মুসলিম বিশ্বকে খোলা চিঠি দিলেন ইরানি নিরাপত্তা প্রধান লারিজানি

আপলোড সময় : ১৭-০৩-২০২৬ ১১:২২:১৮ পূর্বাহ্ন , আপডেট সময় : ১৭-০৩-২০২৬ ১১:২২:১৮ পূর্বাহ্ন
নিজস্ব প্রতিবেদক
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের সঙ্গে চলমান যুদ্ধে মুসলিম বিশ্বের দেশগুলোকে পাশে থাকার আহ্বান জানিয়ে খোলা চিঠি দিয়েছেন ইরানের সর্বোচ্চ নিরাপত্তা সংস্থা সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের প্রধান আলী লারিজানি।
 
আরবি ভাষায় লেখা সেই খোলা চিঠিতে আলী লারিজানি বলেছেন, ‘মধ্যপ্রাচ্যে যে সংঘাত শুরু হয়েছে, তার একদিকে আছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল এবং অপরদিকে আছে প্রতিরোধী শক্তি। আপনারা সবাই জানেন যে, যুক্তরাষ্ট্র কারো প্রতি বিশ্বস্ত নয় এবং ইসরাইল আপনাদের শত্রু। এক মুহূর্তের জন্য থামুন এবং এই অঞ্চলের ভবিষ্যতের ব্যাপারটি চিন্তা করুন। ইরান সব সময়ই আপনাদের প্রতি আন্তরিক এবং কখনও আপনাদের ওপর আধিপত্য বিস্তার করতে চায় না।’

ইরান বর্তমানে ‘মার্কিন-জায়নবাদী আগ্রাসনের’ শিকার উল্লেখ করে লারিজানি বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল ইরানকে ধ্বংস করার লক্ষ্যে এই আগ্রাসী যুদ্ধ শুরু করেছে এবং এটা খুবই দুর্ভাগ্যজনক যে ইরানের এমন কঠিন সময়ে মুসলিম দেশগুলো খুবই সীমিতমাত্রায় সমর্থন দিচ্ছে। তবে এই যুদ্ধ আগ্রাসী শক্তিকে ভোগাবে। কারণ ইরানের সাহসী জনগণ এত সহজে ছাড় দেবে না। তারা শেষ পর্যন্ত লড়াই করবে।’

উল্লেখ্য, ইরানের পরমাণু প্রকল্প নিয়ে গত ৬ ফেব্রুয়ারি থেকে ২৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ২১ দিন ধরে সংলাপ চলে তেহরান এবং ওয়াশিংটনের মধ্যে। ২৭ ফেব্রুয়ারি কোনো প্রকার সমঝোতা চুক্তি ছাড়াই শেষ হয় সেই সংলাপ।

তার পরের দিন ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ শুরু করে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী। ওয়াশিংটনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে একই সময়ে ইরানে সামরিক অভিযান ‘অপারেশন রোয়ারিং লায়ন’ শুরু করে ইসরাইল।

হামলার পাল্টা জবাব হিসেবে ইসরাইল ও মধ্যপ্রাচ্যের উপসাগরীয় অঞ্চলের ৬ দেশ সৌদি আরব, কাতার, কুয়েত, বাহরাইন, সংযুক্তর আরব আমিরাত, ওমানে অবস্থিত মার্কিন সেনাঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে দফায় দফায় ড্রোন-ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করা শুরু করে ইরান, যা এখনও চলছে।

সম্পাদকীয় :

প্রকাশক ও সম্পাদক

মোঃ গোলাম মাওলা শাওন

মোবাইল : ০১৭১১-০০৬২১৪

অফিস :

প্রধান কার্যালয়


৩১/১ শরীফ কমপ্লেক্স দশম তলা পুরানা পল্টন ঢাকা ১০০০

মোবাইল : ০১৯৯৯-৯৫৩৯৭০

ই-মেইল : [email protected]