নিজস্ব প্রতিবেদক
সাম্প্রতিক মার্কিন গোয়েন্দা মূল্যায়নে উঠে এসেছে, টানা কয়েক সপ্তাহের যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের হামলার পরও ইরান তাদের প্রায় অর্ধেক ক্ষেপণাস্ত্র লঞ্চার অক্ষত রাখতে সক্ষম হয়েছে। সিএনএনকে উদ্ধৃত করে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো এ তথ্য জানিয়েছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, তেহরানের কাছে এখনও হাজার হাজার একমুখী আক্রমণকারী ড্রোন রয়েছে এবং ড্রোন সক্ষমতার প্রায় ৫০ শতাংশ এখনো অক্ষত রয়েছে।
এই মূল্যায়নটি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাম্প্রতিক বক্তব্যের সঙ্গে একটি পার্থক্য দেখায়। যেখানে ট্রাম্প দাবি করেছিলেন, ইরানের ‘ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার সক্ষমতা ব্যাপকভাবে কমে গেছে’ এবং তাদের অস্ত্র কারখানা ও রকেট লঞ্চারগুলো প্রায় ধ্বংস হয়ে গেছে, যার খুব অল্প কয়েকটিই অবশিষ্ট আছে।’
অন্যদিকে, মার্কিন প্রতিরক্ষা সচিব পিট হেগসেথ গত মাসে জানান, সংঘাত শুরুর পর থেকে মার্কিন বাহিনীর ওপর ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা ৯০ শতাংশ কমে গেছে। একইভাবে, একমুখী আক্রমণকারী ড্রোন—যেগুলোকে কামিকাজে ড্রোনও বলা হয়—ব্যবহারও প্রায় ৯০ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, তেহরানের কাছে এখনও হাজার হাজার একমুখী আক্রমণকারী ড্রোন রয়েছে এবং ড্রোন সক্ষমতার প্রায় ৫০ শতাংশ এখনো অক্ষত রয়েছে।
এই মূল্যায়নটি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাম্প্রতিক বক্তব্যের সঙ্গে একটি পার্থক্য দেখায়। যেখানে ট্রাম্প দাবি করেছিলেন, ইরানের ‘ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার সক্ষমতা ব্যাপকভাবে কমে গেছে’ এবং তাদের অস্ত্র কারখানা ও রকেট লঞ্চারগুলো প্রায় ধ্বংস হয়ে গেছে, যার খুব অল্প কয়েকটিই অবশিষ্ট আছে।’
অন্যদিকে, মার্কিন প্রতিরক্ষা সচিব পিট হেগসেথ গত মাসে জানান, সংঘাত শুরুর পর থেকে মার্কিন বাহিনীর ওপর ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা ৯০ শতাংশ কমে গেছে। একইভাবে, একমুখী আক্রমণকারী ড্রোন—যেগুলোকে কামিকাজে ড্রোনও বলা হয়—ব্যবহারও প্রায় ৯০ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে।