নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও তার ‘মেইক আমেরিকা মেক এগেইন’ আন্দোলনকে ঘিরে গড়ে ওঠা পণ্য বিক্রির একটি দোকান সাময়িকভাবে বন্ধ হয়ে গেছে। দোকানে ক্রেতা সমাগম কমে যাওয়ায় এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে দোকানের মালিক। এজন্য ইরান যুদ্ধকে দায়ী করেছেন।
ইলিনয়ের শিকাগোর উপশহর ক্রিস্টাল লেকে অবস্থিত ‘ট্রাম্প ট্রুথ স্টোর + হ্যাংআউট’-এর মালিক লিসা ফ্লেইশম্যান ফেসবুকে একটি সংক্ষিপ্ত বার্তায় দোকান বন্ধের ঘোষণা দেন। সেখানে তিনি লেখেন, ‘দুঃখিত, ট্রাম্প ট্রুথ স্টোর পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত বন্ধ থাকবে’।
তিনি দ্য শিকাগো ট্রিবিউনকে জানান, ২৮ ফেব্রুয়ারি প্রেসিডেন্ট ইরানের ওপর ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ শুরু করার পর থেকে তার রাজনৈতিক টি-শার্ট ও স্মারক সামগ্রীর বিক্রি একেবারে তলানিতে এসে ঠেকেছে। এই হামলায় লাল টুপি, পতাকা এবং ‘গড, গানস, অ্যান্ড ট্রাম্প’ লেখা শার্টের প্রতি জনগণের আগ্রহ পুরোপুরি কমে গেছে।
তিনি বলেন, ‘বিক্রি খুবই ধীর ছিল। যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকেই সবকিছু থমকে গেছে। তখনই ব্যবসা একেবারে বন্ধের মতো হয়ে যায়’। তিনি আরো বলেন, ‘আমার মনে হয় ক্রেতারা এখন কী হচ্ছে, তা নিয়ে অনিশ্চিত। সবাই না হলেও বেশিরভাগ মানুষই বিভ্রান্ত। আর যদি তারা এসব পোশাক পরে, তারা মনে করে কেউ হয়তো এসে প্রশ্ন করবে।’
ফ্লেইশম্যান কয়েকদিন ধরেই ফেসবুকে দোকান বন্ধের ইঙ্গিত দিচ্ছিলেন। তিনি বলেছিলেন, তার শারীরিক অবস্থা ভালো নেই এবং দোকানটি অনলাইনভিত্তিক করার কথা ভাবছেন। এরপর শেষ পর্যন্ত আপাতত দোকান বন্ধ করে দেন। তিনি লিখেছেন, ‘আমি ভাড়ার অর্ধেকও তুলতে পারছি না। আমি কখনো অর্থের জন্য এটি করিনি, কিন্তু সব খরচ চালিয়ে আর কতদিন টিকে থাকতে পারব জানি না।
ইলিনয়ের শিকাগোর উপশহর ক্রিস্টাল লেকে অবস্থিত ‘ট্রাম্প ট্রুথ স্টোর + হ্যাংআউট’-এর মালিক লিসা ফ্লেইশম্যান ফেসবুকে একটি সংক্ষিপ্ত বার্তায় দোকান বন্ধের ঘোষণা দেন। সেখানে তিনি লেখেন, ‘দুঃখিত, ট্রাম্প ট্রুথ স্টোর পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত বন্ধ থাকবে’।
তিনি দ্য শিকাগো ট্রিবিউনকে জানান, ২৮ ফেব্রুয়ারি প্রেসিডেন্ট ইরানের ওপর ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ শুরু করার পর থেকে তার রাজনৈতিক টি-শার্ট ও স্মারক সামগ্রীর বিক্রি একেবারে তলানিতে এসে ঠেকেছে। এই হামলায় লাল টুপি, পতাকা এবং ‘গড, গানস, অ্যান্ড ট্রাম্প’ লেখা শার্টের প্রতি জনগণের আগ্রহ পুরোপুরি কমে গেছে।
তিনি বলেন, ‘বিক্রি খুবই ধীর ছিল। যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকেই সবকিছু থমকে গেছে। তখনই ব্যবসা একেবারে বন্ধের মতো হয়ে যায়’। তিনি আরো বলেন, ‘আমার মনে হয় ক্রেতারা এখন কী হচ্ছে, তা নিয়ে অনিশ্চিত। সবাই না হলেও বেশিরভাগ মানুষই বিভ্রান্ত। আর যদি তারা এসব পোশাক পরে, তারা মনে করে কেউ হয়তো এসে প্রশ্ন করবে।’
ফ্লেইশম্যান কয়েকদিন ধরেই ফেসবুকে দোকান বন্ধের ইঙ্গিত দিচ্ছিলেন। তিনি বলেছিলেন, তার শারীরিক অবস্থা ভালো নেই এবং দোকানটি অনলাইনভিত্তিক করার কথা ভাবছেন। এরপর শেষ পর্যন্ত আপাতত দোকান বন্ধ করে দেন। তিনি লিখেছেন, ‘আমি ভাড়ার অর্ধেকও তুলতে পারছি না। আমি কখনো অর্থের জন্য এটি করিনি, কিন্তু সব খরচ চালিয়ে আর কতদিন টিকে থাকতে পারব জানি না।