নিজস্ব প্রতিবেদক
ঢাকার কেরাণীগঞ্জে মাদকসেবনে বাধা দেওয়ায় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি)- গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের এক সহযোগী অধ্যাপক ও তার পিতার ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে। এ সময় উত্তেজিত জনতা হামলাকারী এহসানুর হক মাহিমকে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করে।
ঘটনার পর থানায় মামলা করতে গেলে তা গ্রহণ না করে একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয় বলে অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করেছে শিক্ষার্থীরা।
গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষার্থী রাকিব মাজহার বলেন, ঘটনার মূল অভিযোগ আমলে না নিয়ে সাধারণ ডায়েরি করা হয়েছে। এতে অপরাধীর বেরিয়ে যাওয়ার সুযোগ রাখা হয়েছে।
শুক্রবার (১০ এপ্রিল) অভিযুক্ত মাহিমকে চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে নেওয়া হয়েছে। বিকেলে এ ঘটনায় শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে।
শিক্ষার্থীদের অভিযোগ অনুযায়ী, অভিযুক্ত এহসানুর হক মাহিম (২২) দীর্ঘদিন ধরে ভুক্তভোগীদের বাড়ির গলিতে আড্ডাবাজি ও মাদক সেবন করে আসছিল। এ বিষয়ে প্রতিবাদ করলে ভুক্তভোগী শিক্ষকের পিতা মো. নজরুল ইসলাম (৬৭)-কে বিভিন্ন সময় ভয়ভীতি ও প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়।
ঘটনার দিন বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) সন্ধ্যা আনুমানিক ৭টা ৪৫ মিনিটে বাড়ির সামনে আড্ডারত অবস্থায় আবারও নিষেধ করলে ক্ষিপ্ত হয়ে মাহিম প্রথমে শিক্ষকের পিতাকে মারধর করে। একপর্যায়ে তাকে মাটিতে ফেলে এলোপাতাড়ি কিল-ঘুষি ও লাথি মেরে বাম চোখের নিচে রক্তাক্ত জখম করে।
পরে সংবাদ পেয়ে ভুক্তভোগী শিক্ষক ঘটনাস্থলে গেলে তাকেও মারধর করা হয়। অভিযোগে বলা হয়, তাকে মাটিতে ফেলে কিল-ঘুষি ও লাঠি দিয়ে আঘাত করা হয়, এতে তার মুখের বাম পাশে নীলাফোলা জখম হয়। এ সময় তার ব্যবহৃত চশমা খুলে ফেলে দেওয়া হয়।
সাধারণ ডায়েরিতে উল্লেখ করা হয়েছে, অভিযুক্ত উভয়কে খুন-জখমসহ প্রাণনাশের হুমকি দেয়।
এদিকে শিক্ষক ও তার পিতার ওপর হামলার ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগ-এর শিক্ষার্থীরা। তারা শুক্রবার আদালত প্রাঙ্গণে অবস্থান নেন।
ভুক্তভোগী শিক্ষক রাইসুল ইসলাম জানিয়েছেন, এ ঘটনায় তিনি মামলা দায়ের করবেন।
ঢাকা জেলা পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান আমার দেশকে বলেন, ঘটনার পরদিন পুলিশ অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠিয়েছে। “আমরা ঘটনাটির গুরুত্ব দিয়ে একটি মামলা নেওয়ার প্রক্রিয়া চালাচ্ছি,” যোগ করেন তিনি।
ঘটনার পর থানায় মামলা করতে গেলে তা গ্রহণ না করে একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয় বলে অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করেছে শিক্ষার্থীরা।
গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষার্থী রাকিব মাজহার বলেন, ঘটনার মূল অভিযোগ আমলে না নিয়ে সাধারণ ডায়েরি করা হয়েছে। এতে অপরাধীর বেরিয়ে যাওয়ার সুযোগ রাখা হয়েছে।
শুক্রবার (১০ এপ্রিল) অভিযুক্ত মাহিমকে চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে নেওয়া হয়েছে। বিকেলে এ ঘটনায় শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে।
শিক্ষার্থীদের অভিযোগ অনুযায়ী, অভিযুক্ত এহসানুর হক মাহিম (২২) দীর্ঘদিন ধরে ভুক্তভোগীদের বাড়ির গলিতে আড্ডাবাজি ও মাদক সেবন করে আসছিল। এ বিষয়ে প্রতিবাদ করলে ভুক্তভোগী শিক্ষকের পিতা মো. নজরুল ইসলাম (৬৭)-কে বিভিন্ন সময় ভয়ভীতি ও প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়।
ঘটনার দিন বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) সন্ধ্যা আনুমানিক ৭টা ৪৫ মিনিটে বাড়ির সামনে আড্ডারত অবস্থায় আবারও নিষেধ করলে ক্ষিপ্ত হয়ে মাহিম প্রথমে শিক্ষকের পিতাকে মারধর করে। একপর্যায়ে তাকে মাটিতে ফেলে এলোপাতাড়ি কিল-ঘুষি ও লাথি মেরে বাম চোখের নিচে রক্তাক্ত জখম করে।
পরে সংবাদ পেয়ে ভুক্তভোগী শিক্ষক ঘটনাস্থলে গেলে তাকেও মারধর করা হয়। অভিযোগে বলা হয়, তাকে মাটিতে ফেলে কিল-ঘুষি ও লাঠি দিয়ে আঘাত করা হয়, এতে তার মুখের বাম পাশে নীলাফোলা জখম হয়। এ সময় তার ব্যবহৃত চশমা খুলে ফেলে দেওয়া হয়।
সাধারণ ডায়েরিতে উল্লেখ করা হয়েছে, অভিযুক্ত উভয়কে খুন-জখমসহ প্রাণনাশের হুমকি দেয়।
এদিকে শিক্ষক ও তার পিতার ওপর হামলার ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগ-এর শিক্ষার্থীরা। তারা শুক্রবার আদালত প্রাঙ্গণে অবস্থান নেন।
ভুক্তভোগী শিক্ষক রাইসুল ইসলাম জানিয়েছেন, এ ঘটনায় তিনি মামলা দায়ের করবেন।
ঢাকা জেলা পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান আমার দেশকে বলেন, ঘটনার পরদিন পুলিশ অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠিয়েছে। “আমরা ঘটনাটির গুরুত্ব দিয়ে একটি মামলা নেওয়ার প্রক্রিয়া চালাচ্ছি,” যোগ করেন তিনি।