সিলেট প্রতিনিধি:
১. ধর্মীয় পরিচয়ের ভিত্তিতে দেশকে আর বিভক্ত হতে দেওয়া হবে না।
২. বৈষম্যহীন রাষ্ট্র গঠনের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
৩. মেধাভিত্তিক সমাজ ও রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার কথা বলেন।
৪. সব ধর্মের মানুষের সমান অধিকার নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতি দেন।
৫. দেশে সন্ত্রাস ও দুর্নীতি বেড়েছে বলে মন্তব্য করেন।
৬. এসব সমস্যার জন্য পূর্ববর্তী শাসকদের দায়ী করেন।
৭. ক্ষমতায় গেলে দুর্নীতি ও চাঁদাবাজি বন্ধ করা হবে বলে জানান।
৮. চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দেন।
৯. স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার কথা বলেন।
১০. প্রতি বছর আয়-ব্যয়ের হিসাব জনগণের কাছে দেওয়ার অঙ্গীকার করেন।
১১. রাজনীতিকে পেশা নয়, জনগণের সেবার কর্তব্য হিসেবে উল্লেখ করেন।
১২. রাজনীতিকে পেশা বানানো এক শ্রেণির মানুষ দুর্নীতিতে জড়িত বলে দাবি করেন।
১৩. নির্বাচনের আগে দেওয়া প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের গুরুত্ব তুলে ধরেন।
১৪. নারী ও মায়েদের প্রতি দুর্ব্যবহারের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের কথা জানান।
১৫. বৈষম্য দূর করতে সৎ নেতৃত্বের প্রয়োজনীয়তার কথা বলেন।
১৬. হবিগঞ্জের ঐতিহাসিক চা-বাগান আধুনিকায়নের পরিকল্পনা তুলে ধরেন।
১৭. চা-শিল্প উন্নয়নের মাধ্যমে স্থানীয় অর্থনীতি শক্তিশালী করার কথা বলেন।
১৮. কর্মসংস্থান বাড়াতে উন্নয়নমূলক উদ্যোগ নেওয়ার আশ্বাস দেন।
১৯. জনগণের অধিকার রক্ষাকে রাজনৈতিক দায়িত্ব হিসেবে উল্লেখ করেন।
২০. অসৎ রাজনীতির কারণে সাধারণ মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন হয়নি বলে মন্তব্য করেন।
২১. সবার অংশগ্রহণে সুস্থ রাজনৈতিক পরিবেশ গড়ার অঙ্গীকার করেন।
২২. দেশের ১৮ কোটি মানুষের স্বার্থকে অগ্রাধিকার দেওয়ার কথা বলেন।
২৩. টাকার বিনিময়ে আর বিচার হবে না বলে মন্তব্য করেন।
২৪. ইলেকশনের আগে ভাই ভাই পরে শালার মর্যাদাও কেউ দেয় না বলে মন্তব্য করেন।
২৫. আমরা সরকারি গাড়ি, প্লট নিব না
২৬. আমি শুনেছি হবিগঞ্জ সন্ত্রাস কবলিত, ১২ তারিখের পর থাকবে না, আমাদের ভোট দিন
২৭। আমাদের যারা নির্বাচিত হবেন, প্রতি বছর তাদের ও তাদের পরিবারের সম্পদের হিসাব দিতে হবে।
২৮. ট্যাক্সমুক্ত গাড়ী নিব না, পারলে রিকশায় যাব, না হলে হেটে যাব।
২৯. হবিগঞ্জে বিশ্ববিদ্যালয় হয়েছে, তবে এতিম অবস্থা বলে মন্তব্য করেন।
৩০. হবিগঞ্জের সাথে সৎ মায়ের মতো আচরণ করা হয়েছে বিভিন্ন সময় এমন মন্তব্য করেন জামায়াত আমির।