নিজস্ব প্রতিবেদক
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার কসবা উপজেলার কুটি ইউনিয়নে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামের মনোনীত ও ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্য সমর্থিত সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী মো. আতাউর রহমান সরকারের দাঁড়িপাল্লা মার্কার সমর্থনে বিশাল জনসভা অনুষ্ঠিত হয়।
উক্ত নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-০৪ (কসবা-আখাউড়া ) আসনের ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্য সমর্থিত ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত এমপি পদপ্রার্থী মো.আতাউর রহমান সরকার।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, জেলা জামায়াতের সাবেক নায়েবে আমীর কাজী ইয়াকুব আলী, কসবা উপজেলা আমীর অধ্যক্ষ ফরিদ উদ্দিন আহমেদ, সাবেক উপজেলা সেক্রেটারি মুন্সীজাদা বরকতুল্লাহ, উপজেলা প্রচার-মিডিয়া সেক্রেটারি কবির আহমেদ, ওমর ফারুক সরকার, সাবেক কাউন্সিলর নুরুল ইসলাম, শিবির নেতা সাইফুল্লাহ আল আরিফ, সাবেক শিবির নেতা আমীর হোসেন, এনসিপি নেতা এম এ বাতেন।
নির্বাচন পরিচালনা কমিটির পরিচালক হযরত মাওলানা গোলাম মাওলার সভাপতিত্বে এবং সেক্রেটারি মোঃ হাসনাত জামানের সঞ্চালনায় এতে বক্তব্য রাখেন মাওলানা আব্দুল মতিন, ডা. রেজাউল করিম, হাসানুজ্জামান। আতাউর রহমান সরকার বলেন, আমাদেরকে ইট পাটকেল নিক্ষেপ করে থামানো যাবেনা।
এই তরুণ প্রজন্ম আজাদী সংগ্রাম শিখে গিয়েছে। স্বাধীনতার ৫৪ বছর পরে এসেও যারা গণতন্ত্রের এই ধারা বন্ধ করতে চায় তাদের জবাব ১২ তারিখ জনগণ ব্যালটের মাধ্যমে দিবে। শহীদ শরীফ ওসমান হাদী আমাদের যে আজাদীর লড়াই শিখিয়ে গিয়েছিলেন আমরা সেই লড়াই অব্যাহত রাখবো।
এছাড়াও তিনি আরো বলেন, গত কয়েকদিন যাবত আমাদের কর্মীদের উপর যেসব বাধা প্রদানসহ বিভিন্ন হামলা চলছে সেটাতে আমরা নির্বাচনে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড দেখতে পারছি না।
তবে আমরা আশা রাখি প্রশাসন খুব দ্রুতই এর বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। আমরা ২৪ ঘন্টার মধ্যে আইনের সঠিক প্রয়োগ দেখতে চাই। আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে আইনের কোন সঠিক ব্যবস্থাপনা না দেখতে পেলে আমরা এর বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে বাধ্য হব।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার কসবা উপজেলার কুটি ইউনিয়নে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামের মনোনীত ও ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্য সমর্থিত সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী মো. আতাউর রহমান সরকারের দাঁড়িপাল্লা মার্কার সমর্থনে বিশাল জনসভা অনুষ্ঠিত হয়।
উক্ত নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-০৪ (কসবা-আখাউড়া ) আসনের ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্য সমর্থিত ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত এমপি পদপ্রার্থী মো.আতাউর রহমান সরকার।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, জেলা জামায়াতের সাবেক নায়েবে আমীর কাজী ইয়াকুব আলী, কসবা উপজেলা আমীর অধ্যক্ষ ফরিদ উদ্দিন আহমেদ, সাবেক উপজেলা সেক্রেটারি মুন্সীজাদা বরকতুল্লাহ, উপজেলা প্রচার-মিডিয়া সেক্রেটারি কবির আহমেদ, ওমর ফারুক সরকার, সাবেক কাউন্সিলর নুরুল ইসলাম, শিবির নেতা সাইফুল্লাহ আল আরিফ, সাবেক শিবির নেতা আমীর হোসেন, এনসিপি নেতা এম এ বাতেন।
নির্বাচন পরিচালনা কমিটির পরিচালক হযরত মাওলানা গোলাম মাওলার সভাপতিত্বে এবং সেক্রেটারি মোঃ হাসনাত জামানের সঞ্চালনায় এতে বক্তব্য রাখেন মাওলানা আব্দুল মতিন, ডা. রেজাউল করিম, হাসানুজ্জামান। আতাউর রহমান সরকার বলেন, আমাদেরকে ইট পাটকেল নিক্ষেপ করে থামানো যাবেনা।
এই তরুণ প্রজন্ম আজাদী সংগ্রাম শিখে গিয়েছে। স্বাধীনতার ৫৪ বছর পরে এসেও যারা গণতন্ত্রের এই ধারা বন্ধ করতে চায় তাদের জবাব ১২ তারিখ জনগণ ব্যালটের মাধ্যমে দিবে। শহীদ শরীফ ওসমান হাদী আমাদের যে আজাদীর লড়াই শিখিয়ে গিয়েছিলেন আমরা সেই লড়াই অব্যাহত রাখবো।
এছাড়াও তিনি আরো বলেন, গত কয়েকদিন যাবত আমাদের কর্মীদের উপর যেসব বাধা প্রদানসহ বিভিন্ন হামলা চলছে সেটাতে আমরা নির্বাচনে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড দেখতে পারছি না।
তবে আমরা আশা রাখি প্রশাসন খুব দ্রুতই এর বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। আমরা ২৪ ঘন্টার মধ্যে আইনের সঠিক প্রয়োগ দেখতে চাই। আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে আইনের কোন সঠিক ব্যবস্থাপনা না দেখতে পেলে আমরা এর বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে বাধ্য হব।