নিজস্ব প্রতিবেদক
মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে বড় ধরনের বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি এবং খাদ্য নিরাপত্তাহীনতা আরও বাড়ার ঝুঁকি তৈরি করছে। বিশেষ করে নিম্নআয়ের ও আমদানিনির্ভর দেশগুলোতে এ সংকট আরও তীব্র। গত বুধবার সতর্কতামূলক এক যৌথ বিবৃতিতে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ), বিশ্বব্যাংক গ্রুপ (ডব্লিউবিজি) ও বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি (ডব্লিউএফপি) এ কথা জানিয়েছে।
বিবৃতিতে প্রতিষ্ঠানগুলো বলেছে, এ সংঘাত অঞ্চলটির এবং এর বাইরের মানুষের জীবন ও জীবিকাকে বিপর্যস্ত করে দিচ্ছে। ইতোমধ্যে এটি আধুনিক ইতিহাসের অন্যতম বড় জ্বালানি বিপর্যয় তৈরি করেছে। সেই সঙ্গে তেল, গ্যাস ও সারের দাম অস্বাভাবিক বৃদ্ধি এবং পরিবহন ব্যবস্থার স্থবিরতা অনিবার্যভাবে খাদ্যের নিরাপত্তাহীনতা ও মূল্য বাড়াবে।
বিবৃতিতে সতর্ক করে বলা হয়েছে, সবচেয়ে বড় বোঝাটি বিশ্বের সবচেয়ে দুর্বল জনগোষ্ঠীর ওপর পড়বে, বিশেষ করে আমদানির ওপর ব্যাপকভাবে নির্ভরশীল এবং পরিস্থিতি মোকাবিলার জন্য পর্যাপ্ত বাজেট নেই, এমন সব দেশের অর্থনীতির ওপর। জ্বালানির ক্রমবর্ধমান মূল্যবৃদ্ধি ও খাদ্যদ্রব্যের দাম আকাশচুম্বী হওয়ার ঝুঁকি সেসব দেশের জন্য বিশেষভাবে উদ্বেগজনক, যারা ইতোমধ্যে ঋণের চাপে জর্জরিত। কারণ, এ পরিস্থিতি দুর্বল পরিবারগুলোকে সুরক্ষা দেওয়ার ক্ষেত্রে সরকারের সক্ষমতা কমিয়ে দেয়।
প্রতিষ্ঠানগুলো জানিয়েছে, তারা পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করতে থাকবে এবং সংকটে ক্ষতিগ্রস্ত দেশ ও সম্প্রদায়গুলোকে সহায়তার জন্য প্রয়োজনীয় সব উপায় সমন্বয় করে ব্যবহার করবে। নিজ নিজ কার্যপরিধি ও বিদ্যমান প্রতিক্রিয়া ব্যবস্থার সঙ্গে সংগতি রেখে তারা মানুষের জীবন ও জীবিকা রক্ষার জন্যও কাজ করবে। একই সঙ্গে একটি টেকসই পুনরুদ্ধারের ভিত্তি স্থাপনে সহায়তা করবে, যা স্থিতিশীলতা, প্রবৃদ্ধি ও কর্মসংস্থানকে সমর্থন করবে।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল ইরানের বিরুদ্ধে আক্রমণ শুরু করার পর থেকে আঞ্চলিক উত্তেজনা তীব্র আকার ধারণ করে। ইরান এর প্রতিশোধ হিসেবে ইসরাইল, জর্ডান, ইরাকসহ মার্কিন সামরিক ঘাঁটি থাকা পারস্য উপসাগরীয় দেশগুলোতে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায়। এছাড়া বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ জলপথ হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল সীমিত করে দেয়। গত মঙ্গলবার উভয়পক্ষ দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হওয়ায় বিশ্বব্যাপী কিছুটা হলেও স্বস্তি বিরাজ করছে।
বিবৃতিতে প্রতিষ্ঠানগুলো বলেছে, এ সংঘাত অঞ্চলটির এবং এর বাইরের মানুষের জীবন ও জীবিকাকে বিপর্যস্ত করে দিচ্ছে। ইতোমধ্যে এটি আধুনিক ইতিহাসের অন্যতম বড় জ্বালানি বিপর্যয় তৈরি করেছে। সেই সঙ্গে তেল, গ্যাস ও সারের দাম অস্বাভাবিক বৃদ্ধি এবং পরিবহন ব্যবস্থার স্থবিরতা অনিবার্যভাবে খাদ্যের নিরাপত্তাহীনতা ও মূল্য বাড়াবে।
বিবৃতিতে সতর্ক করে বলা হয়েছে, সবচেয়ে বড় বোঝাটি বিশ্বের সবচেয়ে দুর্বল জনগোষ্ঠীর ওপর পড়বে, বিশেষ করে আমদানির ওপর ব্যাপকভাবে নির্ভরশীল এবং পরিস্থিতি মোকাবিলার জন্য পর্যাপ্ত বাজেট নেই, এমন সব দেশের অর্থনীতির ওপর। জ্বালানির ক্রমবর্ধমান মূল্যবৃদ্ধি ও খাদ্যদ্রব্যের দাম আকাশচুম্বী হওয়ার ঝুঁকি সেসব দেশের জন্য বিশেষভাবে উদ্বেগজনক, যারা ইতোমধ্যে ঋণের চাপে জর্জরিত। কারণ, এ পরিস্থিতি দুর্বল পরিবারগুলোকে সুরক্ষা দেওয়ার ক্ষেত্রে সরকারের সক্ষমতা কমিয়ে দেয়।
প্রতিষ্ঠানগুলো জানিয়েছে, তারা পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করতে থাকবে এবং সংকটে ক্ষতিগ্রস্ত দেশ ও সম্প্রদায়গুলোকে সহায়তার জন্য প্রয়োজনীয় সব উপায় সমন্বয় করে ব্যবহার করবে। নিজ নিজ কার্যপরিধি ও বিদ্যমান প্রতিক্রিয়া ব্যবস্থার সঙ্গে সংগতি রেখে তারা মানুষের জীবন ও জীবিকা রক্ষার জন্যও কাজ করবে। একই সঙ্গে একটি টেকসই পুনরুদ্ধারের ভিত্তি স্থাপনে সহায়তা করবে, যা স্থিতিশীলতা, প্রবৃদ্ধি ও কর্মসংস্থানকে সমর্থন করবে।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল ইরানের বিরুদ্ধে আক্রমণ শুরু করার পর থেকে আঞ্চলিক উত্তেজনা তীব্র আকার ধারণ করে। ইরান এর প্রতিশোধ হিসেবে ইসরাইল, জর্ডান, ইরাকসহ মার্কিন সামরিক ঘাঁটি থাকা পারস্য উপসাগরীয় দেশগুলোতে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায়। এছাড়া বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ জলপথ হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল সীমিত করে দেয়। গত মঙ্গলবার উভয়পক্ষ দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হওয়ায় বিশ্বব্যাপী কিছুটা হলেও স্বস্তি বিরাজ করছে।