নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী বলেছন, মালয়েশিয়াসহ বিভিন্ন দেশের শ্রমবাজার পুনরায় সচল করতে সরকার কাজ করছে । দীর্ঘদিন বন্ধ থাকা মালয়েশিয়া রুট দ্রুত সময়ের মধ্যে খোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। যাতে প্রবাসে কর্মসংস্থানের সুযোগ আরও বাড়ানো যায়।
রোববার সিলেট জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে আইনশৃঙ্খলা কমিটির বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।
আইনশৃঙ্খলা কমিটির বৈঠকে সিলেটে ছিনতাই-রাহাজানি প্রতিরোধে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে এক সপ্তাহের আল্টিমেটাম দিয়েছেন মন্ত্রী।
এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এক সপ্তাহের মধ্যে ইতিবাচক ফলাফল দেখতে চাই। দেশের প্রেক্ষাপটে সিলেটের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি যে এত খারাপ হয়ে গেছে এমন কিছু না। প্রশাসন এবং নেতৃবৃন্দ সক্রিয় আছেন। গত মাসের চেয়ে এ মাসে পরিস্থিতি ভালো । তবু আমরা সময় বেঁধে দিয়েছি। এক সপ্তাহের মধ্যে কোনো অভিযোগ শুনতে চাই না।
এসময় প্রবাসীকল্যান ও কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরও বলেন, মধ্যপ্রাচ্য থেকে যারা ফিরে এসেছেন তারা আবার যাওয়ার জন্য ভিসা সংক্রান্ত কোনো সমস্যা থাকলে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে কূটনৈতিক আলোচনার মাধ্যমে ভিসা এক্সটেনশন করছে সরকার।
যুদ্ধ পরিস্থিতিতে নিহত প্রবাসীদের দেশে আনা হচ্ছে জানিয়ে তিনি বলেন, যারা প্রবাসে অবস্থান করতে চান তাদের নিরাপত্তায় মিশনগুলো কাজ করছে।
সম্প্রতি মালয়েশিয়া সফরে অর্জন নিয়ে আরিফুল হক চৌধুরী বলেন, জয়েন্ট ভেঞ্চার স্বাক্ষর ফলপ্রসূ এবং সফল হয়েছে। সেখানে অনুষ্ঠিত বৈঠক অত্যন্ত ফলপ্রসূ হয়েছে। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী 'ব্রাদার' হিসেবে সম্বোধন করেছেন। মালয়েশিয়ার রুট ফ্যাসিস্ট সরকারের সময় বন্ধ ছিল। খুব তাড়াতাড়ি এটা খোলা হবে।
তিনি বলেন, শুধু মালয়েশিয়া কেন, সবদিকেই কাজ শুরু করেছে সরকার। আশাকরি ইতিবাচক ফলাফল দেখতে পাবেন।
সভায় জেলার সার্বিক আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি পর্যালোচনা করা হয় এবং জননিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।
মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী তার বক্তব্যে সীমান্ত এলাকায় মাদক ও সকল প্রকার চোরাচালান প্রতিরোধে সংশ্লিষ্ট বাহিনীকে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার নির্দেশ দেন।
রোববার সিলেট জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে আইনশৃঙ্খলা কমিটির বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।
আইনশৃঙ্খলা কমিটির বৈঠকে সিলেটে ছিনতাই-রাহাজানি প্রতিরোধে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে এক সপ্তাহের আল্টিমেটাম দিয়েছেন মন্ত্রী।
এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এক সপ্তাহের মধ্যে ইতিবাচক ফলাফল দেখতে চাই। দেশের প্রেক্ষাপটে সিলেটের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি যে এত খারাপ হয়ে গেছে এমন কিছু না। প্রশাসন এবং নেতৃবৃন্দ সক্রিয় আছেন। গত মাসের চেয়ে এ মাসে পরিস্থিতি ভালো । তবু আমরা সময় বেঁধে দিয়েছি। এক সপ্তাহের মধ্যে কোনো অভিযোগ শুনতে চাই না।
এসময় প্রবাসীকল্যান ও কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরও বলেন, মধ্যপ্রাচ্য থেকে যারা ফিরে এসেছেন তারা আবার যাওয়ার জন্য ভিসা সংক্রান্ত কোনো সমস্যা থাকলে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে কূটনৈতিক আলোচনার মাধ্যমে ভিসা এক্সটেনশন করছে সরকার।
যুদ্ধ পরিস্থিতিতে নিহত প্রবাসীদের দেশে আনা হচ্ছে জানিয়ে তিনি বলেন, যারা প্রবাসে অবস্থান করতে চান তাদের নিরাপত্তায় মিশনগুলো কাজ করছে।
সম্প্রতি মালয়েশিয়া সফরে অর্জন নিয়ে আরিফুল হক চৌধুরী বলেন, জয়েন্ট ভেঞ্চার স্বাক্ষর ফলপ্রসূ এবং সফল হয়েছে। সেখানে অনুষ্ঠিত বৈঠক অত্যন্ত ফলপ্রসূ হয়েছে। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী 'ব্রাদার' হিসেবে সম্বোধন করেছেন। মালয়েশিয়ার রুট ফ্যাসিস্ট সরকারের সময় বন্ধ ছিল। খুব তাড়াতাড়ি এটা খোলা হবে।
তিনি বলেন, শুধু মালয়েশিয়া কেন, সবদিকেই কাজ শুরু করেছে সরকার। আশাকরি ইতিবাচক ফলাফল দেখতে পাবেন।
সভায় জেলার সার্বিক আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি পর্যালোচনা করা হয় এবং জননিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।
মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী তার বক্তব্যে সীমান্ত এলাকায় মাদক ও সকল প্রকার চোরাচালান প্রতিরোধে সংশ্লিষ্ট বাহিনীকে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার নির্দেশ দেন।
সভায় বিজিবির উদ্দেশে তিনি বলেন, বর্ডার সাইটে যেসব রুটে চোরাচালান মালামাল আসা যাওয়া করে তার একটা ম্যাপ আমাকে দেন। বিশেষ করে বিজিবি এখন তেলের ডিপোতে চেক দেওয়া দরকার। এখান থেকে তেল বাইরে যেতে পারে। এজন্য ওই স্পটগুলোতে আলাদা চেকপোস্ট বসান। বর্ডার এরিয়া যদি কনট্রোল করতে পারি, দেখবেন তেলের সংকট হবে না। সরকার ভর্তুকি দিচ্ছে। অথচ এটা যদি অন্যদিকে চলে যায়, জনগণের লাভ কী হবে।