নিজস্ব প্রতিবেদক
শরীয়তপুর পৌরসভার চরপালং এলাকায় অরক্ষিত সেচ পাম্পে বোরখা পেঁচিয়ে রোজিনা বেগম (৩৫) নামের এক গৃহবধূর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। সোমবার (৬ এপ্রিল) সকালে কীর্তিনাশা নদীর পাড়সংলগ্ন এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। ঘটনাটি ঘিরে এলাকায় শোকের পাশাপাশি তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
স্থানীয় সূত্র ও পুলিশ জানায়, নিহত রোজিনা বেগম চরপালং এলাকার বাসিন্দা ইব্রাহিম সরদারের স্ত্রী। প্রতিদিনের মতো সোমবার সকালে তিনি বাড়ি থেকে স্থানীয় বাজারের উদ্দেশ্যে বের হন। পথে কীর্তিনাশা নদীর পাড়ে স্থাপিত একটি সেচ পাম্পের পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় হঠাৎ বাতাসে তার পরিহিত বোরখা পাম্পের ঘূর্ণায়মান যন্ত্রাংশে পেঁচিয়ে যায়। মুহূর্তের মধ্যেই তিনি যন্ত্রের ভেতরে আটকে পড়েন এবং ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বোরখা পেঁচিয়ে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে রোজিনা বেগমকে পাম্পের ভেতরে টেনে নেয়। তার শরীরের উপরের অংশ যন্ত্রে আটকে গিয়ে ঘটনাস্থলেই তিনি প্রাণ হারান। ঘটনাটি এতটাই ভয়াবহ ছিল যে আশপাশের লোকজন হতবিহ্বল হয়ে পড়ে।
খবর পেয়ে স্থানীয়রা ছুটে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করেন এবং পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসকে খবর দেন। পরে ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে লাশ উদ্ধার করে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে।
নিহতের মেয়ে লাবণী অভিযোগ করে বলেন, নদীর পাড়ের চলাচলের রাস্তায় কোনো নিরাপত্তা ছাড়াই মেশিন বসানো হয়েছে। কোনো বেড়া বা সতর্কতামূলক ব্যবস্থা ছিল না। আমার মা এই পথ দিয়ে যাওয়ার সময় মেশিনে পেঁচিয়ে মারা গেছেন। আমরা এ ঘটনার বিচার চাই।
স্থানীয় বাসিন্দা মোহাম্মদ আলী বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে বলছিলাম মেশিনের চারপাশে নিরাপত্তা বেড়া দিতে। কিন্তু মালিকপক্ষ তা করেনি। এই অবহেলার কারণেই আজ একটি প্রাণ চলে গেল।
জেলা ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন লিডার সেলিম মিয়া জানান, ঘটনাস্থলে পৌঁছে দেখা যায় নারীর দেহ মেশিনে পেঁচানো অবস্থায় রয়েছে। পরে পোশাক কেটে ধাপে ধাপে লাশ উদ্ধার করা হয়।
এ বিষয়ে পালং মডেল থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) আবীর হোসেন বলেন, সেচ পাম্পটি সম্পূর্ণ অরক্ষিত অবস্থায় ছিল। প্রাথমিকভাবে এটি অবহেলাজনিত দুর্ঘটনা বলে মনে হচ্ছে। মেশিনের মালিকসহ সংশ্লিষ্টদের দায় রয়েছে। ভুক্তভোগী পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এদিকে, এ ঘটনার পর স্থানীয়দের মধ্যে নিরাপত্তাহীন সেচ পাম্প অপসারণ বা সুরক্ষা ব্যবস্থা নিশ্চিত করার দাবি জোরালো হয়েছে। এলাকাবাসীর দাবি, ভবিষ্যতে এমন দুর্ঘটনা এড়াতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে।
স্থানীয় সূত্র ও পুলিশ জানায়, নিহত রোজিনা বেগম চরপালং এলাকার বাসিন্দা ইব্রাহিম সরদারের স্ত্রী। প্রতিদিনের মতো সোমবার সকালে তিনি বাড়ি থেকে স্থানীয় বাজারের উদ্দেশ্যে বের হন। পথে কীর্তিনাশা নদীর পাড়ে স্থাপিত একটি সেচ পাম্পের পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় হঠাৎ বাতাসে তার পরিহিত বোরখা পাম্পের ঘূর্ণায়মান যন্ত্রাংশে পেঁচিয়ে যায়। মুহূর্তের মধ্যেই তিনি যন্ত্রের ভেতরে আটকে পড়েন এবং ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বোরখা পেঁচিয়ে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে রোজিনা বেগমকে পাম্পের ভেতরে টেনে নেয়। তার শরীরের উপরের অংশ যন্ত্রে আটকে গিয়ে ঘটনাস্থলেই তিনি প্রাণ হারান। ঘটনাটি এতটাই ভয়াবহ ছিল যে আশপাশের লোকজন হতবিহ্বল হয়ে পড়ে।
খবর পেয়ে স্থানীয়রা ছুটে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করেন এবং পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসকে খবর দেন। পরে ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে লাশ উদ্ধার করে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে।
নিহতের মেয়ে লাবণী অভিযোগ করে বলেন, নদীর পাড়ের চলাচলের রাস্তায় কোনো নিরাপত্তা ছাড়াই মেশিন বসানো হয়েছে। কোনো বেড়া বা সতর্কতামূলক ব্যবস্থা ছিল না। আমার মা এই পথ দিয়ে যাওয়ার সময় মেশিনে পেঁচিয়ে মারা গেছেন। আমরা এ ঘটনার বিচার চাই।
স্থানীয় বাসিন্দা মোহাম্মদ আলী বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে বলছিলাম মেশিনের চারপাশে নিরাপত্তা বেড়া দিতে। কিন্তু মালিকপক্ষ তা করেনি। এই অবহেলার কারণেই আজ একটি প্রাণ চলে গেল।
জেলা ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন লিডার সেলিম মিয়া জানান, ঘটনাস্থলে পৌঁছে দেখা যায় নারীর দেহ মেশিনে পেঁচানো অবস্থায় রয়েছে। পরে পোশাক কেটে ধাপে ধাপে লাশ উদ্ধার করা হয়।
এ বিষয়ে পালং মডেল থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) আবীর হোসেন বলেন, সেচ পাম্পটি সম্পূর্ণ অরক্ষিত অবস্থায় ছিল। প্রাথমিকভাবে এটি অবহেলাজনিত দুর্ঘটনা বলে মনে হচ্ছে। মেশিনের মালিকসহ সংশ্লিষ্টদের দায় রয়েছে। ভুক্তভোগী পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এদিকে, এ ঘটনার পর স্থানীয়দের মধ্যে নিরাপত্তাহীন সেচ পাম্প অপসারণ বা সুরক্ষা ব্যবস্থা নিশ্চিত করার দাবি জোরালো হয়েছে। এলাকাবাসীর দাবি, ভবিষ্যতে এমন দুর্ঘটনা এড়াতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে।