নিজস্ব প্রতিবেদক
‘জনগণের অধিকার আদায়ে আমরা অতীতে আপসহীন ছিলাম, এখনো আছি; আগামী দিনেও থাকবো, এ ক্ষেত্রে আমরা এক চুলও নড়বো না’ বলে দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর ও জাতীয় সংসদে বিরোধী দলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান এমপি।
তিনি গতকাল রাতে রাজধানীর একটি মিলনায়তনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগরী উত্তরের কাফরুল পশ্চিম থানার ১৪নং ওয়ার্ডে স্থানীয় বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গের সাথে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন। থানা আমীর আব্দুল মতিন খানের সভাপতিত্বে ও থানা সেক্রেটারী এম. আতিক হাসান রায়হানের পরিচালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য ও ঢাকা মহানগরী উত্তরের হকারী সেক্রেটারি ডা. ফখরুদ্দিন মানিক, ঢাকা মহানগরী উত্তরের কর্মপরিষদ সদস শাহ আলম তুহিন ও মুহাম্মদ শহিদুল্লাহ। উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ২০১৮ সালে আমি এ আসনে ২০ দলীয় জোটের প্রার্থী ছিলাম। নৈশ্যভোটের নির্বাচনেও নানা বাধা-প্রতিবন্ধকতা উপেক্ষা করে সামান্য সময়ের মধ্যে জনগণ আমাদেরকে ৩৯ হাজার ভোট দিয়েছিলেন। কিন্তু ফ্যাসিবাদীরা সেদিন ভোটারদের ওপর হামলা চালিয়েছিলো। এমনকি একজন মহিলা কর্মীর হাতও ভেঙে দেওয়া হিয়েছিলো। আমি কর্মীর রক্তের ওপর এমপি হতে চাইনি বলে সেদিন নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়িয়ে ছিলাম। কিন্তু জুলাই অভ্যুত্থানের পর আল্লাহ আমাদেরকে সুযোগ করে দিয়েছেন। জনগণ ভোট দিয়ে আমাকে নির্বাচিত করেছেন। ভোটাররা শুধু আমাকে জামায়াত প্রার্থী হিসাবে নির্বাচিত করেন নি বরং দুর্নীতি, চাঁদাবাজমুক্ত মানবিক সমাজ প্রতিষ্ঠার অঙ্গীকারের প্রতি শ্রদ্ধা রেখেই জনগণ স্বতঃস্ফূতভাবে আমাদের ভোট দিয়েছেন। তাই জনগণের কাছে দেওয়া প্রতিশ্রুতি রক্ষা করতে আমরা বদ্ধপরিকর’।
তিনি বলেন, আমরা পরিবর্তনের এক নতুন বাংলাদেশ গড়তে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। কোন বাধা-প্রতিবদ্ধকতায় আমাদেরকে দমাতে পারবে না। আমরা ফ্যাসিবাদ তাড়াতে মৃত্যুর দুয়ার থেকে ফিরে এসেছি। আমরা আমাদের লড়াই আগামী দিনেও অব্যাহত রাখবো। প্রয়োজনে জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠায় জীবন দিতে প্রস্তুত আছি। আমরা সংসদে আছি বা নেই তা কোন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নয় বরং জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠায় যা যা করণীয় আমরা তাই করবো। আমরা এমন এক ন্যায়- ইনসাফের এমন এক মানবিক বাংলাদেশ গড়তে চাই যেখানে কোন কোন দুর্নীতি, দুঃশাসান, চাঁদাবাজী ও নৈরাজ্য থাকবে না বরং ধর্ম, বর্ণ, গোত্র, নারী, পুরুষ নির্বিশেষের সকল মানুষের অধিকারের নিশ্চয়তা থাকবে’। তিনি সে স্বপ্নের বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠায় সকলকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করার আহবান জানান।
‘জনগণের অধিকার আদায়ে আমরা অতীতে আপসহীন ছিলাম, এখনো আছি; আগামী দিনেও থাকবো, এ ক্ষেত্রে আমরা এক চুলও নড়বো না’ বলে দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর ও জাতীয় সংসদে বিরোধী দলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান এমপি।
তিনি গতকাল রাতে রাজধানীর একটি মিলনায়তনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগরী উত্তরের কাফরুল পশ্চিম থানার ১৪নং ওয়ার্ডে স্থানীয় বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গের সাথে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন। থানা আমীর আব্দুল মতিন খানের সভাপতিত্বে ও থানা সেক্রেটারী এম. আতিক হাসান রায়হানের পরিচালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য ও ঢাকা মহানগরী উত্তরের হকারী সেক্রেটারি ডা. ফখরুদ্দিন মানিক, ঢাকা মহানগরী উত্তরের কর্মপরিষদ সদস শাহ আলম তুহিন ও মুহাম্মদ শহিদুল্লাহ। উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ২০১৮ সালে আমি এ আসনে ২০ দলীয় জোটের প্রার্থী ছিলাম। নৈশ্যভোটের নির্বাচনেও নানা বাধা-প্রতিবন্ধকতা উপেক্ষা করে সামান্য সময়ের মধ্যে জনগণ আমাদেরকে ৩৯ হাজার ভোট দিয়েছিলেন। কিন্তু ফ্যাসিবাদীরা সেদিন ভোটারদের ওপর হামলা চালিয়েছিলো। এমনকি একজন মহিলা কর্মীর হাতও ভেঙে দেওয়া হিয়েছিলো। আমি কর্মীর রক্তের ওপর এমপি হতে চাইনি বলে সেদিন নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়িয়ে ছিলাম। কিন্তু জুলাই অভ্যুত্থানের পর আল্লাহ আমাদেরকে সুযোগ করে দিয়েছেন। জনগণ ভোট দিয়ে আমাকে নির্বাচিত করেছেন। ভোটাররা শুধু আমাকে জামায়াত প্রার্থী হিসাবে নির্বাচিত করেন নি বরং দুর্নীতি, চাঁদাবাজমুক্ত মানবিক সমাজ প্রতিষ্ঠার অঙ্গীকারের প্রতি শ্রদ্ধা রেখেই জনগণ স্বতঃস্ফূতভাবে আমাদের ভোট দিয়েছেন। তাই জনগণের কাছে দেওয়া প্রতিশ্রুতি রক্ষা করতে আমরা বদ্ধপরিকর’।
তিনি বলেন, আমরা পরিবর্তনের এক নতুন বাংলাদেশ গড়তে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। কোন বাধা-প্রতিবদ্ধকতায় আমাদেরকে দমাতে পারবে না। আমরা ফ্যাসিবাদ তাড়াতে মৃত্যুর দুয়ার থেকে ফিরে এসেছি। আমরা আমাদের লড়াই আগামী দিনেও অব্যাহত রাখবো। প্রয়োজনে জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠায় জীবন দিতে প্রস্তুত আছি। আমরা সংসদে আছি বা নেই তা কোন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নয় বরং জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠায় যা যা করণীয় আমরা তাই করবো। আমরা এমন এক ন্যায়- ইনসাফের এমন এক মানবিক বাংলাদেশ গড়তে চাই যেখানে কোন কোন দুর্নীতি, দুঃশাসান, চাঁদাবাজী ও নৈরাজ্য থাকবে না বরং ধর্ম, বর্ণ, গোত্র, নারী, পুরুষ নির্বিশেষের সকল মানুষের অধিকারের নিশ্চয়তা থাকবে’। তিনি সে স্বপ্নের বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠায় সকলকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করার আহবান জানান।