নিজস্ব প্রতিবেদক
পুলিশ দর্শক কাতারে দাঁড়িয়ে। উত্তেজিত বিবদমান দুটি গ্রুপের শত শত গ্রামবাসী দেশীয় অস্ত্রসস্ত্রে সজ্জিত হয়ে প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করতে শনিবার সকাল আটটা থেকে ফরিদপুর জেলার ভাঙ্গা উপজেলার হামিরদী ইউনিয়নের মুনসুরাবাদ বাজার পরিণত হয়েছে রণক্ষেত্রে। সংঘাতে কমপক্ষে ৩০ জন আহত হয়েছেন।
গুরুতর আহত শওকত আলীকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছালেও দশকের মতো দাঁড়িয়ে রয়েছে বলে অভিযোগ ভুক্তভোগী পরিবারগুলোর।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মুনসুরাবাদ, খাপুরা মাঝিকান্দা ও সিংগারিয়া গ্রামের ছেলেরা ফুটবল খেলার জন্য শুক্রবার বিকেলে মাইকিং প্রচারণাকালে মুনসুরাবাদ গ্রামের শওকতের ছেলে রাহাদ, সাদ্দাম ও তারেকের সঙ্গে খাপুরা গ্রামের জাহিদ ও আজিমের কথা কাটাকাটির হয়। এঘটনার সূত্রতায় মনসুরাবাদ বাজারের সেক্রেটারি জিন্নাত মাতুব্বরকে মারধর করলে সন্ধ্যা ছয়টা থেকে রাত আটটা পর্যন্ত তিন গ্রামের লোকজন রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে মেতে উঠেন। সংঘর্ষকালীন ইটপাটকেলের আঘাতে উভয় পক্ষের অর্ধশতাধিক আহত হন।
এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত বিবদমান কয়েকটি গ্রামের লোকজন মুখোমুখি ধলেশ্বর কি নিয়ে মুমসুরাবাদ বাজারে অবস্থান করছেন।
গুরুতর আহত শওকত আলীকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছালেও দশকের মতো দাঁড়িয়ে রয়েছে বলে অভিযোগ ভুক্তভোগী পরিবারগুলোর।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মুনসুরাবাদ, খাপুরা মাঝিকান্দা ও সিংগারিয়া গ্রামের ছেলেরা ফুটবল খেলার জন্য শুক্রবার বিকেলে মাইকিং প্রচারণাকালে মুনসুরাবাদ গ্রামের শওকতের ছেলে রাহাদ, সাদ্দাম ও তারেকের সঙ্গে খাপুরা গ্রামের জাহিদ ও আজিমের কথা কাটাকাটির হয়। এঘটনার সূত্রতায় মনসুরাবাদ বাজারের সেক্রেটারি জিন্নাত মাতুব্বরকে মারধর করলে সন্ধ্যা ছয়টা থেকে রাত আটটা পর্যন্ত তিন গ্রামের লোকজন রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে মেতে উঠেন। সংঘর্ষকালীন ইটপাটকেলের আঘাতে উভয় পক্ষের অর্ধশতাধিক আহত হন।
এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত বিবদমান কয়েকটি গ্রামের লোকজন মুখোমুখি ধলেশ্বর কি নিয়ে মুমসুরাবাদ বাজারে অবস্থান করছেন।