ইরান যুদ্ধ নিয়ে ট্রাম্পের ভাষণে যেসব প্রশ্নের উত্তর মেলেনি

আপলোড সময় : ০২-০৪-২০২৬ ০৭:৪১:৩৬ অপরাহ্ন , আপডেট সময় : ০২-০৪-২০২৬ ০৭:৪১:৩৬ অপরাহ্ন
নিজস্ব প্রতিবেদক
জাতির উদ্দেশে ভাষণে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যেসব কথা বলেছেন, তা মূলত তার গত কয়েকদিনের বক্তব্যেরই পুনরাবৃত্তি।

হোয়াইট হাউস থেকে বুধবার সন্ধ্যায় তিনি এই ভাষণ দেন এবং এ নিয়ে আগাম কিছু জল্পনাও ছিল।

২০ মিনিটের এই প্রাইমটাইম ভাষণে তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র–ইসরাইলের সামরিক অভিযানের "মূল কৌশলগত লক্ষ্যগুলো" এক মাসের যুদ্ধের পর "সম্পন্ন হওয়ার পথে" এবং এটি আর দুই থেকে তিন সপ্তাহ চলবে বলে তিনি অনুমান করেন।

ভাষণে ইরানের বিরুদ্ধে আগের মতোই হুমকি ছিল, যার মধ্যে দেশটিকে "বোমা মেরে পাথর যুগে ফেরত পাঠানোর" অঙ্গীকারের পুনরাবৃত্তিও ছিল।

গত এক সপ্তাহে ট্রুথ সোশালে তার পোস্টগুলো থেকে যদি কেউ অংশবিশেষ কপি-পেস্ট করতেন, তাহলেও জাতির উদ্দেশে দেওয়া এই ভাষণ থেকে খুব বেশি আলাদা লাগত না।

ট্রাম্প অবশ্য আমেরিকানদের এই যুদ্ধের প্রয়োজনীয়তা বোঝানোর চেষ্টা করেছেন। এর যথেষ্ট কারণও রয়েছে। কারণ জরিপগুলো ইঙ্গিত দিচ্ছে—২৮শে ফেব্রুয়ারি শুরু করা এই সামরিক অভিযানে ভোটারদের সিংহভাগই সমর্থন দিচ্ছেন না।

আমেরিকানদের উদ্দেশে ট্রাম্প বলেন, এই যুদ্ধকে তারা যেন তাদের ভবিষ্যতের এক ধরনের "বিনিয়োগ" হিসেবে দেখেন। তিনি আরও ইঙ্গিত দেন যে, গত শতাব্দী বা তারও বেশি সময়ে যুক্তরাষ্ট্র যে সব সংঘাতে অনেক দীর্ঘ সময় জড়িয়ে পড়েছে, তার তুলনায় এই যুদ্ধ খুবই ক্ষুদ্র ব্যাপার।

কিন্তু এই সংঘাত কোন দিকে যাচ্ছে বা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য সম্ভাব্য বেরিয়ে আসার পথ কী হতে পারে—এই প্রশ্নগুলোর পরিষ্কার উত্তর খুঁজছিলেন যারা, তাদের জন্য ভাষণে ছিল খুবই সামান্য। সুস্পষ্ট কিছু বিষয়ই থেকে গেছে উত্তরহীন।

প্রথমত, দখলদার ইসরাইল এখনো ইরানকে আক্রমণ করছে এবং বিপরীতে ইরানের দিক থেকেও ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার শিকার হচ্ছে।

সম্পাদকীয় :

প্রকাশক ও সম্পাদক

মোঃ গোলাম মাওলা শাওন

মোবাইল : ০১৭১১-০০৬২১৪

অফিস :

প্রধান কার্যালয়


৩১/১ শরীফ কমপ্লেক্স দশম তলা পুরানা পল্টন ঢাকা ১০০০

মোবাইল : ০১৯৯৯-৯৫৩৯৭০

ই-মেইল : [email protected]