নিজস্ব প্রতিবেদক
রাজধানীর লালবাগ এলাকায় প্রায় ৮ লক্ষ টাকা মূল্যমানের ২৬ কেজি গাঁজাসহ ০৪ জন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১০
র্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব) দেশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনায় অগ্রণী ভূমিকা পালন করে যাচ্ছে। মাদকদ্রব্যের ভয়াল ছোবল থেকে তরুণ সমাজকে রক্ষার লক্ষ্যে র্যাবের নিয়মিত অভিযানের অংশ হিসেবে *অদ্য ৩১/০৩/২০২৬ তারিখ বিকাল অনুমান ১৬.২০ ঘটিকার সময় রাজধানীর লালবাগ থানাধীন শহিদনগর এলাকায়* র্যাব-১০ এর একটি আভিযানিক দল অভিযান পরিচালনা করে বিপুল পরিমাণ মাদক উদ্ধার ও মাদক চক্রের ০৪ জন সক্রিয় সদস্যকে গ্রেফতার করেছে।
গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে র্যাব-১০, সিপিএসসি, লালবাগ ক্যাম্পের একটি চৌকস আভিযানিক দল *রাজধানীর লালবাগ থানাধীন শহিদনগর এলাকায়* অভিযান পরিচালনা করে *প্রায় ৭,৮০,০০০/- (সাত লক্ষ আশি হাজার) টাকা মূল্যের ২৬ (ছাব্বিশ) কেজি গাঁজাসহ ০৪ জন মাদক ব্যবসায়ীকে* গ্রেফতার করে। গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিদের নাম ১। *মো: শাহজাহান (৬০),* পিতা- মৃত আব্দুল কাদের হাওলাদার, ২। *সাবেরা বেগম (৪৯),* পিতা- আব্দুল হাই, উভয় সাং- শহিদনগর, থানা- লালবাগ, ডিএমপি, ঢাকা, ৩। *সুমি আক্তার (৩৭),* পিতা- মৃত আব্দুল মিয়া, সাং- বড়জ্বালা ও ৪। *রুমি বেগম (৩৪),* পিতা- মৃত আব্দুল রশিদ, সাং- আদর্শ শহর, উভয় থানা- কোতয়ালী, জেলা- কুমিল্লা বলে জানা যায়। এ সময় আসামিদের নিকট হতে মাদক ক্রয়-বিক্রয়ের নগদ ৭,০৩৮/- (সাত হাজার আটত্রিশ) টাকা জব্দ করা হয়।
প্রকাশ থাকে যে, গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিরা পেশাদার মাদক ব্যবসায়ী। তারা বেশ কিছুদিন যাবৎ দেশের সীমান্তবর্তী এলাকা হতে অবৈধভাবে গাঁজাসহ অন্যান্য মাদকদ্রব্য সংগ্রহ করে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় সরবরাহ করে আসছিল। উদ্ধারকৃত মাদকসহ গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে ডিএমপি, ঢাকার লালবাগ থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা রুজুর লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন।
মাদক সমাজের সবচেয়ে ভয়াবহ বিষফোঁড়া। এটি আমাদের যুব সমাজকে ধ্বংস করছে, পরিবারে অস্থিরতা সৃষ্টি করছে এবং রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তাকে হুমকির মুখে ফেলছে। র্যাব দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করে, “মাদক নির্মূলে জিরো টলারেন্স” নীতির বাস্তবায়ন ছাড়া সমাজে শান্তি ও উন্নয়ন সম্ভব নয়। র্যাব-১০ মাদক নির্মূল অভিযানে সর্বোচ্চ পেশাদারিত্ব ও আন্তরিকতা নিয়ে কাজ করে যাচ্ছে। ভবিষ্যতেও মাদক, অস্ত্র, সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে র্যাবের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
রাজধানীর লালবাগ এলাকায় প্রায় ৮ লক্ষ টাকা মূল্যমানের ২৬ কেজি গাঁজাসহ ০৪ জন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১০
র্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব) দেশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনায় অগ্রণী ভূমিকা পালন করে যাচ্ছে। মাদকদ্রব্যের ভয়াল ছোবল থেকে তরুণ সমাজকে রক্ষার লক্ষ্যে র্যাবের নিয়মিত অভিযানের অংশ হিসেবে *অদ্য ৩১/০৩/২০২৬ তারিখ বিকাল অনুমান ১৬.২০ ঘটিকার সময় রাজধানীর লালবাগ থানাধীন শহিদনগর এলাকায়* র্যাব-১০ এর একটি আভিযানিক দল অভিযান পরিচালনা করে বিপুল পরিমাণ মাদক উদ্ধার ও মাদক চক্রের ০৪ জন সক্রিয় সদস্যকে গ্রেফতার করেছে।
গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে র্যাব-১০, সিপিএসসি, লালবাগ ক্যাম্পের একটি চৌকস আভিযানিক দল *রাজধানীর লালবাগ থানাধীন শহিদনগর এলাকায়* অভিযান পরিচালনা করে *প্রায় ৭,৮০,০০০/- (সাত লক্ষ আশি হাজার) টাকা মূল্যের ২৬ (ছাব্বিশ) কেজি গাঁজাসহ ০৪ জন মাদক ব্যবসায়ীকে* গ্রেফতার করে। গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিদের নাম ১। *মো: শাহজাহান (৬০),* পিতা- মৃত আব্দুল কাদের হাওলাদার, ২। *সাবেরা বেগম (৪৯),* পিতা- আব্দুল হাই, উভয় সাং- শহিদনগর, থানা- লালবাগ, ডিএমপি, ঢাকা, ৩। *সুমি আক্তার (৩৭),* পিতা- মৃত আব্দুল মিয়া, সাং- বড়জ্বালা ও ৪। *রুমি বেগম (৩৪),* পিতা- মৃত আব্দুল রশিদ, সাং- আদর্শ শহর, উভয় থানা- কোতয়ালী, জেলা- কুমিল্লা বলে জানা যায়। এ সময় আসামিদের নিকট হতে মাদক ক্রয়-বিক্রয়ের নগদ ৭,০৩৮/- (সাত হাজার আটত্রিশ) টাকা জব্দ করা হয়।
প্রকাশ থাকে যে, গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিরা পেশাদার মাদক ব্যবসায়ী। তারা বেশ কিছুদিন যাবৎ দেশের সীমান্তবর্তী এলাকা হতে অবৈধভাবে গাঁজাসহ অন্যান্য মাদকদ্রব্য সংগ্রহ করে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় সরবরাহ করে আসছিল। উদ্ধারকৃত মাদকসহ গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে ডিএমপি, ঢাকার লালবাগ থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা রুজুর লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন।
মাদক সমাজের সবচেয়ে ভয়াবহ বিষফোঁড়া। এটি আমাদের যুব সমাজকে ধ্বংস করছে, পরিবারে অস্থিরতা সৃষ্টি করছে এবং রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তাকে হুমকির মুখে ফেলছে। র্যাব দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করে, “মাদক নির্মূলে জিরো টলারেন্স” নীতির বাস্তবায়ন ছাড়া সমাজে শান্তি ও উন্নয়ন সম্ভব নয়। র্যাব-১০ মাদক নির্মূল অভিযানে সর্বোচ্চ পেশাদারিত্ব ও আন্তরিকতা নিয়ে কাজ করে যাচ্ছে। ভবিষ্যতেও মাদক, অস্ত্র, সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে র্যাবের অভিযান অব্যাহত থাকবে।