মাসুদ রানা রাব্বানী, রাজশাহী:
বরেন্দ্র প্রেসক্লাবের সভাপতি রেজাউল করিমের ওপর সশস্ত্র হামলা ও ছুরিকাঘাত করে গুরুতর আহতের প্রতিবাদে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শনিবার (২৮ মার্চ) রাজশাহী মহানগরীর সাহেববাজারে বিক্ষোভ ও মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।
মানববন্ধনে বরেন্দ্র প্রেসক্লাবের সভাপতি রেজাউল করিম বলেন, আমি শুধু ব্যক্তিগতভাবে আক্রান্ত হইনি, সাংবাদিক সমাজকে ভয় দেখানোর চেষ্টা করা হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে একটি চক্র চাঁদা দাবি করছিল। আমরা তা প্রত্যাখ্যান করায় তারা পরিকল্পিতভাবে হামলা চালিয়েছে। আমার প্রাণনাশের উদ্দেশ্যেই তারা অস্ত্র নিয়ে ক্লাবে প্রবেশ করে। তিনি জানান, হামলার সময় পিস্তল ঠেকানো হয় এবং ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করার চেষ্টা করা হয়, যা তিনি প্রতিহত করতে গিয়ে হামলাকারীদের ছুরিকাঘাতে গুরুতর আহত হন।
বরেন্দ্র প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক শামসুল ইসলাম, সহ-সভাপতি শেখ রহমতুল্লাহ, কোষাধ্যক্ষ মামুনুর রশীদসহ অন্যান্য সাংবাদিক নেতারা ঘটনার পরিকল্পিত তত্ত্বের কথা উল্লেখ করেন। রিভিরসিটি প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মাসুদ রানা রাব্বানী বলেন, প্রধান অভিযুক্ত নূরে ইসলাম মিলন ও সুরুজ আলী এখনও গ্রেফতার হয়নি এবং তারা প্রকাশ্যে চলাফেরা করছে। দ্রুত গ্রেফতারের মাধ্যমে দৃষ্টান্তমূলক শান্তি প্রতিষ্ঠার দাবি করেন তিনি।
ঘটনার পর রাজশাহী প্রেসক্লাব থেকে অভিযুক্তদের সাময়িক বরখাস্ত করা হলেও তদন্ত প্রতিবেদন এখন পর্যন্ত প্রকাশিত হয়নি। বক্তারা দ্রুত তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশ ও স্থানীয়ভাবে বহিষ্কারের দাবি জানিয়েছেন।
পুলিশ জানিয়েছে, বোয়ালিয়া মডেল থানায় নূরে ইসলাম মিলন, সুরুজ আলীসহ একাধিক ব্যক্তির বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং তাদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
জানতে চাইলে আরএমপি পুলিশের মুখপাত্র উপ-পুলিশ কমিশনার মোঃ গাজিউর রহমান, জানান, থানা পুলিশের পাশাপাশি গোয়েন্দা টিম তৎপর রয়েছে। দ্রুত আসামিদের গ্রেফতার করা হবে বলেও জানান তিনি।
প্রসঙ্গত, হামলার পেছনে মূল কারণ হিসেবে শিরোইল কাঁচা বাজার এলাকায় বরেন্দ্র প্রেসক্লাব পরিচালনার নামে নুরে ইসলাম মিলন ও সহযোগীরা ৪ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেছিল। গত ৭ মার্চ রাত ৮টার দিকে দেশীয় অস্ত্র, চাপাতি ও চাইনিজ কুড়াল নিয়ে তারা ক্লাবে ঢুকে তাণ্ডব চালায়। হামলার সময় রেজাউল করিমের শরীরে ছুরিকাঘাত করা হয়। এতে তার শরীরে ১৩টি সেলাই দিতে হয়।
বরেন্দ্র প্রেসক্লাবের সভাপতি রেজাউল করিমের ওপর সশস্ত্র হামলা ও ছুরিকাঘাত করে গুরুতর আহতের প্রতিবাদে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শনিবার (২৮ মার্চ) রাজশাহী মহানগরীর সাহেববাজারে বিক্ষোভ ও মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।
মানববন্ধনে বরেন্দ্র প্রেসক্লাবের সভাপতি রেজাউল করিম বলেন, আমি শুধু ব্যক্তিগতভাবে আক্রান্ত হইনি, সাংবাদিক সমাজকে ভয় দেখানোর চেষ্টা করা হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে একটি চক্র চাঁদা দাবি করছিল। আমরা তা প্রত্যাখ্যান করায় তারা পরিকল্পিতভাবে হামলা চালিয়েছে। আমার প্রাণনাশের উদ্দেশ্যেই তারা অস্ত্র নিয়ে ক্লাবে প্রবেশ করে। তিনি জানান, হামলার সময় পিস্তল ঠেকানো হয় এবং ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করার চেষ্টা করা হয়, যা তিনি প্রতিহত করতে গিয়ে হামলাকারীদের ছুরিকাঘাতে গুরুতর আহত হন।
বরেন্দ্র প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক শামসুল ইসলাম, সহ-সভাপতি শেখ রহমতুল্লাহ, কোষাধ্যক্ষ মামুনুর রশীদসহ অন্যান্য সাংবাদিক নেতারা ঘটনার পরিকল্পিত তত্ত্বের কথা উল্লেখ করেন। রিভিরসিটি প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মাসুদ রানা রাব্বানী বলেন, প্রধান অভিযুক্ত নূরে ইসলাম মিলন ও সুরুজ আলী এখনও গ্রেফতার হয়নি এবং তারা প্রকাশ্যে চলাফেরা করছে। দ্রুত গ্রেফতারের মাধ্যমে দৃষ্টান্তমূলক শান্তি প্রতিষ্ঠার দাবি করেন তিনি।
ঘটনার পর রাজশাহী প্রেসক্লাব থেকে অভিযুক্তদের সাময়িক বরখাস্ত করা হলেও তদন্ত প্রতিবেদন এখন পর্যন্ত প্রকাশিত হয়নি। বক্তারা দ্রুত তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশ ও স্থানীয়ভাবে বহিষ্কারের দাবি জানিয়েছেন।
পুলিশ জানিয়েছে, বোয়ালিয়া মডেল থানায় নূরে ইসলাম মিলন, সুরুজ আলীসহ একাধিক ব্যক্তির বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং তাদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
জানতে চাইলে আরএমপি পুলিশের মুখপাত্র উপ-পুলিশ কমিশনার মোঃ গাজিউর রহমান, জানান, থানা পুলিশের পাশাপাশি গোয়েন্দা টিম তৎপর রয়েছে। দ্রুত আসামিদের গ্রেফতার করা হবে বলেও জানান তিনি।
প্রসঙ্গত, হামলার পেছনে মূল কারণ হিসেবে শিরোইল কাঁচা বাজার এলাকায় বরেন্দ্র প্রেসক্লাব পরিচালনার নামে নুরে ইসলাম মিলন ও সহযোগীরা ৪ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেছিল। গত ৭ মার্চ রাত ৮টার দিকে দেশীয় অস্ত্র, চাপাতি ও চাইনিজ কুড়াল নিয়ে তারা ক্লাবে ঢুকে তাণ্ডব চালায়। হামলার সময় রেজাউল করিমের শরীরে ছুরিকাঘাত করা হয়। এতে তার শরীরে ১৩টি সেলাই দিতে হয়।