নিজস্ব প্রতিবেদক
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ম্যানেজিং কমিটির নির্বাচনের ক্ষেত্রে নতুন নীতি অনুযায়ী শিক্ষাগত যোগ্যতা শিথিলের কোনো সুযোগ নেই বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন।
তিনি বলেছেন, শিক্ষাগত যোগ্যতা শিথিলের কোনো রকম প্রশ্নই ওঠে না বরং শিক্ষাগত যোগ্যতা ধাপে ধাপে ঠিক আছে কি না, সেটা দেখা হবে। প্রথম যাচাই বাছাই করবে ইউএনও, তারপর করবে ডিসি, তারপর তিনটি নাম পাঠাবে স্ব–স্ব বোর্ডে।
শুক্রবার বিকেলে চাঁদপুরে নিজ নির্বাচনী এলাকা কচুয়ায় এক পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন তিনি।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, কয়েক ধাপে যাচাই–বাছাই করে উপযুক্ত ব্যক্তি শিক্ষিত, সমাজসেবী, শিক্ষানুরাগী কি না, সেটা আমরা চিন্তা করছি। অনেক ক্ষেত্রে যারা শিক্ষানুরাগী তাদের বিশেষ অবদান রয়েছে। এই অবদান যাদের রয়েছে বা যারা ডিপ্লোমাধারী ইঞ্জিনিয়ার, তারা তো ডিগ্রি পাস না। এই ধরনের যারা শিক্ষানুরাগী শিক্ষিত, তাদের কীভাবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সংযুক্ত করা যায়, সেই আলোচনা করেছি।
মন্ত্রী আরও বলেন, আলোচনা শেষে আমরা বলেছি, এমপি, প্রধানমন্ত্রী পর্যায়ে আমরা আলোচনা করব। তারপর আমরা সিদ্ধান্ত নেব,কীভাবে শিক্ষার মান উন্নয়নে ম্যানেজিং কমিটির গুরুত্ব আরও বাড়ে। কোথাও বলা হয় নাই শিক্ষাগত যোগ্যতা শিথিল করা হবে।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কচুয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাহমুদুল হাসান এবং সঞ্চালনায় ছিলেন একাডেমিক সুপার ভাইজার সোহেল রানা।
এ সময কেন্দ্রীয় বিএনপির মহিলা দলের সহ-সভানেত্রী নাজমুন নাহার বেবী, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোসাদ্দেক হোসেন, কচুয়া উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আলী আশ্রাফ, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা শাহীন আক্তার উপস্থিত ছিলেন।
তিনি বলেছেন, শিক্ষাগত যোগ্যতা শিথিলের কোনো রকম প্রশ্নই ওঠে না বরং শিক্ষাগত যোগ্যতা ধাপে ধাপে ঠিক আছে কি না, সেটা দেখা হবে। প্রথম যাচাই বাছাই করবে ইউএনও, তারপর করবে ডিসি, তারপর তিনটি নাম পাঠাবে স্ব–স্ব বোর্ডে।
শুক্রবার বিকেলে চাঁদপুরে নিজ নির্বাচনী এলাকা কচুয়ায় এক পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন তিনি।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, কয়েক ধাপে যাচাই–বাছাই করে উপযুক্ত ব্যক্তি শিক্ষিত, সমাজসেবী, শিক্ষানুরাগী কি না, সেটা আমরা চিন্তা করছি। অনেক ক্ষেত্রে যারা শিক্ষানুরাগী তাদের বিশেষ অবদান রয়েছে। এই অবদান যাদের রয়েছে বা যারা ডিপ্লোমাধারী ইঞ্জিনিয়ার, তারা তো ডিগ্রি পাস না। এই ধরনের যারা শিক্ষানুরাগী শিক্ষিত, তাদের কীভাবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সংযুক্ত করা যায়, সেই আলোচনা করেছি।
মন্ত্রী আরও বলেন, আলোচনা শেষে আমরা বলেছি, এমপি, প্রধানমন্ত্রী পর্যায়ে আমরা আলোচনা করব। তারপর আমরা সিদ্ধান্ত নেব,কীভাবে শিক্ষার মান উন্নয়নে ম্যানেজিং কমিটির গুরুত্ব আরও বাড়ে। কোথাও বলা হয় নাই শিক্ষাগত যোগ্যতা শিথিল করা হবে।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কচুয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাহমুদুল হাসান এবং সঞ্চালনায় ছিলেন একাডেমিক সুপার ভাইজার সোহেল রানা।
এ সময কেন্দ্রীয় বিএনপির মহিলা দলের সহ-সভানেত্রী নাজমুন নাহার বেবী, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোসাদ্দেক হোসেন, কচুয়া উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আলী আশ্রাফ, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা শাহীন আক্তার উপস্থিত ছিলেন।