বাংলাদেশ থেকে খালি চোখে এক সারিতে দেখা যাবে ৬ গ্রহ

আপলোড সময় : ২৬-০২-২০২৬ ১১:৫৯:৪৪ পূর্বাহ্ন , আপডেট সময় : ২৬-০২-২০২৬ ১১:৫৯:৪৪ পূর্বাহ্ন

 

নিজস্ব প্রতিবেদক

মহাজাগতিক এক বিরল দৃশ্যের সাক্ষী হতে যাচ্ছে বিশ্ববাসী। মহাকাশে এক সারিতে আসবে সৌরজগতের ৬টি গ্রহ। খালি চোখেই তার বেশিরভাগটা দেখতে পাবেন মানুষ। যন্ত্রের সাহায্য নিলে পুরো দৃশ্যই ঝকঝকে হয়ে উঠবে চোখের সামনে।

 

শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) সূর্যাস্তের পর আকাশে এক সারিতে দেখা যাবে এই দৃশ্য। জ্যোতির্বিদরা একে বলছেন ‘প্ল্যানেট প্যারেড’ বা গ্রহসমাবেশ। বাংলাদেশ থেকেও খালি চোখে এর বেশিরভাগ অংশ উপভোগ করা যাবে।

 

বিশেষজ্ঞদের মতে, সূর্যাস্তের প্রায় ৩০ থেকে ৪৫ মিনিটের মধ্যে পশ্চিম আকাশে সারিবদ্ধভাবে দৃশ্যমান হবে বুধ, শুক্র, বৃহস্পতি, শনি, ইউরেনাস ও নেপচুন। আকাশের তুলনামূলক সংকীর্ণ অংশে এদের অবস্থানই তৈরি করবে দৃষ্টিনন্দন এই গ্রহশোভাযাত্রা।

 

জ্যোতির্বিদদের ভাষ্য, শুক্র, বৃহস্পতি ও শনিকে সহজেই খালি চোখে দেখা যাবে। বুধ পশ্চিম দিগন্তের খুব নিচুতে অবস্থান করবে, ফলে পরিষ্কার দিগন্তরেখা না থাকলে এটি দেখা কঠিন হতে পারে। অন্যদিকে ইউরেনাস ও নেপচুন দেখতে দূরবীন বা ছোট টেলিস্কোপের প্রয়োজন হবে।

 

বৃহস্পতি তুলনামূলক উজ্জ্বল হয়ে আকাশের বিপরীত প্রান্তে দৃশ্যমান হবে। শনি অবস্থান করবে শুক্র ও বৃহস্পতির মাঝামাঝি। সূর্যাস্তের পর অল্প সময়ের মধ্যেই কয়েকটি গ্রহ ধীরে ধীরে দিগন্তের নিচে নেমে যাবে।

 

বিজ্ঞানীরা বলছেন, এই বিন্যাস মূলত একটি দৃশ্যমান প্রভাব। বাস্তবে গ্রহগুলো একে অপরের থেকে লক্ষ-কোটি কিলোমিটার দূরে অবস্থান করে। তবে পৃথিবী থেকে দেখলে মনে হবে তারা একই সরলরেখায় অবস্থান করছে।

 

উল্লেখ্য, এর আগে ২০২৫ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি সাতটি গ্রহ- বুধ, শুক্র, মঙ্গল, বৃহস্পতি, শনি, ইউরেনাস ও নেপচুন-এক লাইনে দেখা গিয়েছিল। জ্যোতির্বিদদের মতে, এ ধরনের পূর্ণাঙ্গ সমাবেশ ২০৪০ সালের আগে আর দেখা যাবে না।

 

উত্তর গোলার্ধে অবস্থানকারী দেশগুলো থেকে এ দৃশ্য তুলনামূলকভাবে বেশি স্পষ্ট দেখা যাবে বলে আশা করা হচ্ছে।

 

সম্পাদকীয় :

প্রকাশক ও সম্পাদক

মোঃ গোলাম মাওলা শাওন

মোবাইল : ০১৭১১-০০৬২১৪

অফিস :

প্রধান কার্যালয়


৩১/১ শরীফ কমপ্লেক্স দশম তলা পুরানা পল্টন ঢাকা ১০০০

মোবাইল : ০১৯৯৯-৯৫৩৯৭০

ই-মেইল : [email protected]