নিজস্ব প্রতিবেদক
বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, চীন আজ পর্যন্ত বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ কোনো বিষয়ে হস্তক্ষেপ করেনি। অনেকে বাংলাদেশকে কিছু না দিয়েই যখন-তখন হস্তক্ষেপ করে, কিন্তু চীন তা করে না। চীন অনবরত বন্ধুত্বের পরিচয় দিয়েই চলেছে। আরো বেশি উদ্যোগী হয়ে তারা বাংলাদেশের মানুষের কল্যাণে কাজ করবে বলে আশা করি।
তিনি মঙ্গলবার বেলা ১১টায় রাজধানীর মিরপুরে আদর্শ স্কুল মাঠে চীনের সহায়তায় অসহায় মানুষের মধ্যে ফুডপ্যাক বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন। এ সময় চীনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। এ সময় ঢাকা-১৫ নির্বাচনি এলাকার দরিদ্র সহস্রাধিক মানুষের মধ্যে এই ফুডপ্যাক বিতরণ করা হয়।
জামায়াত আমির বলেন, ‘এটা স্বল্প আয়ের প্রিয় ভাই-বোনদের জন্য সামান্য উপহার। এজন্য চীনা রাষ্ট্রদূতকে ধন্যবাদ জানাই। এর আগে গত বছর তিনি গাজীপুরে দিয়েছেন। এবার ঢাকা-১৫ আসনের মানুষের জন্য এগিয়ে এসেছেন। এই উপহার তাদের ঈদের দিনে একটু খুশির ঝিলিক এনে দিলে আমাদের জন্য বড় পাওয়া হবে। আমি আপনাদের কল্যাণের জন্য চিন্তা করি। সরকার আপনাদের জন্য যা দেবে, তা হুবহু পৌঁছে দেওয়ার চেষ্টা করব। এর সঙ্গে আমারা নিজেরাও কিছু করার চেষ্টা করব।’
তিনি বলেন, ‘চীনের সঙ্গে আমাদের কূটনৈতিক সম্পর্ক দীর্ঘ ৫০ বছরের। চীন বাংলাদেশের অন্যতম বৃহত্তম আন্তরিক পার্টনার। উন্নয়নের অংশীদার। তাদের অংশীদারিত্বে বাংলাদেশে অনেক বড় বড় প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠেছে।’
বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, ‘চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্র পুরোটাই চীনের অর্থায়নে বাংলাদেশের জন্য উপহার। বিগত ফ্যাসিস্ট আমলে এই বন্ধুত্বের নিদর্শনটা হাইজ্যাক হয়ে গিয়েছিল। তারা এই হলটার নাম বাপের নামে করেছিল। একটা দেশের উপহারের নাম-নিশানাই উঠিয়ে দেওয়া হয়। এটা চরম অকৃতজ্ঞতা। সারা বাংলাদেশকেই তারা এভাবে দখল করে নিয়েছিল।’
চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে আল্লাহ তাআলা সেটি দখলমুক্ত করেছেন। এ জন্য আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করি, একই সঙ্গে যাদের ত্যাগ ও কুরবানির মাধ্যমে দখলমুক্ত হয়েছে, তাদের প্রতি শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতা জানাই।
তিনি মঙ্গলবার বেলা ১১টায় রাজধানীর মিরপুরে আদর্শ স্কুল মাঠে চীনের সহায়তায় অসহায় মানুষের মধ্যে ফুডপ্যাক বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন। এ সময় চীনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। এ সময় ঢাকা-১৫ নির্বাচনি এলাকার দরিদ্র সহস্রাধিক মানুষের মধ্যে এই ফুডপ্যাক বিতরণ করা হয়।
জামায়াত আমির বলেন, ‘এটা স্বল্প আয়ের প্রিয় ভাই-বোনদের জন্য সামান্য উপহার। এজন্য চীনা রাষ্ট্রদূতকে ধন্যবাদ জানাই। এর আগে গত বছর তিনি গাজীপুরে দিয়েছেন। এবার ঢাকা-১৫ আসনের মানুষের জন্য এগিয়ে এসেছেন। এই উপহার তাদের ঈদের দিনে একটু খুশির ঝিলিক এনে দিলে আমাদের জন্য বড় পাওয়া হবে। আমি আপনাদের কল্যাণের জন্য চিন্তা করি। সরকার আপনাদের জন্য যা দেবে, তা হুবহু পৌঁছে দেওয়ার চেষ্টা করব। এর সঙ্গে আমারা নিজেরাও কিছু করার চেষ্টা করব।’
তিনি বলেন, ‘চীনের সঙ্গে আমাদের কূটনৈতিক সম্পর্ক দীর্ঘ ৫০ বছরের। চীন বাংলাদেশের অন্যতম বৃহত্তম আন্তরিক পার্টনার। উন্নয়নের অংশীদার। তাদের অংশীদারিত্বে বাংলাদেশে অনেক বড় বড় প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠেছে।’
বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, ‘চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্র পুরোটাই চীনের অর্থায়নে বাংলাদেশের জন্য উপহার। বিগত ফ্যাসিস্ট আমলে এই বন্ধুত্বের নিদর্শনটা হাইজ্যাক হয়ে গিয়েছিল। তারা এই হলটার নাম বাপের নামে করেছিল। একটা দেশের উপহারের নাম-নিশানাই উঠিয়ে দেওয়া হয়। এটা চরম অকৃতজ্ঞতা। সারা বাংলাদেশকেই তারা এভাবে দখল করে নিয়েছিল।’
চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে আল্লাহ তাআলা সেটি দখলমুক্ত করেছেন। এ জন্য আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করি, একই সঙ্গে যাদের ত্যাগ ও কুরবানির মাধ্যমে দখলমুক্ত হয়েছে, তাদের প্রতি শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতা জানাই।