নিজস্ব প্রতিবেদক
শহীদ শরিফ ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ডের প্রধান আসামি ফয়সাল করিম মাসুদ ও তার সহযোগী আলমগীর হোসেনকে গ্রেফতারের পর জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ ১৪ দিনের রিমান্ডে নেয়। এরই মধ্যে কুমিল্লা-৪ (দেবীদ্বার) আসনের সংসদ সদস্য ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতা হাসনাত আবদুল্লাহকে উদ্ধৃত করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি ফটোকার্ড ছড়িয়ে পড়ে।
যেখানে দাবি করা হয় তিনি বলেছেন, ‘ফয়সালকে রিমান্ডে নিয়ে জজমিয়া নাটক সাজিয়ে ইনকিলাব মঞ্চ, জুলাই যোদ্ধাদের ফাঁসানো হলে দেশে আরেকটি গণঅভ্যুত্থান নেমে আসবে।’
রিউমার স্ক্যানার টিমের অনুসন্ধানে জানা যায়, আলোচিত মন্তব্যটি করেননি হাসনাত আবদুল্লাহ। প্রকৃতপক্ষে, একটি স্যাটায়ার পেজের ব্যঙ্গাত্মক পোস্ট থেকে সূত্রপাত হওয়া দাবিকে আসল খবর হিসেবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচার করা হয়েছে।
এই বিষয়ে অনুসন্ধানের শুরুতে ফটোকার্ডটি পর্যবেক্ষণ করে এতে দাবির সপক্ষে কোনো তথ্যসূত্র পাওয়া যায়নি। প্রাসঙ্গিক কি-ওয়ার্ড সার্চ করলেও আলোচিত দাবির পক্ষে গণমাধ্যম কিংবা কোনো নির্ভরযোগ্য সূত্রে কোনো তথ্যপ্রমাণ পাওয়া যায়নি। হাসনাত আবদুল্লাহর ফেসবুক পেজ পর্যবেক্ষণ করেও আলোচিত দাবির পক্ষে কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।
উক্ত ফটোকার্ডের সূত্রপাত অনুসন্ধানে জানা যায়, ‘দৈনিক মোল্লার দেশ’ নামের একটি ফেসবুক পেজে গত ৯ মার্চ আলোচিত ফটোকার্ডটি পোস্ট করা হয়।
‘দৈনিক মোল্লার দেশ’ পেজটি পর্যবেক্ষণ করলে পেজের ধরনে উল্লেখ পাওয়া যায়, ‘এটি একটি স্যাটায়ার ও প্যারোডি বা ব্যঙ্গানুকরণ পেজ।’
এছাড়াও, পেজটি পর্যবেক্ষণ করে দেখা যায়, এরূপ আরও অনেক ব্যঙ্গাত্মক পোস্ট পেজটিতে রয়েছে। এ থেকে নিশ্চিত হওয়া যায় যে, আলোচিত পোস্টটিও মূলত ব্যঙ্গাত্মক কনটেন্ট হিসেবেই তৈরি করা হয়েছে।
যেখানে দাবি করা হয় তিনি বলেছেন, ‘ফয়সালকে রিমান্ডে নিয়ে জজমিয়া নাটক সাজিয়ে ইনকিলাব মঞ্চ, জুলাই যোদ্ধাদের ফাঁসানো হলে দেশে আরেকটি গণঅভ্যুত্থান নেমে আসবে।’
রিউমার স্ক্যানার টিমের অনুসন্ধানে জানা যায়, আলোচিত মন্তব্যটি করেননি হাসনাত আবদুল্লাহ। প্রকৃতপক্ষে, একটি স্যাটায়ার পেজের ব্যঙ্গাত্মক পোস্ট থেকে সূত্রপাত হওয়া দাবিকে আসল খবর হিসেবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচার করা হয়েছে।
এই বিষয়ে অনুসন্ধানের শুরুতে ফটোকার্ডটি পর্যবেক্ষণ করে এতে দাবির সপক্ষে কোনো তথ্যসূত্র পাওয়া যায়নি। প্রাসঙ্গিক কি-ওয়ার্ড সার্চ করলেও আলোচিত দাবির পক্ষে গণমাধ্যম কিংবা কোনো নির্ভরযোগ্য সূত্রে কোনো তথ্যপ্রমাণ পাওয়া যায়নি। হাসনাত আবদুল্লাহর ফেসবুক পেজ পর্যবেক্ষণ করেও আলোচিত দাবির পক্ষে কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।
উক্ত ফটোকার্ডের সূত্রপাত অনুসন্ধানে জানা যায়, ‘দৈনিক মোল্লার দেশ’ নামের একটি ফেসবুক পেজে গত ৯ মার্চ আলোচিত ফটোকার্ডটি পোস্ট করা হয়।
‘দৈনিক মোল্লার দেশ’ পেজটি পর্যবেক্ষণ করলে পেজের ধরনে উল্লেখ পাওয়া যায়, ‘এটি একটি স্যাটায়ার ও প্যারোডি বা ব্যঙ্গানুকরণ পেজ।’
এছাড়াও, পেজটি পর্যবেক্ষণ করে দেখা যায়, এরূপ আরও অনেক ব্যঙ্গাত্মক পোস্ট পেজটিতে রয়েছে। এ থেকে নিশ্চিত হওয়া যায় যে, আলোচিত পোস্টটিও মূলত ব্যঙ্গাত্মক কনটেন্ট হিসেবেই তৈরি করা হয়েছে।