‘বিপদ কেটে যাওয়ায় আমরা আবার অহংকারী হয়ে গেছি’

আপলোড সময় : ২১-০২-২০২৬ ১২:১৮:৪৭ অপরাহ্ন , আপডেট সময় : ২১-০২-২০২৬ ১২:১৮:৪৭ অপরাহ্ন

নিজস্ব প্রতিবেদক

বাংলা গানের ‘যুবরাজ’ খ্যাত জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী আসিফ আকবর। সমসাময়িক ইস্যুতে নিজের মন্তব্য তুলে ধরেন তিনি। এবার তিনই দেশের সাংস্কৃতিক অঙ্গন এবং সংগীতশিল্পীদের সামাজিক নিরাপত্তাহীনতা নিয়ে হতাশা প্রকাশ করেছেন। 

 

শুক্রবার এক ফেসবুক পোস্টে আসিফ করোনাকালীন তিক্ত অভিজ্ঞতা এবং বর্তমান ইন্ডাস্ট্রির দুরবস্থার কথা উল্লেখ করে লেখেন, ‘পবিত্র রমজান মাস এলেই করোনাকালীন যন্ত্রনা তাড়িয়ে বেড়ায়। এমনিতেই বাংলাদেশের সমস্ত সমস‍্যা প্রতিফলিত হয় সংস্কৃতি অঙ্গনে, প্রথম চালানেই বন্ধ হয় সংগীতের কার্যক্রম।

 

এই দেশে শিল্পীদের রাষ্ট্রীয়ভাবে সামাজিক নিরাপত্তা প্রাপ্তির কোনো অপশন নেই। ব‍্যাংক লোন দেয় না। বাড়ীওয়ালা দেয় না বাসা ভাড়া। তবূও থেমে নেই চর্চা, চলছে পেশা নিয়ে টিকে থাকার যুদ্ধ।’

 

করোনার সেই দুঃসময়ের স্মৃতিচারণ করে তিনি লেখেন, ‘করোনার সময় আমরা রেকর্ডিং করতাম মোবাইল ফোনে। স্টুডিও বন্ধ, টেকনিশিয়ান নাই, সব কাজ হতো বাসায় অবস্থান করেই। নিরাপত্তা আতঙ্কে মিউজিশিয়ানরা কেউ চলে গেছেন শহর ছেড়ে, কেউ প্রবাসে, কেউ বদলে ফেলেছেন পেশা। তবুও শুকরিয়া- ধ্রুব গুহ দাদার মত দুই-একজন বোকা প্রডিউসার ছিলেন আমাদের পাশে।’ 

 

দেশের বর্তমান মিউজিক ইন্ডাস্ট্রি নিয়ে আসিফ বলেন, ‘এখন দেশে মিউজিক বা ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রি বলে কিছু নেই। আছে সেগুলোর কঙ্কালসার অবয়ব। এই অবয়ব দিয়ে ল‍্যাবেও (গবেষণা) কাজ হবে না।’

 

সরকার পরিবর্তনের সাথে সাথে একদল ‘চাটুকার’ শ্রেণির উত্থান-পতনকে তিনি ‘টম অ্যান্ড জেরি’ গল্পের সাথে তুলনা করেছেন। আসিফের কথায়, ‘যেভাবে সরকার যায় সরকার আসে, ঠিক সেভাবেই চাটুকারের দল যায়, চাটুকারের দল আসে। একঘেয়ে গালভরা বুলি আর স্বপ্ন পোড়া ছাই।

 

এই টম এন্ড জেরির গল্প যেন শেষ হবার নয়! করোনা শিক্ষা আর আতঙ্ক নিয়ে এসেছিল, চলেও গেছে। আমরা সব ভুলে যাই বরাবরের মতো, বিপদ কেটে যাওয়ায় আবারও হয়ে গেছি অহংকারী। সংস্কৃতিকর্মীদের নিজেদের স্বার্থপরতায় প্রতি পদে পদে নিহত হয় সম্ভাবনা। আর সাংস্কৃতিক বলয়ে ছড়ি ঘোরায় অভিশপ্ত পদাতিক।’  

 

সম্পাদকীয় :

প্রকাশক ও সম্পাদক

মোঃ গোলাম মাওলা শাওন

মোবাইল : ০১৭১১-০০৬২১৪

অফিস :

প্রধান কার্যালয়


৩১/১ শরীফ কমপ্লেক্স দশম তলা পুরানা পল্টন ঢাকা ১০০০

মোবাইল : ০১৯৯৯-৯৫৩৯৭০

ই-মেইল : [email protected]