গৌরীপুর (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি:
ময়মনসিংহের গৌরীপুরে ধারের ৯ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে উম্মে কুলসুম (উমা) নামে এক নারী আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় গৌরীপুর রেলওয়ে জংশন এলাকার নিজ বাসা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। তবে মামলার অপর আসামি মাজিদুর রহমান এখনো পলাতক রয়েছেন।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, বাদী আমেনা আক্তারের সঙ্গে সুসম্পর্কের সুযোগ নিয়ে ২০১৩ সালে উম্মে কুলসুম, তার স্বামী হাবিবুর রহমান ও ছেলে মাজিদুর রহমান এক বছরের মধ্যে ফেরতের শর্তে ৯ লাখ টাকা ধার নেন। কিন্তু দীর্ঘ সময় পার হলেও তারা টাকা ফেরত না দিয়ে নানা টালবাহানা শুরু করেন। সর্বশেষ ২০২৩ সালের জুলাই মাসে এক সালিশি বৈঠকে তারা টাকা দেওয়ার কথা অস্বীকার করলে আমেনা আক্তার ময়মনসিংহ চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলা দায়ের করেন।
আদালত আসামিদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করলে গৌরীপুর থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে উম্মে কুলসুমকে গ্রেপ্তার করে।
গৌরীপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) কামরুল হাসান জানান, গ্রেপ্তারকৃত আসামিকে যথাযথ আইনি প্রক্রিয়ায় আদালতে সোপর্দ করা হবে। পলাতক অপর আসামিকে গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
ময়মনসিংহের গৌরীপুরে ধারের ৯ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে উম্মে কুলসুম (উমা) নামে এক নারী আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় গৌরীপুর রেলওয়ে জংশন এলাকার নিজ বাসা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। তবে মামলার অপর আসামি মাজিদুর রহমান এখনো পলাতক রয়েছেন।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, বাদী আমেনা আক্তারের সঙ্গে সুসম্পর্কের সুযোগ নিয়ে ২০১৩ সালে উম্মে কুলসুম, তার স্বামী হাবিবুর রহমান ও ছেলে মাজিদুর রহমান এক বছরের মধ্যে ফেরতের শর্তে ৯ লাখ টাকা ধার নেন। কিন্তু দীর্ঘ সময় পার হলেও তারা টাকা ফেরত না দিয়ে নানা টালবাহানা শুরু করেন। সর্বশেষ ২০২৩ সালের জুলাই মাসে এক সালিশি বৈঠকে তারা টাকা দেওয়ার কথা অস্বীকার করলে আমেনা আক্তার ময়মনসিংহ চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলা দায়ের করেন।
আদালত আসামিদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করলে গৌরীপুর থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে উম্মে কুলসুমকে গ্রেপ্তার করে।
গৌরীপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) কামরুল হাসান জানান, গ্রেপ্তারকৃত আসামিকে যথাযথ আইনি প্রক্রিয়ায় আদালতে সোপর্দ করা হবে। পলাতক অপর আসামিকে গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।