নিজস্ব প্রতিবেদক
সাতক্ষীরায় একই ভোরে পৃথক দুটি স্থান থেকে এক তরুণ চিকিৎসক ও এক নৈশপ্রহরীর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বুধবার ভোররাতে শহরের কাটিয়া ও রসুলপুর এলাকায় ঘটে যাওয়া এ দুই ঘটনায় জেলাজুড়ে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। মৃত্যুদ্বয়কে ঘিরে নানা প্রশ্ন উঠলেও তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত নিশ্চিত কিছু বলতে নারাজ আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
সাতক্ষীরা সদর থানার পরিদর্শক (অপারেশন্স) সুশান্ত ঘোষ জানান, লাশ দুটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। প্রাথমিকভাবে ঘটনাগুলো অপমৃত্যু বলে মনে হলেও প্রতিবেদন পাওয়ার আগে চূড়ান্ত মন্তব্য করা যাচ্ছে না। প্রতিটি ঘটনাই গুরুত্বসহকারে তদন্ত করা হচ্ছে বলে তিনি জানান।
পুলিশ ও পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, শহরের কাটিয়া এলাকায় নিজ বাসভবন থেকে ডা. সজীব দত্ত (২৭) নামে এক চিকিৎসকের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করা হয়। তিনি ঢাকা মেডিকেল কলেজ থেকে এমবিবিএস পাস করে ইন্টার্নশিপ সম্পন্ন করেন এবং উচ্চতর ডিগ্রি অর্জনের লক্ষ্যে লন্ডনে অবস্থান শেষে সম্প্রতি দেশে ফেরেন।
পরিবার জানায়, মঙ্গলবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে তিনি নিজ কক্ষে ঘুমাতে যান। পরদিন সকালে তার মা দরজা বন্ধ পেয়ে ডাকাডাকি করেও সাড়া না পেয়ে দরজার ফাঁক দিয়ে তাকিয়ে তাকে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান। পরে পুলিশে খবর দিলে লাশ উদ্ধার করা হয়। পরিবারের দাবি, তার এমন মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে তারা কিছুই বুঝতে পারছেন না।
অন্যদিকে, একই দিনে ভোরে শহরের রসুলপুর এলাকায় আব্দুর রাজ্জাক (৪৮) নামে এক নৈশপ্রহরীর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করা হয়। তিনি কলারোয়া উপজেলার রামভদ্রপুর গ্রামের বাসিন্দা এবং দীর্ঘদিন ধরে ওই এলাকায় কেয়ারটেকার ও নৈশপ্রহরী হিসেবে কাজ করতেন।
স্বজনরা জানান, ভোররাতে সেহেরি করার পর একটি কক্ষে তাকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান স্থানীয়রা। পরে পুলিশে খবর দেওয়া হলে লাশ উদ্ধার করা হয়। প্রতিবেশীদের ধারণা, পারিবারিক বা ব্যক্তিগত কোনো সমস্যার কারণে এ ঘটনা ঘটে থাকতে পারে।
সাতক্ষীরা সদর থানার পরিদর্শক (অপারেশন্স) সুশান্ত ঘোষ জানান, লাশ দুটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। প্রাথমিকভাবে ঘটনাগুলো অপমৃত্যু বলে মনে হলেও প্রতিবেদন পাওয়ার আগে চূড়ান্ত মন্তব্য করা যাচ্ছে না। প্রতিটি ঘটনাই গুরুত্বসহকারে তদন্ত করা হচ্ছে বলে তিনি জানান।
পুলিশ ও পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, শহরের কাটিয়া এলাকায় নিজ বাসভবন থেকে ডা. সজীব দত্ত (২৭) নামে এক চিকিৎসকের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করা হয়। তিনি ঢাকা মেডিকেল কলেজ থেকে এমবিবিএস পাস করে ইন্টার্নশিপ সম্পন্ন করেন এবং উচ্চতর ডিগ্রি অর্জনের লক্ষ্যে লন্ডনে অবস্থান শেষে সম্প্রতি দেশে ফেরেন।
পরিবার জানায়, মঙ্গলবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে তিনি নিজ কক্ষে ঘুমাতে যান। পরদিন সকালে তার মা দরজা বন্ধ পেয়ে ডাকাডাকি করেও সাড়া না পেয়ে দরজার ফাঁক দিয়ে তাকিয়ে তাকে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান। পরে পুলিশে খবর দিলে লাশ উদ্ধার করা হয়। পরিবারের দাবি, তার এমন মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে তারা কিছুই বুঝতে পারছেন না।
অন্যদিকে, একই দিনে ভোরে শহরের রসুলপুর এলাকায় আব্দুর রাজ্জাক (৪৮) নামে এক নৈশপ্রহরীর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করা হয়। তিনি কলারোয়া উপজেলার রামভদ্রপুর গ্রামের বাসিন্দা এবং দীর্ঘদিন ধরে ওই এলাকায় কেয়ারটেকার ও নৈশপ্রহরী হিসেবে কাজ করতেন।
স্বজনরা জানান, ভোররাতে সেহেরি করার পর একটি কক্ষে তাকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান স্থানীয়রা। পরে পুলিশে খবর দেওয়া হলে লাশ উদ্ধার করা হয়। প্রতিবেশীদের ধারণা, পারিবারিক বা ব্যক্তিগত কোনো সমস্যার কারণে এ ঘটনা ঘটে থাকতে পারে।