রানা ইসলাম বদরগঞ্জ রংপুর
জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কমিটির নায়েবে আমির মজলুম জননেতা এটিএম আজহারুল ইসলাম বলেছেন, যারা ভোট কেন্দ্র ব্যালট বাক্স ছিনতাই করতে আসবে তাদের জীবন দিয়ে হলে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে। তারা ক্ষমতার লোভে বলে বেড়াচ্ছেন দুর্নীতিকে গলা টিপে হত্যা করা হবে। বেকারদের ভাতা দেওয়া হবে না ভাতা দিলে তারা অলস হয়ে যাবে।তাদের জন্য কর্মসংস্থান করে দেওয়া হবে।
এদেশে আর কখনো দুর্নীতি হবে না। তাদের এই কথাগুলো শুধুমাত্র ভোট নেওয়ার কৌশল। তাদের এই মিষ্টি কোথায় এবং মিথ্যা প্রতিশ্রুতিতে ভুলে গেলে চলবে না। কারণ তারা ইতিপূর্বে কয়েকবার দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল। দুর্নীতি করার কারণে তাদের সাজা হয়েছিল। তারা আর দুর্নীতি থেকে কখনো বেরিয়ে আসতে পারবে না। তারা দুর্নীতিতে নিমজ্জিত।
এদেশে আর কখনো দুর্নীতি হবে না। তাদের এই কথাগুলো শুধুমাত্র ভোট নেওয়ার কৌশল। তাদের এই মিষ্টি কোথায় এবং মিথ্যা প্রতিশ্রুতিতে ভুলে গেলে চলবে না। কারণ তারা ইতিপূর্বে কয়েকবার দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল। দুর্নীতি করার কারণে তাদের সাজা হয়েছিল। তারা আর দুর্নীতি থেকে কখনো বেরিয়ে আসতে পারবে না। তারা দুর্নীতিতে নিমজ্জিত।
রংপুরের বদরগঞ্জ উপজেলার পৌরশহরে শাহপুর মাঠে ২৭ জানুয়ারী দুপুর ২ টায় অনুষ্ঠিত জামায়াতে ইসলামী নির্বাচনী যুবসমাবেশে সভায় প্রধান অতিথিরবক্তব্যে তিনি একথা বলেন।
তিনি বলেন, আমাদের দুজন মন্ত্রী ছিল শহীদ মাওলানা মতিউর রহমান নিজামী এবং আলী আহসান মো: মুজাহিদ।
তারা দুটি মন্ত্রণালয় চালিয়েছেন সেখানে একটি টাকার দুর্নীতি তারা করেননি। আওয়ামী লীগ সরকার তাদেরকে মিথ্যা ভাবে ফাঁসি দিলেও তাদের দুটি মন্ত্রণালয় থেকে একটি টাকার দুর্নীতি বের করতে পারেনি। আজ পর্যন্ত দুর্নীতি দমন কমিশনের কোন কর্মকর্তা জামাতের কোন নেতার বিরুদ্ধে দুর্নীতির কোন অভিযোগ তুলতে পারেনি। যারা আজকে দুর্নীতিমুক্ত দেশ গড়ার কথা বলে জনগণের কাছে ভোট চাচ্ছে তারাই আসলে দুর্নীতিবাজ।
এটিএম আজহার বলেন, গেলো ১৪ বছর বিনা দোষে বিনা কারণে জেলখানার অন্ধকার কুটিরে আমাকে ফাঁসির কাষ্ঠে বন্দী করে রাখা হয়েছিল। মহান আল্লাহর রহমতে আপনাদের দোয়া ও ভালবাসায় এবং ২৪ শে জুলাই ছাত্র-জনতার আন্দোলনে ও তাদের রক্তের বিনিময়ে আজকে আমি আপনাদের মাঝে ফিরে এসেছি। ইতিপূর্বে আপনারা আপনাদের অধিকার প্রয়োগ করতে পারেননি।দেশের মানুষ প্রকৃত অর্থে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেনি। অনেক ভোটার ভোটকেন্দ্রে গিয়ে দেখেছেন, তাঁদের ভোট আগেই দেওয়া হয়ে গেছে। দিনের ভোট রাতে শেষ হয়ে যাওয়ার মতো ঘটনাও ঘটেছে। আগামীতে এমন আর ঘটবে না।
এটিএম আজহারুল ইসলাম আরও বলেন, এবারের নির্বাচন জনগণের জন্য নিজের ভাগ্য নিজেই নির্ধারণ করার সুযোগ।
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ক্ষমতায় এলে রিলিফ স্লিপের সংস্কৃতি কমিয়ে আনা হবে। মানুষকে ত্রাণনির্ভর না করে টেকসই কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা হবে, যাতে তারা সম্মানের সঙ্গে জীবিকা নির্বাহ করতে পারে।
তিনি উপস্থিত জনগণের প্রতি দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ভোট দিয়ে দেশ ও দশের কল্যাণ নিশ্চিত করার আহ্বান জানান। পাশাপাশি তিনি গণভোটের গুরুত্ব তুলে ধরে সবাইকে একই দিনে হ্যা ভোট প্রদানে অংশ নেওয়ার আহ্বান জানান। যুব সমাবেশে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যের পর বদরগঞ্জ পৌরশহরে প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে। বদরগঞ্জ উপজেলা জামায়াতে ইসলামী কামরুজ্জামান, নায়েবে আমির শাহ মো: রুস্তম আলী এবং সেক্রেটারি মাওলানা মিনহাজুল ইসলামসহ ১১ দলীয় জোটের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ সভায় বক্তব্য রাখেন। জনসভায় বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের উপস্থিত ছিল।