নিজস্ব প্রতিবেদক
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, সরকার পুলিশ সংস্কারে কাজ করছে, তবে তা রাতারাতি সম্ভব নয়। তিনি বলেন, সরকার ধারাবাহিক ও পর্যায়ক্রমিক উন্নয়নে বিশ্বাসী। পুলিশের পুনর্গঠন, সংস্কার এবং সামর্থ্য-সক্ষমতা বৃদ্ধিতে ইউএনডিপি বাংলাদেশের সহযোগিতা করতে পারে।
রোববার (৫ এপ্রিল) দুপুরে বেইলি রোডে মন্ত্রীর সরকারি বাংলোতে বাংলাদেশে নিযুক্ত ইউনাইটেড নেশনস ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রাম (ইউএনডিপি)-এর একটি প্রতিনিধিদলের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতে তিনি এসব কথা বলেন।
সাক্ষাৎকালে উভয় পক্ষের মধ্যে আইনশৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা পরিস্থিতি, পুলিশ সংস্কার, স্বাধীন পুলিশ কমিশন, জাতীয় মানবাধিকার কমিশন অধ্যাদেশ, গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার অধ্যাদেশ এবং রোহিঙ্গা ইস্যুসহ বিভিন্ন বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
বৈঠকে ইউএনডিপির আবাসিক প্রতিনিধি পুলিশ সংস্কারে প্রয়োজনীয় সহযোগিতার আশ্বাস দিয়ে বলেন, জাতীয় মানবাধিকার কমিশন গঠনে ইউএনডিপির অবদান গুরুত্বপূর্ণ। গত ১৫-১৭ বছর ধরে সংস্থাটি কমিশনের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করছে।
তিনি আরো জানান, মানবাধিকার কমিশনের অধ্যাদেশের খসড়া প্রণয়নেও ইউএনডিপি সহায়তা করেছে এবং এতে আন্তর্জাতিক সর্বোত্তম অনুশীলন অন্তর্ভুক্ত করার চেষ্টা করা হয়েছে।
জাতীয় মানবাধিকার কমিশন অধ্যাদেশ প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, এ অধ্যাদেশের সঙ্গে স্বাধীন পুলিশ কমিশন গঠনের নিবিড় সম্পর্ক রয়েছে। তাই প্রয়োজনীয় যাচাই-বাছাই শেষে এটি সংসদে বিল আকারে উপস্থাপন করা হবে।
গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার অধ্যাদেশ বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এটিও আরো পর্যালোচনার পর জাতীয় সংসদে বিল হিসেবে উপস্থাপন করা হবে। তিনি উল্লেখ করেন, অধ্যাদেশটির কিছু সংজ্ঞা এমনভাবে নির্ধারণ করা হয়েছে, যা গুমের প্রকৃত নির্দেশদাতাকে শনাক্ত করা কঠিন করে তোলে। এ সময় তিনি তার ব্যক্তিগত গুমকালীন অভিজ্ঞতার কথাও তুলে ধরেন।
রোহিঙ্গা ক্যাম্পে নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন)-কে তদন্তের ক্ষমতা দেওয়ার প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, তদন্ত কেবল তদন্তকারী কর্মকর্তারাই করতে পারেন, এপিবিএন কোনো তদন্তকারী সংস্থা নয়। তবে তিনি রোহিঙ্গা ক্যাম্পে নিরাপত্তা আরো জোরদারের আশ্বাস দেন।
বৈঠকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের রাজনৈতিক-১ শাখার যুগ্মসচিব রেবেকা খান, ইউএনডিপির ডেপুটি রেসিডেন্ট রিপ্রেজেনটেটিভ সোনালী দয়ারত্নে, অ্যাসিস্ট্যান্ট রেসিডেন্ট রিপ্রেজেনটেটিভ আনোয়ারুল হক এবং ইউএনডিপি-বাংলাদেশের আইন, বিচার ও নিরাপত্তা বিষয়ক উপদেষ্টা রোমানা শোয়েইগারসহ সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।
রোববার (৫ এপ্রিল) দুপুরে বেইলি রোডে মন্ত্রীর সরকারি বাংলোতে বাংলাদেশে নিযুক্ত ইউনাইটেড নেশনস ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রাম (ইউএনডিপি)-এর একটি প্রতিনিধিদলের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতে তিনি এসব কথা বলেন।
সাক্ষাৎকালে উভয় পক্ষের মধ্যে আইনশৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা পরিস্থিতি, পুলিশ সংস্কার, স্বাধীন পুলিশ কমিশন, জাতীয় মানবাধিকার কমিশন অধ্যাদেশ, গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার অধ্যাদেশ এবং রোহিঙ্গা ইস্যুসহ বিভিন্ন বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
বৈঠকে ইউএনডিপির আবাসিক প্রতিনিধি পুলিশ সংস্কারে প্রয়োজনীয় সহযোগিতার আশ্বাস দিয়ে বলেন, জাতীয় মানবাধিকার কমিশন গঠনে ইউএনডিপির অবদান গুরুত্বপূর্ণ। গত ১৫-১৭ বছর ধরে সংস্থাটি কমিশনের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করছে।
তিনি আরো জানান, মানবাধিকার কমিশনের অধ্যাদেশের খসড়া প্রণয়নেও ইউএনডিপি সহায়তা করেছে এবং এতে আন্তর্জাতিক সর্বোত্তম অনুশীলন অন্তর্ভুক্ত করার চেষ্টা করা হয়েছে।
জাতীয় মানবাধিকার কমিশন অধ্যাদেশ প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, এ অধ্যাদেশের সঙ্গে স্বাধীন পুলিশ কমিশন গঠনের নিবিড় সম্পর্ক রয়েছে। তাই প্রয়োজনীয় যাচাই-বাছাই শেষে এটি সংসদে বিল আকারে উপস্থাপন করা হবে।
গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার অধ্যাদেশ বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এটিও আরো পর্যালোচনার পর জাতীয় সংসদে বিল হিসেবে উপস্থাপন করা হবে। তিনি উল্লেখ করেন, অধ্যাদেশটির কিছু সংজ্ঞা এমনভাবে নির্ধারণ করা হয়েছে, যা গুমের প্রকৃত নির্দেশদাতাকে শনাক্ত করা কঠিন করে তোলে। এ সময় তিনি তার ব্যক্তিগত গুমকালীন অভিজ্ঞতার কথাও তুলে ধরেন।
রোহিঙ্গা ক্যাম্পে নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন)-কে তদন্তের ক্ষমতা দেওয়ার প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, তদন্ত কেবল তদন্তকারী কর্মকর্তারাই করতে পারেন, এপিবিএন কোনো তদন্তকারী সংস্থা নয়। তবে তিনি রোহিঙ্গা ক্যাম্পে নিরাপত্তা আরো জোরদারের আশ্বাস দেন।
বৈঠকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের রাজনৈতিক-১ শাখার যুগ্মসচিব রেবেকা খান, ইউএনডিপির ডেপুটি রেসিডেন্ট রিপ্রেজেনটেটিভ সোনালী দয়ারত্নে, অ্যাসিস্ট্যান্ট রেসিডেন্ট রিপ্রেজেনটেটিভ আনোয়ারুল হক এবং ইউএনডিপি-বাংলাদেশের আইন, বিচার ও নিরাপত্তা বিষয়ক উপদেষ্টা রোমানা শোয়েইগারসহ সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।