নিজস্ব প্রতিবেদক
দিনাজপুরের হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (হাবিপ্রবি) শিক্ষার্থীর ওপর হামলা চালিয়েছে কর্মচারী। গুরুতর আহত ওই শিক্ষার্থীকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এ ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণীর কর্মচারী জুয়েল ইসলামকে আটক করেছে পুলিশ।
বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, শনিবার রাত সাড়ে আটাটার দিকে কৃষি অনুষদের শিক্ষার্থী নাফিস মোর্শেদ চৌধুরী তার দুই সহপাঠীকে নিয়ে বাঁশেরহাট বাজার সংলগ্ন বিসিএস গলিতে হাঁটছিলেন। এ সময় মো. সজিব (২৬) ও মো. জুয়েল ইসলামের (৩৫) নেতৃত্বে স্থানীয় একদল যুবক তাদের পথরোধ করে এবং অশালীন মন্তব্য শুরু করে। বখাটেদের গালিগালাজ ও অশালীন আচরণের প্রতিবাদ করলে তারা উত্তেজিত হয়ে ওঠে।
একপর্যায়ে জুয়েলের নির্দেশে সজিব বাঁশ দিয়ে হত্যার উদ্দেশ্যে নাফিসের কপালে প্রচণ্ড আঘাত করে। এতে তার কপাল গভীরভাবে কেটে যায় এবং প্রচুর রক্তক্ষরণ হয়। পরে সহপাঠীরা তাকে উদ্ধার করে দিনাজপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন।
পরে শিক্ষার্থীরা রাত একটায় দিনাজপুর-রংপুর মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন এবং অভিযুক্তদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি জানান। শিক্ষার্থীর ওপর হামলার ঘটনায় হাবিপ্রবি প্রক্টর অধ্যাপক ড. মো. নওশের ওয়ান বাদী হয়ে দিনাজপুর কোতোয়ালি থানায় হত্যাচেষ্টা মামলা করেন।
এ বিষয়ে প্রক্টর অধ্যাপক ড. মোঃ নওশের ওয়ান জানান, এই হামলার ঘটনায় আমরা দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে চাই, যাতে ভবিষ্যতে শিক্ষার্থীদের ওপর এমন হামলার ঘটনা না ঘটে।
দিনাজপুর কোতোয়ালি থানার ওসি মোহাম্মদ নূরননবী জানান, শিক্ষার্থীর ওপর হামলার ঘটনায় মামলা হয়েছে। এক আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বাকিদের ধরতে অভিযান চলছে।
বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, শনিবার রাত সাড়ে আটাটার দিকে কৃষি অনুষদের শিক্ষার্থী নাফিস মোর্শেদ চৌধুরী তার দুই সহপাঠীকে নিয়ে বাঁশেরহাট বাজার সংলগ্ন বিসিএস গলিতে হাঁটছিলেন। এ সময় মো. সজিব (২৬) ও মো. জুয়েল ইসলামের (৩৫) নেতৃত্বে স্থানীয় একদল যুবক তাদের পথরোধ করে এবং অশালীন মন্তব্য শুরু করে। বখাটেদের গালিগালাজ ও অশালীন আচরণের প্রতিবাদ করলে তারা উত্তেজিত হয়ে ওঠে।
একপর্যায়ে জুয়েলের নির্দেশে সজিব বাঁশ দিয়ে হত্যার উদ্দেশ্যে নাফিসের কপালে প্রচণ্ড আঘাত করে। এতে তার কপাল গভীরভাবে কেটে যায় এবং প্রচুর রক্তক্ষরণ হয়। পরে সহপাঠীরা তাকে উদ্ধার করে দিনাজপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন।
পরে শিক্ষার্থীরা রাত একটায় দিনাজপুর-রংপুর মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন এবং অভিযুক্তদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি জানান। শিক্ষার্থীর ওপর হামলার ঘটনায় হাবিপ্রবি প্রক্টর অধ্যাপক ড. মো. নওশের ওয়ান বাদী হয়ে দিনাজপুর কোতোয়ালি থানায় হত্যাচেষ্টা মামলা করেন।
এ বিষয়ে প্রক্টর অধ্যাপক ড. মোঃ নওশের ওয়ান জানান, এই হামলার ঘটনায় আমরা দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে চাই, যাতে ভবিষ্যতে শিক্ষার্থীদের ওপর এমন হামলার ঘটনা না ঘটে।
দিনাজপুর কোতোয়ালি থানার ওসি মোহাম্মদ নূরননবী জানান, শিক্ষার্থীর ওপর হামলার ঘটনায় মামলা হয়েছে। এক আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বাকিদের ধরতে অভিযান চলছে।