নিজস্ব প্রতিবেদক
সুনামগঞ্জের মধ্যনগর উপজেলার গুরমার হাওরের ৮ নম্বর উপপ্রকল্পের শৌলডুয়ারী বাঁধ কাটতে গিয়ে মাটিচাপায় এক যুবকের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। নিহত আরমান মিয়া (২০) উপজেলার শালীয়ানী গ্রামের চানপর মিয়ার একমাত্র ছেলে।
রোববার (১২ এপ্রিল) দুপুর ১২টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, টানা কয়েক দিনের ভারি বৃষ্টিতে সুনামগঞ্জের বিভিন্ন হাওরে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়। এতে মধ্যনগর উপজেলার রূপেশ্বর হাওরের বিস্তীর্ণ জমিতে পানি আটকে পড়ে। জমে থাকা পানি নিষ্কাশনের জন্য গত শুক্রবার রাতে স্থানীয় কৃষকেরা গুরমার হাওরের ৮ নম্বর উপপ্রকল্পের শৌলডুয়ারী বাঁধ কেটে দেন।
বাঁধ কাটার পর পানি বের হওয়ার একপর্যায়ে কাটা অংশের পাড় ধসে পড়ে এবং পানির প্রবাহ বন্ধ হয়ে যায়। পরে ধসে পড়া অংশের মাটি সরাতে রোববার সকালে শালীয়ানী গ্রামের কয়েকজন কৃষক সেখানে কাজ শুরু করেন।
দুপুরের দিকে কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে পৌঁছালে হঠাৎ আবারও বাঁধের পাড় ধসে পড়ে। এ সময় অন্যরা দ্রুত সরে যেতে সক্ষম হলেও আরমান মিয়া মাটির নিচে চাপা পড়ে যান। পরে স্থানীয় লোকজন এবং সঙ্গে থাকা শ্রমিকেরা প্রায় এক ঘণ্টা চেষ্টা চালিয়ে তাকে উদ্ধার করেন।
গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে দ্রুত ধর্মপাশা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
মধ্যনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) সঞ্জয় ঘোষ বলেন, ‘বাঁধে মাটিচাপায় এক যুবকের মৃত্যুর খবর পেয়েছি, যা অত্যন্ত দুঃখজনক। তবে বাঁধ কাটার বিষয়ে প্রশাসনের কোনো অনুমতি ছিল না। আমাদের না জানিয়ে স্থানীয় লোকজন নিজেরাই বাঁধ কেটে দিয়েছেন।
রোববার (১২ এপ্রিল) দুপুর ১২টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, টানা কয়েক দিনের ভারি বৃষ্টিতে সুনামগঞ্জের বিভিন্ন হাওরে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়। এতে মধ্যনগর উপজেলার রূপেশ্বর হাওরের বিস্তীর্ণ জমিতে পানি আটকে পড়ে। জমে থাকা পানি নিষ্কাশনের জন্য গত শুক্রবার রাতে স্থানীয় কৃষকেরা গুরমার হাওরের ৮ নম্বর উপপ্রকল্পের শৌলডুয়ারী বাঁধ কেটে দেন।
বাঁধ কাটার পর পানি বের হওয়ার একপর্যায়ে কাটা অংশের পাড় ধসে পড়ে এবং পানির প্রবাহ বন্ধ হয়ে যায়। পরে ধসে পড়া অংশের মাটি সরাতে রোববার সকালে শালীয়ানী গ্রামের কয়েকজন কৃষক সেখানে কাজ শুরু করেন।
দুপুরের দিকে কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে পৌঁছালে হঠাৎ আবারও বাঁধের পাড় ধসে পড়ে। এ সময় অন্যরা দ্রুত সরে যেতে সক্ষম হলেও আরমান মিয়া মাটির নিচে চাপা পড়ে যান। পরে স্থানীয় লোকজন এবং সঙ্গে থাকা শ্রমিকেরা প্রায় এক ঘণ্টা চেষ্টা চালিয়ে তাকে উদ্ধার করেন।
গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে দ্রুত ধর্মপাশা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
মধ্যনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) সঞ্জয় ঘোষ বলেন, ‘বাঁধে মাটিচাপায় এক যুবকের মৃত্যুর খবর পেয়েছি, যা অত্যন্ত দুঃখজনক। তবে বাঁধ কাটার বিষয়ে প্রশাসনের কোনো অনুমতি ছিল না। আমাদের না জানিয়ে স্থানীয় লোকজন নিজেরাই বাঁধ কেটে দিয়েছেন।