নিজস্ব প্রতিবেদক
সৌদি আরবের আল খারিজ শহরে ইরানের মিসাইল হামলায় নিহত বাংলাদেশী ময়মনসিংহের গফরগাঁওয়ের প্রবাসী আব্দুল্লাহ আল মামুনের লাশ ২১ দিন নিজ গ্রামের বাড়িতে এসে পৌছার পর বাদ আছর জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়েছে।
নিহত আব্দুল্লাহ আল মামুন গফরগাঁও উপজেলার রসুলপুর ইউনিয়নের ভরভরা গ্রামের শহীদ সওদাগরের ছেলে।
এর আগে সোমবার সকালে সৌদি এয়ারলাইন্সের একটি বিমানে করে লাশ ঢাকার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছায়।
আনুষ্ঠানিকতা শেষে দুপুর ১টার দিকে মামুনের লাশ ময়মনসিংহের গফরগাঁও উপজেলার রসুলপুর ইউনিয়নের ভরভরা গ্রামের বাড়িতে নিয়ে আসেন স্বজনরা।
গত ৮ মার্চ ইফতারের আগ মুহূর্তে সৌদি আরবের আল খারিজ শহরে আল তোয়াইক বলদিয়া কোম্পানির একটি শ্রমিক ক্যাম্পে ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় মামুন গুরুতর আহত হয়। আহত অবস্থায় হেলিকপ্টারে করে তাকে হাসপাতালে নিয়ে যায়। এরপর থেকে মামুন সৌদি আরবের আল খারিজ শহরের ডাক্তার সোলাইমান আল হাবিব হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিল। তার শরীরের প্রায় ৯০ শতাংশ পুড়ে যাওয়ায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
মরদেহ আসার খবরে সোমবার সকাল থেকে ভরভরা গ্রামে আবদুল্লাহ আল মামুনের বাড়িতে স্বজন ও প্রতিবেশীদের ভিড় দেখা যায়। আছরের নামাজের পর জানাজা শেসে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়।
পরিবারের সদস্যরা জানান, জীবিকার সন্ধানে আট বছর আগে সৌদি আরব যান আবদুল্লাহ আল মামুন। সর্বশেষ ৫ বছর আগে দেশে এসেছিলেন। আবদুল্লাহ আল মামুন এক ছেলেসন্তানের জনক।
নিহত আবদুল্লাহ আল মামুনের বাবা শহীদ সওদাগর বলেন, ছেলে দীর্ঘ দিন ধরে সৌদি আরবে থাকেন। ঈদের পর আসার কথা ছিল, আসলেন লাশ হয়ে।
নিহতের চাচা গুলজার সওদাগর বলেন, “ভাতিজা পরিবারের সচ্ছলতা ফেরাতে ১৫ বছর আগে সৌদি আরবে যান। ৫ বছর আগে দেশে এসেছিলেন। ঈদের পর আবার দেশে আসার কথা ছিল। দেশে এসে বাড়ি করার কথা ছিল। সরকারকে ধন্যবাদ জানাই লাশটি দ্রুত সময়ে নিয়ে আসার জন্য।
নিহত আব্দুল্লাহ আল মামুন গফরগাঁও উপজেলার রসুলপুর ইউনিয়নের ভরভরা গ্রামের শহীদ সওদাগরের ছেলে।
এর আগে সোমবার সকালে সৌদি এয়ারলাইন্সের একটি বিমানে করে লাশ ঢাকার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছায়।
আনুষ্ঠানিকতা শেষে দুপুর ১টার দিকে মামুনের লাশ ময়মনসিংহের গফরগাঁও উপজেলার রসুলপুর ইউনিয়নের ভরভরা গ্রামের বাড়িতে নিয়ে আসেন স্বজনরা।
গত ৮ মার্চ ইফতারের আগ মুহূর্তে সৌদি আরবের আল খারিজ শহরে আল তোয়াইক বলদিয়া কোম্পানির একটি শ্রমিক ক্যাম্পে ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় মামুন গুরুতর আহত হয়। আহত অবস্থায় হেলিকপ্টারে করে তাকে হাসপাতালে নিয়ে যায়। এরপর থেকে মামুন সৌদি আরবের আল খারিজ শহরের ডাক্তার সোলাইমান আল হাবিব হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিল। তার শরীরের প্রায় ৯০ শতাংশ পুড়ে যাওয়ায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
মরদেহ আসার খবরে সোমবার সকাল থেকে ভরভরা গ্রামে আবদুল্লাহ আল মামুনের বাড়িতে স্বজন ও প্রতিবেশীদের ভিড় দেখা যায়। আছরের নামাজের পর জানাজা শেসে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়।
পরিবারের সদস্যরা জানান, জীবিকার সন্ধানে আট বছর আগে সৌদি আরব যান আবদুল্লাহ আল মামুন। সর্বশেষ ৫ বছর আগে দেশে এসেছিলেন। আবদুল্লাহ আল মামুন এক ছেলেসন্তানের জনক।
নিহত আবদুল্লাহ আল মামুনের বাবা শহীদ সওদাগর বলেন, ছেলে দীর্ঘ দিন ধরে সৌদি আরবে থাকেন। ঈদের পর আসার কথা ছিল, আসলেন লাশ হয়ে।
নিহতের চাচা গুলজার সওদাগর বলেন, “ভাতিজা পরিবারের সচ্ছলতা ফেরাতে ১৫ বছর আগে সৌদি আরবে যান। ৫ বছর আগে দেশে এসেছিলেন। ঈদের পর আবার দেশে আসার কথা ছিল। দেশে এসে বাড়ি করার কথা ছিল। সরকারকে ধন্যবাদ জানাই লাশটি দ্রুত সময়ে নিয়ে আসার জন্য।