ক্রাইম রিপোর্টর্টারঃ
পিরোজপুর জেলার নেছারাবাদের পশ্চিম সোগাগদল নিবাসী সাবেক সচিব, সমাজ সেবক ও বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব শামসুল হককে হেনস্থা করার জন্য এবার উঠেপড়ে লেগেছে নব্য বিএনপি পরিচয়ধারী এলাকার চিহ্নিত কিছু ঊচ্ছৃঙ্খল চক্র।
জানা গেছে , জনাব শামসুল হক তার চাকুরী জীবনে প্রাপ্ত সমূদয় অর্থ দিয়ে এলাকার পিছিয়ে পরা মানুষদের চিকিৎসা সেবা ও শিক্ষা ব্যবস্থা দোরগোড়ায় পৌঁছে দেবার জন্য বহু স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা, ডাক বাংলো, টেকনিক্যাল কলেজ, প্রাইমারি স্কুল, প্রবীণ হাসপাতাল, কমিউনিটি ক্লিনিক সহ প্রায় ২৩টি সেবামূলক প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলেন। যা অনেকেরই গাত্রদাহের কারণ হয়। ৫আগষ্ট আওয়ামীলীগ সরকারের পতনের পর এলাকার কিছু লোভী ও সন্ত্রাসী সুযোগ খুঁজতে থাকে তাকে অপমান ও অপদস্ত করে এসব প্রতিষ্ঠান তাদের আয়ত্বে নিতে অথবা তালা ঝুলিয়ে দিতে।
এ নিয়ে তারা সাধারণ মানুষের সেন্টিমেন্ট গ্রো করার জন্য তারই প্রতিষ্ঠিত একটি মসজিদ নিয়ে মব তৈরী করে। ছড়ানো হয় মসজিদের জমি দখল করে নাকি তিনি দ্বিতল ভবন নির্মান করেছেন। প্রকৃত পক্ষে উনি তার নিজস্ব জমির অন্য দাগের অংশ মসজিদের জন্য রেখে মসজিদ সংলগ্ন বাড়ী নির্মান করেন যা মসজিদ কমিটি সবাই জানেন।
এরই ধারাবাহিকতায় অত্র এলাকার মাসুম, পিতা, আইউব আলী। জাহিদ, পিতা, পিতা মৃত, মোজাহার আলী। আবু রায়হান, পিতা, রশিদ মোল্লা। মোঃ আলিম, পিতা, মৃত রশিদ। রফিকুল ইসলাম, পিতা, মৃত আব্দুর রব। কে এম ফায়জুল আলম, পিতা, মৃত নূরুল আলম। কে এম ফরিদুল আলম, পিতা, মৃত নুরুল আলম। আব্দুল হামিদ, পিতা মৃত সিরাজুদ্দিন গং বীর মুক্তিযোদ্ধা শামসুল হকের প্রতিষ্ঠিত প্রতিষ্ঠান গুলো ধ্বংস করার জন্য রানিং কমিটি বাতিলের চেষ্টা চালায়।
স্থানীয় ভাবে স্কুল কলেজ ও অন্যান্য প্রতিষ্ঠানে রেজিস্ট্রিকৃত জমি বেদখল করার পায়তারা চালায়। এবং প্রতিষ্ঠানের জমিতে রোপিত ফলজ বৃক্ষ ও অন্যান্য গাছপালা কেটে প্রায় ৩ লক্ষাধিক টাকা তারা জোরপূর্বক আত্মসাৎ করে। এ নিয়ে বিশিষ্ট সমাজ সেবক এবং এই সকল প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠাতা জনাব শামসুল হক পিরোজপুর সিভিল জজ আদালত ল্যান্ড সার্ভে দেওয়ানি মামলা ঋজু করেন। যা এখনো চলমান।
জানা গেছে, ইতোপূর্বে এই ত্রাস সৃষ্টি কারীরা শহীদ স্মৃতি, পশ্চিম সোহাগদল স্কুলের প্রধান শিক্ষকের রুম সহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা ভাংচুর করে। এরপর তারা বিভিন্ন মব তৈরী করে শামসুল হক সাহেবকে নাজেহাল করার জন্য বিভিন্ন স্থানে খুঁজতে থাকে এবং চিৎকার করে বলতে থাকে তারা বিএনপি করে, বিএনপি এখন ক্ষমতায় পারলে তাদের সামনে কেউ আসুক! এখন কেউ কিছু তাদের করতে পারবে না!
এব্যাপারে বিশিষ্ট সমাজ সেবক ও সাবেক সচিবের কাছে বিস্তারিত জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমি এখন ৮২ বছর বয়সের একজন বৃদ্ধ। এলাকার মানুষের কল্যাণের জন্য আমার সকল আয় ও জমাকৃত অর্থ দিয়ে অসহায় মানুষের জন্য এসব প্রতিষ্ঠান করেছি। কিন্তু কিছু চিহ্নিত মানুষের দীর্ঘদিন ধরেই ভালো কিছু সহ্য হচ্ছে না। তারা এখন বিভিন্ন অযুহাত ও মব তুলে এগুলো ধ্বংস করতে চায়। এসব ধ্বংস করার জন্য তারা বিভিন্ন ভাবে সাধারণ মানুষের মনে ভয়ভীতি সৃষ্টি করছে যেন তাদের এসব অপকর্মে কেউ সরাসরি বাধা দিতে না আসে।
অন্যদিকে এলাকার সচেতন ব্যক্তিদের সাথে এ নিয়ে আলাপ করলে তারা জানান, সাবেক সচিব শামসুল হক তার এসব প্রতিষ্ঠান করতে গিয়ে নিজের বাপ দাদার প্রায় চৌদ্দ বিঘা সম্পত্তি দান করে দিয়েছেন। এসব প্রতিষ্ঠানের পিছনে নিজের লক্ষ লক্ষ টাকা খরচ করেছেন এবং এখনো করছেন আর সেখানে সে কিনা মাত্র কয়েক শতাংশ জমি তিনি নিজের কাজে আত্মসাৎ করবেন এটা কি বিশ্বাস করা যায়? এগুলো হচ্ছে প্রতিপক্ষের মব তৈরীর কৌশল। তাই এলাকাবাসী ও এসব প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা কর্মচারীরা দ্রুত এ ব্যাপারে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সহযোগিতা কামনা করেন।
তারা বলেন, কতিপয় ঊচ্ছৃঙ্খল স্বার্থান্বেসী মহলের কারণে যদি সমাজে ভালো কাজ করে এভাবে অপমান অপদস্ত হতে হয় তাহলে ভবিষ্যতে সমাজ ও মানুষের জন্য ভালো কাজ করতে আর কেউ এগিয়ে আসবে না। তাই যে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে এলাকার মানুষ সংশ্লিষ্ট ঊর্ধতন কর্মকর্তাদের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেন।
পিরোজপুর জেলার নেছারাবাদের পশ্চিম সোগাগদল নিবাসী সাবেক সচিব, সমাজ সেবক ও বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব শামসুল হককে হেনস্থা করার জন্য এবার উঠেপড়ে লেগেছে নব্য বিএনপি পরিচয়ধারী এলাকার চিহ্নিত কিছু ঊচ্ছৃঙ্খল চক্র।
জানা গেছে , জনাব শামসুল হক তার চাকুরী জীবনে প্রাপ্ত সমূদয় অর্থ দিয়ে এলাকার পিছিয়ে পরা মানুষদের চিকিৎসা সেবা ও শিক্ষা ব্যবস্থা দোরগোড়ায় পৌঁছে দেবার জন্য বহু স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা, ডাক বাংলো, টেকনিক্যাল কলেজ, প্রাইমারি স্কুল, প্রবীণ হাসপাতাল, কমিউনিটি ক্লিনিক সহ প্রায় ২৩টি সেবামূলক প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলেন। যা অনেকেরই গাত্রদাহের কারণ হয়। ৫আগষ্ট আওয়ামীলীগ সরকারের পতনের পর এলাকার কিছু লোভী ও সন্ত্রাসী সুযোগ খুঁজতে থাকে তাকে অপমান ও অপদস্ত করে এসব প্রতিষ্ঠান তাদের আয়ত্বে নিতে অথবা তালা ঝুলিয়ে দিতে।
এ নিয়ে তারা সাধারণ মানুষের সেন্টিমেন্ট গ্রো করার জন্য তারই প্রতিষ্ঠিত একটি মসজিদ নিয়ে মব তৈরী করে। ছড়ানো হয় মসজিদের জমি দখল করে নাকি তিনি দ্বিতল ভবন নির্মান করেছেন। প্রকৃত পক্ষে উনি তার নিজস্ব জমির অন্য দাগের অংশ মসজিদের জন্য রেখে মসজিদ সংলগ্ন বাড়ী নির্মান করেন যা মসজিদ কমিটি সবাই জানেন।
