করে মব জাস্টিস, সহিংসতা, নাগরিক অধিকার ক্ষয় এবং সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির বিরুদ্ধে বিভিন্ন স্লোগান দেন।
সমাবেশে বক্তারা বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে দেশে মব সহিংসতার ঘটনা আশঙ্কাজনক হারে বেড়েছে। জননিরাপত্তা ও আইনের শাসনের জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে এসব ঘটনা। এ ধরনের ঘটনার বিরুদ্ধে রাষ্ট্রের কার্যকর ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তারা এবং দ্রুত দৃশ্যমান পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানান।
শিক্ষার্থী খিজির আল সিফাত বলেন, “অন্তর্বর্তী সরকারের সময় আমরা মব সহিংসতার ঘটনা দেখেছি। তখন আশা ছিল, নির্বাচিত সরকার ক্ষমতায় এলে পরিস্থিতির উন্নতি হবে। কিন্তু সাম্প্রতিক ঘটনাগুলো সেই আশাকে প্রশ্নবিদ্ধ করেছে।”
আরেক শিক্ষার্থী অ্যাপল মাওলানা বলেন, কুষ্টিয়ায় ধর্ম অবমাননার অভিযোগে এক ব্যক্তিকে পিটিয়ে হত্যার ঘটনা অত্যন্ত উদ্বেগজনক এবং এটি বিচারবহির্ভূত হত্যার প্রবণতা বাড়ার ইঙ্গিত দেয়। তিনি সরকারের ভূমিকা নিয়েও সমালোচনা করে বলেন, অনেক ক্ষেত্রেই প্রতিক্রিয়া ‘নিষ্ক্রিয়’ বলে মনে হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, উসকানিমূলক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের কনটেন্টের জেরে একটি মাজারে হামলার ঘটনা এবং মোহাম্মদপুরে সংঘর্ষে এক তরুণকে কুপিয়ে হত্যার ঘটনাও দেশের ভঙ্গুর আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির প্রতিফলন।
সমাবেশে সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্টের জবি শাখার সভাপতি ইভান তাওসীব বলেন, শাহবাগে হিজড়া জনগোষ্ঠীর ওপর হামলার ঘটনা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। “এই দেশ সবার, প্রত্যেকেরই নিরাপদে বাঁচার অধিকার আছে,”-যোগ করেন তিনি।
তিনি আরও বলেন, নির্বাচিত সরকার থাকা সত্ত্বেও এ ধরনের ঘটনা অব্যাহত রয়েছে, যা উদ্বেগজনক। দায়ীদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানান তিনি।
সোমবার বিশ্ববিদ্যালয়ের শান্ত চত্বরে অনুষ্ঠিত এ কর্মসূচিতে শিক্ষার্থীরা প্ল্যাকার্ড বহন করে মব জাস্টিস, সহিংসতা, নাগরিক অধিকার ক্ষয় এবং সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির বিরুদ্ধে বিভিন্ন স্লোগান দেন।
সমাবেশে বক্তারা বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে দেশে মব সহিংসতার ঘটনা আশঙ্কাজনক হারে বেড়েছে। জননিরাপত্তা ও আইনের শাসনের জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে এসব ঘটনা। এ ধরনের ঘটনার বিরুদ্ধে রাষ্ট্রের কার্যকর ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তারা এবং দ্রুত দৃশ্যমান পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানান।
শিক্ষার্থী খিজির আল সিফাত বলেন, “অন্তর্বর্তী সরকারের সময় আমরা মব সহিংসতার ঘটনা দেখেছি। তখন আশা ছিল, নির্বাচিত সরকার ক্ষমতায় এলে পরিস্থিতির উন্নতি হবে। কিন্তু সাম্প্রতিক ঘটনাগুলো সেই আশাকে প্রশ্নবিদ্ধ করেছে।”
আরেক শিক্ষার্থী অ্যাপল মাওলানা বলেন, কুষ্টিয়ায় ধর্ম অবমাননার অভিযোগে এক ব্যক্তিকে পিটিয়ে হত্যার ঘটনা অত্যন্ত উদ্বেগজনক এবং এটি বিচারবহির্ভূত হত্যার প্রবণতা বাড়ার ইঙ্গিত দেয়। তিনি সরকারের ভূমিকা নিয়েও সমালোচনা করে বলেন, অনেক ক্ষেত্রেই প্রতিক্রিয়া ‘নিষ্ক্রিয়’ বলে মনে হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, উসকানিমূলক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের কনটেন্টের জেরে একটি মাজারে হামলার ঘটনা এবং মোহাম্মদপুরে সংঘর্ষে এক তরুণকে কুপিয়ে হত্যার ঘটনাও দেশের ভঙ্গুর আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির প্রতিফলন।
সমাবেশে সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্টের জবি শাখার সভাপতি ইভান তাওসীব বলেন, শাহবাগে হিজড়া জনগোষ্ঠীর ওপর হামলার ঘটনা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। “এই দেশ সবার, প্রত্যেকেরই নিরাপদে বাঁচার অধিকার আছে,”-যোগ করেন তিনি।
তিনি আরও বলেন, নির্বাচিত সরকার থাকা সত্ত্বেও এ ধরনের ঘটনা অব্যাহত রয়েছে, যা উদ্বেগজনক। দায়ীদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানান তিনি।
সমাবেশ থেকে শিক্ষার্থীরা অবিলম্বে মব সহিংসতা রোধ, জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও বিচার নিশ্চিত করা এবং সার্বিক জননিরাপত্তা জোরদারের জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানান।