নিজস্ব প্রতিবেদক
সংসদে আলোচনার এক পর্যায়ে হাসনাত আবদুল্লাহকে উদ্দেশ্য করে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেছেন, এত অসহিষ্ণু হলে চলবে না মিস্টার আবদুল্লাহ। দিস ইজ নট শাহবাগ স্কয়ার, দিস ইজ দি পার্লামেন্ট। এখানে ধৈর্য ধরে অপেক্ষা করতে হবে, শুনতে হবে।
শুক্রবার (১০ এপ্রিল) জাতীয় সংসদের অধিবেশনে এ ঘটনা ঘটে।
এ সময় স্পিকার আরো বলেন, মৌখিক কথাবার্তার স্কোপ (সুযোগ) খুবই কম। নোটিশ দিবেন উইল অ্যাডুডিকেট অন দ্য নোটিসেস (নোটিশগুলোর বিষয়ে বিচার করা হবে)। এখন প্রশ্ন হলো মাননীয় আইনমন্ত্রী যে কথাটি বলেছেন, এটি পুনর্বিবেচনা করা যেতে পারে। আপনারা দরকার হলে নিজেদের মধ্যে আলাপ-আলোচনা করে পরবর্তী অধিবেশনে একটি সংশোধনী বিল আনেন। সেটি নিশ্চয়ই সরকারি দল বিবেচনা করবে।
তিনি আরো বলেন, আরেকটি কথা হলো যে, সংসদের পরিবেশটা আমরা একটু ভালো রাখি। এত বড় একটা জুলাই অভ্যুত্থানের পর এই সংসদ গৃহীত হয়েছে। এমন একটা ফেয়ার ইলেকশনের মাধ্যমে আমরা সবাই এখানে এসেছি। এত বড় বিরোধী দল খুব কমই এসেছে। ৭৭, ৭৮ জন বিরাট ব্যাপার একটা সংসদে। সুতরাং আমরা এই স্পিরিট অফ কোঅপারেশন নিয়ে সামনে এগোতে চাই। আপনাদের আপত্তি অলরেডি বিবেচনা করবেন বলে আইনমন্ত্রী বলেছেন। এ ব্যাপারে প্রয়োজন হলে আবারও বিলের সংশোধনী আনা যাবে।
শুক্রবার (১০ এপ্রিল) জাতীয় সংসদের অধিবেশনে এ ঘটনা ঘটে।
এ সময় স্পিকার আরো বলেন, মৌখিক কথাবার্তার স্কোপ (সুযোগ) খুবই কম। নোটিশ দিবেন উইল অ্যাডুডিকেট অন দ্য নোটিসেস (নোটিশগুলোর বিষয়ে বিচার করা হবে)। এখন প্রশ্ন হলো মাননীয় আইনমন্ত্রী যে কথাটি বলেছেন, এটি পুনর্বিবেচনা করা যেতে পারে। আপনারা দরকার হলে নিজেদের মধ্যে আলাপ-আলোচনা করে পরবর্তী অধিবেশনে একটি সংশোধনী বিল আনেন। সেটি নিশ্চয়ই সরকারি দল বিবেচনা করবে।
তিনি আরো বলেন, আরেকটি কথা হলো যে, সংসদের পরিবেশটা আমরা একটু ভালো রাখি। এত বড় একটা জুলাই অভ্যুত্থানের পর এই সংসদ গৃহীত হয়েছে। এমন একটা ফেয়ার ইলেকশনের মাধ্যমে আমরা সবাই এখানে এসেছি। এত বড় বিরোধী দল খুব কমই এসেছে। ৭৭, ৭৮ জন বিরাট ব্যাপার একটা সংসদে। সুতরাং আমরা এই স্পিরিট অফ কোঅপারেশন নিয়ে সামনে এগোতে চাই। আপনাদের আপত্তি অলরেডি বিবেচনা করবেন বলে আইনমন্ত্রী বলেছেন। এ ব্যাপারে প্রয়োজন হলে আবারও বিলের সংশোধনী আনা যাবে।