নিজস্ব প্রতিবেদক
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে (ববি) ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষায় অসদুপায় অবলম্বনের অভিযোগে বহিষ্কারের পর এক পরীক্ষার্থী বিশ্ববিদ্যালয়ের চারজন স্টাফকে মারধর করে আহত করেছে। পরে ওই পরীক্ষার্থীকে পুলিশে সোপর্দ করা হয়েছে।
শুক্রবার দুপুর ১২টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে এ ঘটনা ঘটে। বহিষ্কৃত পরীক্ষার্থীর নাম আহনাফ আহমেদ (রোল: ১৯৯৮৬০)।
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, পরীক্ষা চলাকালে মোবাইল ফোন ব্যবহার করার অভিযোগে আহনাফ আহমেদকে বহিষ্কার করা হয়। বহিষ্কারের পর তাকে কন্ট্রোল রুমে নেওয়ার সময় তিনি উপস্থিত স্টাফদের ওপর হামলা চালান এবং পালানোর চেষ্টা করেন।
এ ঘটনায় আহত হয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপত্তা শাখার কর্মী মো. মনিরুজ্জামান, রাসেল হোসেন ও উজ্জ্বলসহ চারজন। আহতদের মধ্যে তিনজনকে বরিশাল শেরে ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
আহত নিরাপত্তাকর্মী মো. মনিরুজ্জামান জানান, বহিষ্কারের পর পরীক্ষার্থী হঠাৎ উত্তেজিত হয়ে স্টাফ ও অন্যান্যদের ওপর হামলা চালায়। তাকে আটকাতে গেলে তিনি গুরুতরভাবে আহত হন।
বরিশাল বন্দর থানার পুলিশ পরিদর্শক মো. শাহাব উদ্দিন বলেন, “মোবাইল ফোন নিয়ে পরীক্ষায় অংশ নেওয়ায় এক পরীক্ষার্থীকে বহিষ্কার করা হয়। পরে সে বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েকজন স্টাফকে মারধর করে। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ তাকে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেছে। এ ঘটনায় আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
পরীক্ষা কেন্দ্রের প্রধান ফোকাল পয়েন্ট সহযোগী অধ্যাপক ড. হাফিজ আশরাফুল হক বলেন, নিয়ম ভঙ্গের কারণে পরীক্ষার্থীকে বহিষ্কার করা হয়। পরবর্তীতে সে চারজন স্টাফকে আহত করে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ড. রাহাত হোসাইন ফয়সাল জানান, পরীক্ষায় অসদুপায় অবলম্বনের কারণে বহিষ্কারের পর নিরাপত্তাকর্মীদের ওপর হামলা চালানো হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনে সংশ্লিষ্ট পরীক্ষার্থীকে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
শুক্রবার দুপুর ১২টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে এ ঘটনা ঘটে। বহিষ্কৃত পরীক্ষার্থীর নাম আহনাফ আহমেদ (রোল: ১৯৯৮৬০)।
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, পরীক্ষা চলাকালে মোবাইল ফোন ব্যবহার করার অভিযোগে আহনাফ আহমেদকে বহিষ্কার করা হয়। বহিষ্কারের পর তাকে কন্ট্রোল রুমে নেওয়ার সময় তিনি উপস্থিত স্টাফদের ওপর হামলা চালান এবং পালানোর চেষ্টা করেন।
এ ঘটনায় আহত হয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপত্তা শাখার কর্মী মো. মনিরুজ্জামান, রাসেল হোসেন ও উজ্জ্বলসহ চারজন। আহতদের মধ্যে তিনজনকে বরিশাল শেরে ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
আহত নিরাপত্তাকর্মী মো. মনিরুজ্জামান জানান, বহিষ্কারের পর পরীক্ষার্থী হঠাৎ উত্তেজিত হয়ে স্টাফ ও অন্যান্যদের ওপর হামলা চালায়। তাকে আটকাতে গেলে তিনি গুরুতরভাবে আহত হন।
বরিশাল বন্দর থানার পুলিশ পরিদর্শক মো. শাহাব উদ্দিন বলেন, “মোবাইল ফোন নিয়ে পরীক্ষায় অংশ নেওয়ায় এক পরীক্ষার্থীকে বহিষ্কার করা হয়। পরে সে বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েকজন স্টাফকে মারধর করে। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ তাকে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেছে। এ ঘটনায় আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
পরীক্ষা কেন্দ্রের প্রধান ফোকাল পয়েন্ট সহযোগী অধ্যাপক ড. হাফিজ আশরাফুল হক বলেন, নিয়ম ভঙ্গের কারণে পরীক্ষার্থীকে বহিষ্কার করা হয়। পরবর্তীতে সে চারজন স্টাফকে আহত করে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ড. রাহাত হোসাইন ফয়সাল জানান, পরীক্ষায় অসদুপায় অবলম্বনের কারণে বহিষ্কারের পর নিরাপত্তাকর্মীদের ওপর হামলা চালানো হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনে সংশ্লিষ্ট পরীক্ষার্থীকে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।