নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হরমুজ প্রণালিতে নৌ অবরোধের হুমকি দিয়েছেন। তার এ ঘোষণায় নতুন বাস্তবতার মুখোমুখি হচ্ছে তাইওয়ান। চীন যদি দ্বীপটিকে অবরোধ করার বিষয়ে বারবার দেওয়া হুমকি বাস্তবায়ন করে, তবে সেখানকার জীবনযাত্রা কত দ্রুত বদলে যাবে।
বৈশ্বিক জ্বালানি সংকট এই স্বশাসিত দ্বীপটির নাজুক অবস্থাকেই তুলে ধরেছে, কারণ এটি বিদেশি জ্বালানির ওপর নির্ভরশীল। তাইওয়ান তার প্রায় ৯৭ শতাংশ জ্বালানি আমদানি করে, যা ২ কোটি ৩০ লাখ মানুষের এবং সেমিকন্ডাক্টর শিল্পের জ্বালানি চাহিদা পুরণ করে। এই শিল্প বিশ্বের সবচেয়ে উন্নত চিপগুলোর প্রায় ৯০ শতাংশ উৎপাদন করে।
তাইওয়ানের শক্তি জোগানোর জ্বালানি জাহাজে করে আসে এবং তার বেশিরভাগই আসে মধ্যপ্রাচ্য থেকে। এগুলো দ্বীপটির পশ্চিম উপকূলের অল্প কয়েকটি বন্দরে পৌঁছায়।
অবরোধের কৌশল:
চীন বছরের পর বছর ধরে তাইওয়ানের ওপর চাপ প্রয়োগের প্রস্তুতি নিচ্ছে, দ্বীপটিকে তারা পুরনায় একীভূত করার পরিকল্পনা করছে, যদিও তারা কখনোই এটিকে নিয়ন্ত্রণ করেনি।
সামরিক মহড়া:
সাম্প্রতিক সামরিক মহড়ায়, পিপলস লিবারেশন আর্মি বন্দর ও সমুদ্রপথ অবরোধের মহড়া দিয়েছে। মহড়ায় পূর্ণাঙ্গ আক্রমণের পরিবর্তে প্রবেশাধিকার সীমিত করার ওপর জোর দেওয়া হয়। পেন্টাগনের পর্যালোচনা অনুযায়ী, চীনের কাছে এখন বিশ্বের বৃহত্তম নৌবাহিনী রয়েছে, যা দীর্ঘ সময় ধরে অভিযান চালিয়ে যেতে সক্ষম।
অভ্যন্তরীণ বিষয়:
বেইজিং তাইওয়ান ইস্যুকে একটি অভ্যন্তরীণ বিষয় হিসেবেই তুলে ধরছে। সেইসঙ্গে ইরান ও ভেনেজুয়েলাকে ঘিরে মার্কিন কর্মকাণ্ডের ব্যাপক নিন্দাও করছে দেশটি। বিশ্লেষকরা বলছেন, যুক্তরাষ্ট্রের এই দুটি সাম্প্রতিক সামরিক অভিযান-চীনকে তার নিজস্ব সম্ভাব্য ভবিষ্যৎ পদক্ষেপকে ন্যায্যতা দেওয়ার জন্য একটি সুস্পষ্ট যুক্তি হতে পারে, যেখানে অবরোধকে একটি ‘আইন প্রয়োগকারী পদক্ষেপ’ হিসেবে উপস্থাপন করা হবে।
জ্বালানি সংকট:
অবরোধের কারণে সৃষ্ট দীর্ঘস্থায়ী জ্বালানি সংকট কাটাতে সম্ভবত শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ, লিফট ও এসকেলেটর, রাস্তার আলোতে বিধিনিষেধ আরোপ এবং ব্যবসার সময় কমানোর মতো পদক্ষেপ নিতে পারে তাইওয়ান। যদি এই সংকট চলতে থাকে, তবে তাইওয়ানে বিদ্যুৎ বিভ্রাট আরো ব্যাপক আকার ধারণ করবে। ট্রেন চলাচলে বিলম্ব হতে পারে। কিছু এলাকায় পানি সরবরাহ ব্যাহত হতে পারে, কারণ পাম্পিং ব্যবস্থা বিদ্যুতের ওপর নির্ভরশীল।
তাইওয়ানের সেমিকন্ডাক্টর কারখানাগুলোকে সম্ভবত অগ্রাধিকার দেওয়া হবে, কিন্তু এই খাতও চাপের মুখে পড়তে পারে। ব্যয়বহুল শাটডাউন এড়াতে তাদের নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ প্রয়োজন।
তাইওয়ানের সরকার পারমাণবিক শক্তির বিষয়টি পুনর্বিবেচনা করছে এবং জ্বালানি সরবরাহ স্থিতিশীল করতে নিষ্ক্রিয় চুল্লিগুলো পুনরায় চালু করার পরিকল্পনা পর্যালোচনা করছে। কিন্তু যেকোনো পুনঃপ্রবর্তনে কয়েক মাসের পরিবর্তে সম্ভবত কয়েক বছর সময় লাগবে, যার জন্য নিরাপত্তা পরীক্ষা, নিয়ন্ত্রক সংস্থার অনুমোদন এবং নতুন জ্বালানি সরবরাহের প্রয়োজন হবে।