এরই ধারাবাহিকতায় অত্র এলাকার মাসুম, পিতা, আইউব আলী। জাহিদ, পিতা, পিতা মৃত, মোজাহার আলী। আবু রায়হান, পিতা, রশিদ মোল্লা। মোঃ আলিম, পিতা, মৃত রশিদ। রফিকুল ইসলাম, পিতা, মৃত আব্দুর রব। কে এম ফায়জুল আলম, পিতা, মৃত নূরুল আলম। কে এম ফরিদুল আলম, পিতা, মৃত নুরুল আলম। আব্দুল হামিদ, পিতা মৃত সিরাজুদ্দিন গং বীর মুক্তিযোদ্ধা শামসুল হকের প্রতিষ্ঠিত প্রতিষ্ঠান গুলো ধ্বংস করার জন্য রানিং কমিটি বাতিলের চেষ্টা চালায়।
স্থানীয় ভাবে স্কুল কলেজ ও অন্যান্য প্রতিষ্ঠানে রেজিস্ট্রিকৃত জমি বেদখল করার পায়তারা চালায়। এবং প্রতিষ্ঠানের জমিতে রোপিত ফলজ বৃক্ষ ও অন্যান্য গাছপালা কেটে প্রায় ৩ লক্ষাধিক টাকা তারা জোরপূর্বক আত্মসাৎ করে। এ নিয়ে বিশিষ্ট সমাজ সেবক এবং এই সকল প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠাতা জনাব শামসুল হক পিরোজপুর সিভিল জজ আদালত ল্যান্ড সার্ভে দেওয়ানি মামলা ঋজু করেন। যা এখনো চলমান।
জানা গেছে, ইতোপূর্বে এই ত্রাস সৃষ্টি কারীরা শহীদ স্মৃতি, পশ্চিম সোহাগদল স্কুলের প্রধান শিক্ষকের রুম সহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা ভাংচুর করে। এরপর তারা বিভিন্ন মব তৈরী করে শামসুল হক সাহেবকে নাজেহাল করার জন্য বিভিন্ন স্থানে খুঁজতে থাকে এবং চিৎকার করে বলতে থাকে তারা বিএনপি করে, বিএনপি এখন ক্ষমতায় পারলে তাদের সামনে কেউ আসুক! এখন কেউ কিছু তাদের করতে পারবে না!
এব্যাপারে বিশিষ্ট সমাজ সেবক ও সাবেক সচিবের কাছে বিস্তারিত জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমি এখন ৮২ বছর বয়সের একজন বৃদ্ধ। এলাকার মানুষের কল্যাণের জন্য আমার সকল আয় ও জমাকৃত অর্থ দিয়ে অসহায় মানুষের জন্য এসব প্রতিষ্ঠান করেছি। কিন্তু কিছু চিহ্নিত মানুষের দীর্ঘদিন ধরেই ভালো কিছু সহ্য হচ্ছে না। তারা এখন বিভিন্ন অযুহাত ও মব তুলে এগুলো ধ্বংস করতে চায়। এসব ধ্বংস করার জন্য তারা বিভিন্ন ভাবে সাধারণ মানুষের মনে ভয়ভীতি সৃষ্টি করছে যেন তাদের এসব অপকর্মে কেউ সরাসরি বাধা দিতে না আসে।
অন্যদিকে এলাকার সচেতন ব্যক্তিদের সাথে এ নিয়ে আলাপ করলে তারা জানান, সাবেক সচিব শামসুল হক তার এসব প্রতিষ্ঠান করতে গিয়ে নিজের বাপ দাদার প্রায় চৌদ্দ বিঘা সম্পত্তি দান করে দিয়েছেন। এসব প্রতিষ্ঠানের পিছনে নিজের লক্ষ লক্ষ টাকা খরচ করেছেন এবং এখনো করছেন আর সেখানে সে কিনা মাত্র কয়েক শতাংশ জমি তিনি নিজের কাজে আত্মসাৎ করবেন এটা কি বিশ্বাস করা যায়? এগুলো হচ্ছে প্রতিপক্ষের মব তৈরীর কৌশল। তাই এলাকাবাসী ও এসব প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা কর্মচারীরা দ্রুত এ ব্যাপারে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সহযোগিতা কামনা করেন।
তারা বলেন, কতিপয় ঊচ্ছৃঙ্খল স্বার্থান্বেসী মহলের কারণে যদি সমাজে ভালো কাজ করে এভাবে অপমান অপদস্ত হতে হয় তাহলে ভবিষ্যতে সমাজ ও মানুষের জন্য ভালো কাজ করতে আর কেউ এগিয়ে আসবে না। তাই যে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে এলাকার মানুষ সংশ্লিষ্ট ঊর্ধতন কর্মকর্তাদের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেন।