উল্লাপাড়ায় ‘সাংবাদিক’ পরিচয়ে চাঁদাবাজির অভিযোগ, লাইসেন্সধারী ব্যবসায়ীকে জড়িয়ে অপপ্রচার

আপলোড সময় : ২০-০৩-২০২৬ ১২:৩০:৩৯ পূর্বাহ্ন , আপডেট সময় : ২০-০৩-২০২৬ ১২:৩০:৩৯ পূর্বাহ্ন
উল্লাপাড়া,সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি 
 
সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়া উপজেলায় সরকারি লাইসেন্সপ্রাপ্ত এক মদ সরবরাহকারী ব্যবসায়ীকে ‘মাদক সম্রাট’ আখ্যা দিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অপপ্রচারের অভিযোগ উঠেছে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে, যিনি নিজেকে সাংবাদিক হিসেবে পরিচয় দেন। এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
 
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর কর্তৃক লাইসেন্সপ্রাপ্ত কেরু অ্যান্ড কোম্পানির নিয়োগপ্রাপ্ত ব্যক্তি মোঃ সবুজ আলী দীর্ঘদিন ধরে বৈধভাবে অনুমোদিত প্রতিষ্ঠানগুলোতে মদ সরবরাহ ও বিক্রয় কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছেন।
 
তবে গত ১৭ মার্চ ২০২৬ তারিখে আমিনুল ইসলাম নামের এক ব্যক্তি তার ফেসবুক আইডি থেকে একটি পোস্টে সবুজ আলীকে ‘মাদক সম্রাট’ উল্লেখ করে বিভিন্ন অভিযোগ উত্থাপন করেন। ওই পোস্টে দাবি করা হয়, উল্লাপাড়ায় তার লাইসেন্স থাকলেও তিনি যুব সমাজকে ধ্বংস করছেন—যা স্থানীয়দের মধ্যে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করে।
 
এ বিষয়ে সবুজ আলী অভিযোগ করে বলেন, “আমিনুল ইসলাম বিভিন্ন সময় সাংবাদিক পরিচয়ে আমার কাছ থেকে মদ নিয়ে টাকা পরিশোধ করেনি। এমনকি একাধিকবার আমার কাছ থেকে অর্থ নিয়েও ফেরত দেয়নি। সর্বশেষ গত ১৬ মার্চ তিনি আবারও মদ চান। আমি দিতে অস্বীকৃতি জানালে তিনি আমার কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন।”
তিনি আরও বলেন, “আমি চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তিনি আমাকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো ও সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করার হুমকি দেন। এরই ধারাবাহিকতায় তিনি ফেসবুকে আমার বিরুদ্ধে ভিত্তিহীন তথ্য ছড়িয়ে দিচ্ছেন।”
 
সবুজ আলীর দাবি, তার ব্যবসা সম্পূর্ণ বৈধ এবং সরকারি অনুমোদনপ্রাপ্ত। তিনি বলেন, “আমার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ আনা হয়েছে তা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।”
 
এ ঘটনায় তিনি আরও অভিযোগ করেন, আমিনুল ইসলামের সঙ্গে আরেক ব্যক্তি জড়িত, যাদের বিরুদ্ধে উল্লাপাড়া থানাসহ বিভিন্ন স্থানে মাদক ও অন্যান্য অভিযোগে একাধিক মামলা রয়েছে বলে জানা গেছে।
 
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগ নতুন নয়। তবে ভুক্তভোগীরা নানা কারণে মুখ খুলতে সাহস পান না।
 
ভুক্তভোগী সবুজ আলী এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে অভিযুক্ত আমিনুল ইসলাম ও তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে জোর দাবি জানিয়েছেন।
 
এ বিষয়ে প্রশাসনের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বক্তব্য জানা সম্ভব হয়নি। তবে সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটনের দাবি জানিয়েছেন সচেতন মহল।

সম্পাদকীয় :

প্রকাশক ও সম্পাদক

মোঃ গোলাম মাওলা শাওন

মোবাইল : ০১৭১১-০০৬২১৪

অফিস :

প্রধান কার্যালয়


৩১/১ শরীফ কমপ্লেক্স দশম তলা পুরানা পল্টন ঢাকা ১০০০

মোবাইল : ০১৯৯৯-৯৫৩৯৭০

ই-মেইল : [email protected]