বৈশ্বিক জ্বালানি সংকট এই স্বশাসিত দ্বীপটির নাজুক অবস্থাকেই তুলে ধরেছে, কারণ এটি বিদেশি জ্বালানির ওপর নির্ভরশীল। তাইওয়ান তার প্রায় ৯৭ শতাংশ জ্বালানি আমদানি করে, যা ২ কোটি ৩০ লাখ মানুষের এবং সেমিকন্ডাক্টর শিল্পের জ্বালানি চাহিদা পুরণ করে। এই শিল্প বিশ্বের সবচেয়ে উন্নত চিপগুলোর প্রায় ৯০ শতাংশ উৎপাদন করে।
তাইওয়ানের শক্তি জোগানোর জ্বালানি জাহাজে করে আসে এবং তার বেশিরভাগই আসে মধ্যপ্রাচ্য থেকে। এগুলো দ্বীপটির পশ্চিম উপকূলের অল্প কয়েকটি বন্দরে পৌঁছায়।
অবরোধের কৌশল:
চীন বছরের পর বছর ধরে তাইওয়ানের ওপর চাপ প্রয়োগের প্রস্তুতি নিচ্ছে, দ্বীপটিকে তারা পুরনায় একীভূত করার পরিকল্পনা করছে, যদিও তারা কখনোই এটিকে নিয়ন্ত্রণ করেনি।
সামরিক মহড়া:
সাম্প্রতিক সামরিক মহড়ায়, পিপলস লিবারেশন আর্মি বন্দর ও সমুদ্রপথ অবরোধের মহড়া দিয়েছে। মহড়ায় পূর্ণাঙ্গ আক্রমণের পরিবর্তে প্রবেশাধিকার সীমিত করার ওপর জোর দেওয়া হয়। পেন্টাগনের পর্যালোচনা অনুযায়ী, চীনের কাছে এখন বিশ্বের বৃহত্তম নৌবাহিনী রয়েছে, যা দীর্ঘ সময় ধরে অভিযান চালিয়ে যেতে সক্ষম।
অভ্যন্তরীণ বিষয়:
বেইজিং তাইওয়ান ইস্যুকে একটি অভ্যন্তরীণ বিষয় হিসেবেই তুলে ধরছে। সেইসঙ্গে ইরান ও ভেনেজুয়েলাকে ঘিরে মার্কিন কর্মকাণ্ডের ব্যাপক নিন্দাও করছে দেশটি। বিশ্লেষকরা বলছেন, যুক্তরাষ্ট্রের এই দুটি সাম্প্রতিক সামরিক অভিযান-চীনকে তার নিজস্ব সম্ভাব্য ভবিষ্যৎ পদক্ষেপকে ন্যায্যতা দেওয়ার জন্য একটি সুস্পষ্ট যুক্তি হতে পারে, যেখানে অবরোধকে একটি ‘আইন প্রয়োগকারী পদক্ষেপ’ হিসেবে উপস্থাপন করা হবে।
জ্বালানি সংকট:
অবরোধের কারণে সৃষ্ট দীর্ঘস্থায়ী জ্বালানি সংকট কাটাতে সম্ভবত শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ, লিফট ও এসকেলেটর, রাস্তার আলোতে বিধিনিষেধ আরোপ এবং ব্যবসার সময় কমানোর মতো পদক্ষেপ নিতে পারে তাইওয়ান। যদি এই সংকট চলতে থাকে, তবে তাইওয়ানে বিদ্যুৎ বিভ্রাট আরো ব্যাপক আকার ধারণ করবে। ট্রেন চলাচলে বিলম্ব হতে পারে। কিছু এলাকায় পানি সরবরাহ ব্যাহত হতে পারে, কারণ পাম্পিং ব্যবস্থা বিদ্যুতের ওপর নির্ভরশীল।
তাইওয়ানের সেমিকন্ডাক্টর কারখানাগুলোকে সম্ভবত অগ্রাধিকার দেওয়া হবে, কিন্তু এই খাতও চাপের মুখে পড়তে পারে। ব্যয়বহুল শাটডাউন এড়াতে তাদের নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ প্রয়োজন।
তাইওয়ানের সরকার পারমাণবিক শক্তির বিষয়টি পুনর্বিবেচনা করছে এবং জ্বালানি সরবরাহ স্থিতিশীল করতে নিষ্ক্রিয় চুল্লিগুলো পুনরায় চালু করার পরিকল্পনা পর্যালোচনা করছে। কিন্তু যেকোনো পুনঃপ্রবর্তনে কয়েক মাসের পরিবর্তে সম্ভবত কয়েক বছর সময় লাগবে, যার জন্য নিরাপত্তা পরীক্ষা, নিয়ন্ত্রক সংস্থার অনুমোদন এবং নতুন জ্বালানি সরবরাহের প্রয়োজন হবে।