নিজস্ব প্রতিবেদক
ভোলার দৌলতখানে বিবদমান একটি দোকানঘর দখলে নিতে প্রতিপক্ষের সঙ্গে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। ঘণ্টাব্যাপী এ রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে উভয় পক্ষের কমপক্ষে অন্তত ১২ জন আহত হয়েছে বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন।
সংঘর্ষের এ ঘটনায় এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। আহতদের মধ্যে ৮ জনকে ভোলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। গুরুতর আহত ফরিদকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশালে নেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।
শুক্রবার জুমার নামাজের পূর্বে উপজেলার চরখলিফা ইউনিয়নের মিয়ার হাটে সংঘর্ষের এ ঘটনা ঘটে। প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয়রা জানায়, চরখলিফা ইউনিয়নের ৪ নং ওয়ার্ডের দাইমুদ্দিন বেপারী বাড়ির শাখাওয়াত হোসেন দীর্ঘ কয়েক যুগ ধরে মিয়ার হাটে ওই দোকান ঘরে হোটেল রেস্টুরেন্টের ব্যবসা চালিয়ে আসছেন।
অন্যদিকে একই বাড়ির ফরিদ গংরা ওই ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানটি তাদের মালিকানা দাবি করে আসছে। মালিকানা দাবির সূত্র ধরে উভয় পক্ষ বাজারের শতশত লোকজনের উপস্থিতিতে প্রকাশ্য দিবালোকে দা লাঠি সোটা নিয়ে হামলায় জড়িয়ে পড়ে।
জানা যায়, দোকানের মালিকানা নিয়ে এর আগে মীমাংসার জন্য স্থানীয়ভাবে কয়েক দফা শালিস বৈঠক হলেও কোনো সুরহা হয়নি। সাখাওয়াত হোসেন জানান, শুক্রবার সকালে সে ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে সংস্কারের কাজ করছিলেন। এসময় ফরিদ গংরা দলবল নিয়ে সংস্কার কাজে বাধা দিলে উভয় পক্ষের মধ্যে বাগবিতণ্ডা সৃষ্টি হয়।
একপর্যায়ে ফরিদ ও তার চাচাতো ভাই মাকসুদ ধারালো অস্ত্র ও লাঠিসোঁটা নিয়ে শাখাওয়াতের ওপর হামলা করে। এতে শাখাওয়াত হোসেনসহ ৬ জন আহত হন। আহতরা হলেন, শাখাওয়াত (৪০), রাজিব (২৭), নাজিম (৩২), শহিদুল (২৬) । আহতদের ভোলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
ভোলা সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন শাখাওয়াত হোসেন আরও জানান, পৈত্রিক সূত্রে পাওয়া জমিতে ঘর তুলে দীর্ঘদিন ধরে হোটেল ব্যবসা চালিয়ে আসছেন তিনি।
এদিকে প্রতিপক্ষ নুরুল ইসলাম বলেন, শাখাওয়াত হোসেন ফরিদের কাছ থেকে দোকান ঘর ভাড়া নিয়ে হোটেল ব্যবসা করছেন। বর্তমানে সে ওই দোকান ঘর নিজের বলে দাবি করায় আদালতে মামলা চলমান আছে । হামলায় ফরিদ গংদের ৬ জন আহত হয়।
দৌলতখান থানা অফিসার ইনচার্জ (তদন্ত) বিপুল চন্দ্র দাস আমার দেশকে বলেন, এ ব্যাপারে থানায় মামলা হয়নি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সংঘর্ষের এ ঘটনায় এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। আহতদের মধ্যে ৮ জনকে ভোলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। গুরুতর আহত ফরিদকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশালে নেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।
শুক্রবার জুমার নামাজের পূর্বে উপজেলার চরখলিফা ইউনিয়নের মিয়ার হাটে সংঘর্ষের এ ঘটনা ঘটে। প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয়রা জানায়, চরখলিফা ইউনিয়নের ৪ নং ওয়ার্ডের দাইমুদ্দিন বেপারী বাড়ির শাখাওয়াত হোসেন দীর্ঘ কয়েক যুগ ধরে মিয়ার হাটে ওই দোকান ঘরে হোটেল রেস্টুরেন্টের ব্যবসা চালিয়ে আসছেন।
অন্যদিকে একই বাড়ির ফরিদ গংরা ওই ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানটি তাদের মালিকানা দাবি করে আসছে। মালিকানা দাবির সূত্র ধরে উভয় পক্ষ বাজারের শতশত লোকজনের উপস্থিতিতে প্রকাশ্য দিবালোকে দা লাঠি সোটা নিয়ে হামলায় জড়িয়ে পড়ে।
জানা যায়, দোকানের মালিকানা নিয়ে এর আগে মীমাংসার জন্য স্থানীয়ভাবে কয়েক দফা শালিস বৈঠক হলেও কোনো সুরহা হয়নি। সাখাওয়াত হোসেন জানান, শুক্রবার সকালে সে ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে সংস্কারের কাজ করছিলেন। এসময় ফরিদ গংরা দলবল নিয়ে সংস্কার কাজে বাধা দিলে উভয় পক্ষের মধ্যে বাগবিতণ্ডা সৃষ্টি হয়।
একপর্যায়ে ফরিদ ও তার চাচাতো ভাই মাকসুদ ধারালো অস্ত্র ও লাঠিসোঁটা নিয়ে শাখাওয়াতের ওপর হামলা করে। এতে শাখাওয়াত হোসেনসহ ৬ জন আহত হন। আহতরা হলেন, শাখাওয়াত (৪০), রাজিব (২৭), নাজিম (৩২), শহিদুল (২৬) । আহতদের ভোলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
ভোলা সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন শাখাওয়াত হোসেন আরও জানান, পৈত্রিক সূত্রে পাওয়া জমিতে ঘর তুলে দীর্ঘদিন ধরে হোটেল ব্যবসা চালিয়ে আসছেন তিনি।
এদিকে প্রতিপক্ষ নুরুল ইসলাম বলেন, শাখাওয়াত হোসেন ফরিদের কাছ থেকে দোকান ঘর ভাড়া নিয়ে হোটেল ব্যবসা করছেন। বর্তমানে সে ওই দোকান ঘর নিজের বলে দাবি করায় আদালতে মামলা চলমান আছে । হামলায় ফরিদ গংদের ৬ জন আহত হয়।
দৌলতখান থানা অফিসার ইনচার্জ (তদন্ত) বিপুল চন্দ্র দাস আমার দেশকে বলেন, এ ব্যাপারে থানায় মামলা হয়নি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।