নেপালে চিত্রায়িত হলো ‘প্রবাসীর ক্রেডিট কার্ড’

আপলোড সময় : ২৬-০২-২০২৬ ০৯:১৬:২৩ অপরাহ্ন , আপডেট সময় : ২৬-০২-২০২৬ ০৯:১৬:২৩ অপরাহ্ন
নিজস্ব প্রতিবেদক
জীবনকে রাঙিয়ে তুলতে বর্তমানে প্রায় সবাই কম-বেশি ক্রেডিট কার্ড ব্যবহার করেন। ক্রেডিট কার্ডের বিড়ম্বনায় পড়ে মানুষ কীভাবে ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে, এমনি এক গল্প নিয়ে সম্প্রতি নেপালের সৌন্দর্যমণ্ডিত বিভিন্ন লোকেশনে রাজীব মণি দাসের রচনা ও মো. ফাহাদের পরিচালনায় নির্মিত হলো ‘প্রবাসীর ক্রেডিট কার্ড’।

 
বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেছেন আ খ ম হাসান, শিবলী নোমান, সুমাইয়া অর্পা, প্রিসিলা ডি কস্টা, ফরিদ হোসেন প্রমুখ। ফাহাদ বলেন, ক্রেডিট কার্ড না বুঝে ব্যবহার করলে মানুষের যে কী ভয়ঙ্কর ক্ষতি হতে পারে, তা তিনি নিজেও জানেন না। ক্রেডিট কার্ড ব্যবহারের ক্ষেত্রে প্রত্যেককে যথেষ্ট সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। গল্পে ক্রেডিট কার্ডের সুফল ও কুফল দুদিকই দক্ষভাবে তুলে ধরার চেষ্টা করেছেন রচয়িতা।

 
রাজীব মণি দাস বলেন, ক্রেডিট কার্ড ব্যবহারকারী প্রত্যেক মানুষ কীভাবে যেন ঋণের মধ্যে আটকে যান, সেটা অনেক সময় মানুষ বুঝতেই পারে না। আর না বুঝে ক্রেডিট কার্ড ব্যবহারের কারণে অনেক সময় মানুষের জীবনে নেমে আসে বিষাদের কালো ছায়া।

গল্পে দেখা যায়, আমরা মনে করি ক্রেডিট কার্ড টাকা, মানে আমার নিজের টাকা! কিন্তু বাস্তবিক অর্থে সেটা ব্যাংকের টাকা। ব্যাংক ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে টাকা ধার দেয় গ্রাহককে, তার বিনিময়ে শর্ত জুড়ে দেয় অনেকগুলো। গ্রাহক অনেক সময় সেসব শর্তের তোয়াক্কা না করেই ক্রেডিট কার্ডের শর্ত ভঙ্গ করে তা ব্যবহার করতে থাকে। যার ফলে ইন্টারেস্ট বাড়ে ব্যাংকের নিয়ম অনুসারে, যা কি-না গ্রাহক কোনোদিন চিন্তাও করতে পারে না। কথায় আছে, ভাবিয়া করিও কাজ, করিয়া ভাবিও না। এমনই গল্প নিয়ে এগিয়ে যায় ‘প্রবাসীর ক্রেডিট কার্ড’ গল্পের প্রত্যেকটি চরিত্র।

সম্পাদকীয় :

প্রকাশক ও সম্পাদক

মোঃ গোলাম মাওলা শাওন

মোবাইল : ০১৭১১-০০৬২১৪

অফিস :

প্রধান কার্যালয়


৩১/১ শরীফ কমপ্লেক্স দশম তলা পুরানা পল্টন ঢাকা ১০০০

মোবাইল : ০১৯৯৯-৯৫৩৯৭০

ই-মেইল : [email protected]