নিজস্ব প্রতিবেদক
ঢাকা-টাঙ্গাইল-যমুনা সেতু মহাসড়কে পুরোদমে শুরু হয়েছে ঈদযাত্রা। যানবাহনের চাপ বৃদ্ধি পাচ্ছে ঘণ্টায় ঘণ্টায়। তবে যানবাহনের চাপ বাড়লেও সড়কে দীর্ঘসারি বা যানজটের সৃষ্টি হয়নি।
ঘরমুখো মানুষের নির্বিঘ্ন যাতায়াত নিশ্চিত করতে বরাবরের মতো এবারও নানা উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।
৮ শতাধিক পুলিশ মহাসড়কের দায়িত্ব পালন করছে। রাস্তায় কোন সড়ক দুর্ঘটনা এমনকি গাড়ি বিকল না হয়ে পড়লে সম্ভাবনা নেই বলে মনে করছে পুলিশ। টাঙ্গাইল পুলিশ সুপার মোহাম্মদ শামসুল আলম সরকার বলেছেন গাড়ির চাকা থামবে না। এদিকে টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক শরিফা হক মহাসড়ক পরিদর্শনে এসে বলেন ঘরমুখ মানুষের ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন করতে পুলিশের পাশাপাশি সেনাবাহিনীর সদস্যরা দায়িত্ব পালন করছে। এছাড়াও মোবাইল টিম ও মেডিকেল টিম কাজ করছে।
এদিকে গত ২৪ ঘণ্টায় যমুনা সেতুতে ৪৭ হাজারের বেশি যানবাহন পারাপার হয়েছে। এর আগের ২৪ ঘণ্টায় আর হয়েছিল ৩৫ হাজার ৬শর বেশি গাড়ি। স্বাভাবিক সময়ে যমুনা সেতুর উপর দিয়ে দিনের ১২ থেকে ১৫ হাজার গাড়ি পারাপার হয়ে থাকে। অর্থাৎ দুই থেকে তিন গুণ যানবাহন বৃদ্ধি পাচ্ছে প্রতিদিন এ মহাসড়কে।
যমুনা সেতু সাইট অফিসের নির্বাহী প্রকৌশলী সৈয়দ রিয়াজ উদ্দিন বলেন, যানজট নিরসনে যমুনা সেতু পূর্ব ও পশ্চিম উভয় অংশে আলাদা মোটরসাইকেলের লেনসহ ৯টি করে ১৮টি টোল বুথ স্থাপন স্থাপন করা হয়েছে। সেতুর উপর কোন দুর্ঘটনা ঘটলে সেই জন্য দুইটি রেকারের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।
ঘরমুখো মানুষের নির্বিঘ্ন যাতায়াত নিশ্চিত করতে বরাবরের মতো এবারও নানা উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।
৮ শতাধিক পুলিশ মহাসড়কের দায়িত্ব পালন করছে। রাস্তায় কোন সড়ক দুর্ঘটনা এমনকি গাড়ি বিকল না হয়ে পড়লে সম্ভাবনা নেই বলে মনে করছে পুলিশ। টাঙ্গাইল পুলিশ সুপার মোহাম্মদ শামসুল আলম সরকার বলেছেন গাড়ির চাকা থামবে না। এদিকে টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক শরিফা হক মহাসড়ক পরিদর্শনে এসে বলেন ঘরমুখ মানুষের ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন করতে পুলিশের পাশাপাশি সেনাবাহিনীর সদস্যরা দায়িত্ব পালন করছে। এছাড়াও মোবাইল টিম ও মেডিকেল টিম কাজ করছে।
এদিকে গত ২৪ ঘণ্টায় যমুনা সেতুতে ৪৭ হাজারের বেশি যানবাহন পারাপার হয়েছে। এর আগের ২৪ ঘণ্টায় আর হয়েছিল ৩৫ হাজার ৬শর বেশি গাড়ি। স্বাভাবিক সময়ে যমুনা সেতুর উপর দিয়ে দিনের ১২ থেকে ১৫ হাজার গাড়ি পারাপার হয়ে থাকে। অর্থাৎ দুই থেকে তিন গুণ যানবাহন বৃদ্ধি পাচ্ছে প্রতিদিন এ মহাসড়কে।
যমুনা সেতু সাইট অফিসের নির্বাহী প্রকৌশলী সৈয়দ রিয়াজ উদ্দিন বলেন, যানজট নিরসনে যমুনা সেতু পূর্ব ও পশ্চিম উভয় অংশে আলাদা মোটরসাইকেলের লেনসহ ৯টি করে ১৮টি টোল বুথ স্থাপন স্থাপন করা হয়েছে। সেতুর উপর কোন দুর্ঘটনা ঘটলে সেই জন্য দুইটি রেকারের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।