নিজস্ব প্রতিবেদক
বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ও নোয়াখালী-৩ আসনের সংসদ সদস্য মো. বরকত উল্লাহ বুলু বলেছেন, যারা মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতাকে অস্বীকার করে তারা এ দেশে রাজনীতি করার অধিকার রাখে না।
বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় মাইজদী হাউজিং বালুর মাঠে নোয়াখালী শিল্প ও বাণিজ্য মেলা উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
বরকত উল্লাহ বুলু বলেন, যারা ৩০ লাখ শহীদের রক্তকে অস্বীকার করেন, যারা ৭১-কে অস্বীকার করে ৪৭ শে ফিরে যেতে যান। দুই লাখ মা-বোনের সম্ভ্রমহানি অস্বীকার করতে চান। তাদের বাংলাদেশে রাজনীতি করার কোনো অধিকার নেই।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রসঙ্গ টেনে বুলু বলেন, একটি কথা আমি সুস্পষ্টভাবে বলতে চাই। আজকে যারা আমাদের প্রান্তিক অঞ্চলের মা-বোনকে ভুল বুঝিয়ে বেহেশতের টিকিট বিক্রি করে তাদের ঈমান আকিদা নষ্ট করেছেন। তাদের ব্যাপারেও হুঁশিয়ার থাকতে হবে। সে দিন মা-বোনের ইজ্জত সম্ভ্রমহানির পর জামায়াতে ইসলামীর আমির মাওলানা মওদুদী বলেছিলেন যুদ্ধের ময়দানে মা-বোনেরা নাকি গনিমতের মাল, এটা নাকি জায়েজ। নাউজুবিল্লাহ।
তিনি আরও বলেন, বেহেশতের টিকিট কেউ বিক্রি করতে পারে না। আল্লাহর রসুলও বেহেশতের টিকিট দিতে পারে নেই। একদিন উনার প্রিয় কন্যা ফাতেমা উনাকে জিজ্ঞাসা করলেন ইয়া রাসুলুল্লাহ আমি বেহেশতে যাব কিনা। মা আমি তোমাকে বেহেশতে যাওয়ার গ্যারান্টি দিতে পারি না। আল্লাহর কাছ থেকে একটি অনুমতি নিয়ে এসেছি। হাশরের ময়দানে উম্মতদের জন্য সুপারিশ করার অনুমতি নিয়ে এসেছি। তোমার আখলাক, ইবাদত বন্দেগি, স্বামীর খেদমত, সব কিছু যদি আল্লাহ রাজি খুশি থাকে। তাহলে তুমি বেহেশতে যাবে। হাশরের ময়দানে তোমার জন্য সুপারিশ করতে পারি।
বুলু বলেন, আজকে বাংলাদেশের গরিব মা-বোনকে এবার যারা বেহেশতের টিকিট বিক্রি করে ভোট করেছেন। তারা ইসলামকে বিদায়াত পথে নিয়ে গেছেন। ঈমান আকিদা নষ্ট করেছেন। এদের ব্যাপারে আল্লাহ ইনশাআল্লাহ কঠিন শাস্তির ব্যবস্থা করবেন। আগামীদিনে আল্লাহ নিজেই করবেন।
বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় মাইজদী হাউজিং বালুর মাঠে নোয়াখালী শিল্প ও বাণিজ্য মেলা উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
বরকত উল্লাহ বুলু বলেন, যারা ৩০ লাখ শহীদের রক্তকে অস্বীকার করেন, যারা ৭১-কে অস্বীকার করে ৪৭ শে ফিরে যেতে যান। দুই লাখ মা-বোনের সম্ভ্রমহানি অস্বীকার করতে চান। তাদের বাংলাদেশে রাজনীতি করার কোনো অধিকার নেই।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রসঙ্গ টেনে বুলু বলেন, একটি কথা আমি সুস্পষ্টভাবে বলতে চাই। আজকে যারা আমাদের প্রান্তিক অঞ্চলের মা-বোনকে ভুল বুঝিয়ে বেহেশতের টিকিট বিক্রি করে তাদের ঈমান আকিদা নষ্ট করেছেন। তাদের ব্যাপারেও হুঁশিয়ার থাকতে হবে। সে দিন মা-বোনের ইজ্জত সম্ভ্রমহানির পর জামায়াতে ইসলামীর আমির মাওলানা মওদুদী বলেছিলেন যুদ্ধের ময়দানে মা-বোনেরা নাকি গনিমতের মাল, এটা নাকি জায়েজ। নাউজুবিল্লাহ।
তিনি আরও বলেন, বেহেশতের টিকিট কেউ বিক্রি করতে পারে না। আল্লাহর রসুলও বেহেশতের টিকিট দিতে পারে নেই। একদিন উনার প্রিয় কন্যা ফাতেমা উনাকে জিজ্ঞাসা করলেন ইয়া রাসুলুল্লাহ আমি বেহেশতে যাব কিনা। মা আমি তোমাকে বেহেশতে যাওয়ার গ্যারান্টি দিতে পারি না। আল্লাহর কাছ থেকে একটি অনুমতি নিয়ে এসেছি। হাশরের ময়দানে উম্মতদের জন্য সুপারিশ করার অনুমতি নিয়ে এসেছি। তোমার আখলাক, ইবাদত বন্দেগি, স্বামীর খেদমত, সব কিছু যদি আল্লাহ রাজি খুশি থাকে। তাহলে তুমি বেহেশতে যাবে। হাশরের ময়দানে তোমার জন্য সুপারিশ করতে পারি।
বুলু বলেন, আজকে বাংলাদেশের গরিব মা-বোনকে এবার যারা বেহেশতের টিকিট বিক্রি করে ভোট করেছেন। তারা ইসলামকে বিদায়াত পথে নিয়ে গেছেন। ঈমান আকিদা নষ্ট করেছেন। এদের ব্যাপারে আল্লাহ ইনশাআল্লাহ কঠিন শাস্তির ব্যবস্থা করবেন। আগামীদিনে আল্লাহ নিজেই করবেন।