মোঃ আফজাল হোসেন, দিনাজপুর প্রতিনিধি
দিনাজপুরের ফুলবাড়ীতে অবস্থিত গুরুত্বপূর্ণ যোগাযোগ অবকাঠামো মাইক্রোওয়েভ স্টেশনটি দীর্ঘদিন ধরে সংস্কারের অভাবে ধীরে ধীরে নষ্ট হয়ে যাচ্ছে বলে স্থানীয়রা অভিযোগ করেছেন। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নজরদারি ও রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে স্টেশনটির বিভিন্ন যন্ত্রপাতি ও ভবনের অবস্থা দিন দিন খারাপ হয়ে পড়ছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, তৎকালীন সময়ে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান এ এলাকার গুরুত্ব বিবেচনা করে ৩ একর ৮৮ শতাংশ জমির উপর অবকাঠামো ও মাইক্রোওয়েভ স্টেশনটি স্থাপন করেন। এক সময় এই মাইক্রোওয়েভ স্টেশনটি টেলিযোগাযোগ ব্যবস্থার গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত হতো। কিন্তু আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ার সাথে সাথে স্টেশনটির কার্যক্রম কমে আসে এবং ধীরে ধীরে এটি অবহেলার শিকার হয়। বর্তমানে স্টেশনটির ভবনের দেয়াল ও ছাদে ফাটল দেখা দিয়েছে এবং অনেক জায়গায় লোহার যন্ত্রাংশে মরিচা ধরেছে। এছাড়ও বাউন্ডারি ওয়াল ভেঙ্গে পড়ছে। সামনের জায়গাগুলি দখল হয়ে গেছে। সেখানে একজন বে-সরকারি লোক মাইক্রোওয়েভ স্টেশনটির যাবতীয় দেখাশোনা করছেন।
এলাকাবাসীর অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে স্টেশনটির কোনো সংস্কার বা রক্ষণাবেক্ষণ করা হয়নি। ফলে মূল্যবান সরকারি সম্পদ নষ্ট হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। অনেকেই মনে করছেন, সময়মতো সংস্কার ও আধুনিকায়নের উদ্যোগ নেওয়া হলে এই স্থাপনাটি আবারও কার্যকরভাবে ব্যবহার করা সম্ভব।
স্থানীয় সচেতন মহল দ্রুত স্টেশনটির সংস্কার ও রক্ষণাবেক্ষণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন। তাদের মতে, অবহেলার কারণে গুরুত্বপূর্ণ এই সরকারি স্থাপনাটি নষ্ট হয়ে গেলে তা দেশের সম্পদের অপচয় হিসেবে বিবেচিত হবে। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।
দিনাজপুরের ফুলবাড়ীতে অবস্থিত গুরুত্বপূর্ণ যোগাযোগ অবকাঠামো মাইক্রোওয়েভ স্টেশনটি দীর্ঘদিন ধরে সংস্কারের অভাবে ধীরে ধীরে নষ্ট হয়ে যাচ্ছে বলে স্থানীয়রা অভিযোগ করেছেন। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নজরদারি ও রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে স্টেশনটির বিভিন্ন যন্ত্রপাতি ও ভবনের অবস্থা দিন দিন খারাপ হয়ে পড়ছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, তৎকালীন সময়ে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান এ এলাকার গুরুত্ব বিবেচনা করে ৩ একর ৮৮ শতাংশ জমির উপর অবকাঠামো ও মাইক্রোওয়েভ স্টেশনটি স্থাপন করেন। এক সময় এই মাইক্রোওয়েভ স্টেশনটি টেলিযোগাযোগ ব্যবস্থার গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত হতো। কিন্তু আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ার সাথে সাথে স্টেশনটির কার্যক্রম কমে আসে এবং ধীরে ধীরে এটি অবহেলার শিকার হয়। বর্তমানে স্টেশনটির ভবনের দেয়াল ও ছাদে ফাটল দেখা দিয়েছে এবং অনেক জায়গায় লোহার যন্ত্রাংশে মরিচা ধরেছে। এছাড়ও বাউন্ডারি ওয়াল ভেঙ্গে পড়ছে। সামনের জায়গাগুলি দখল হয়ে গেছে। সেখানে একজন বে-সরকারি লোক মাইক্রোওয়েভ স্টেশনটির যাবতীয় দেখাশোনা করছেন।
এলাকাবাসীর অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে স্টেশনটির কোনো সংস্কার বা রক্ষণাবেক্ষণ করা হয়নি। ফলে মূল্যবান সরকারি সম্পদ নষ্ট হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। অনেকেই মনে করছেন, সময়মতো সংস্কার ও আধুনিকায়নের উদ্যোগ নেওয়া হলে এই স্থাপনাটি আবারও কার্যকরভাবে ব্যবহার করা সম্ভব।
স্থানীয় সচেতন মহল দ্রুত স্টেশনটির সংস্কার ও রক্ষণাবেক্ষণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন। তাদের মতে, অবহেলার কারণে গুরুত্বপূর্ণ এই সরকারি স্থাপনাটি নষ্ট হয়ে গেলে তা দেশের সম্পদের অপচয় হিসেবে বিবেচিত হবে। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।