স্টাফ রিপোর্টারঃ
নেত্রকোনা-৩ (কেন্দুয়া-আটপাড়া) আসনে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী ছিলেন মোট ৮ জন নেতা। মনোনয়ন পেতে প্রত্যেকেই কেন্দ্রীয় পর্যায়ে ব্যাপক দৌড়ঝাপ চালান। শেষ পর্যন্ত দলীয় সিদ্ধান্তে জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ড. রফিকুল ইসলাম হিলালীকে এ আসনের প্রার্থী হিসেবে চূড়ান্ত করা হয়।
মনোনয়ন ঘোষণার পরপরই বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা সৈয়দ আলমগীর খসরু প্রকাশ্যে ড. হিলালীর প্রতি সমর্থন জানান এবং তার কর্মী-সমর্থকদের ধানের শীষের পক্ষে কাজ করতে নির্দেশ দেন। তবে মনোনয়ন বঞ্চিত অন্য সাত নেতার মধ্যে কেবল দেলোয়ার হোসেন ভূইয়া দুলাল স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন।
অন্যদিকে মনোনয়ন বঞ্চিতদের বেশিরভাগকেই এখন পর্যন্ত নির্বাচনী মাঠে সক্রিয় হতে দেখা যাচ্ছে না। যাদের মাঠে অনুপস্থিতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে তারা হলেন-কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক দলের সহ-সভাপতি ডি জেড এম হাসান বিন শফিক সোহাগ, কেন্দ্রীয় বিএনপির সাবেক সহ-ক্রীড়া সম্পাদক রায়হান আমিন তালুকদার রনি, যুক্তরাজ্য বিএনপি নেতা মেজর (অব.) সৈয়দ আবু বকর সিদ্দিক, শিল্পপতি ও রোটারিয়ান এম. নাজমুল হাসান এবং শিল্পপতি ইঞ্জিনিয়ার মো. মোস্তাফা-ই-জামান সেলিম, সিআইপি।
নির্বাচনের দিন যতই ঘনিয়ে আসছে, দলীয় প্রার্থীর প্রচারণা ততই জোরদার হচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে মনোনয়ন বঞ্চিত নেতাদের নিষ্ক্রিয়তা নিয়ে জনমনে নানা আলোচনা-সমালোচনা চলছে। তবে এসব মনোনয়ন বঞ্চিতদের মান অভিমান না ভাঙলেও তাদের অনুসারীরা ধানের বিজয়ের লক্ষে ব্যাপক তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছেন।
স্থানীয়ভাবে গুঞ্জন রয়েছে, মনোনয়ন বঞ্চিতদের কেউ কেউ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে দলীয় প্রার্থীর বিরোধিতা ও অন্য প্রার্থীর পক্ষে কাজ করার পরিকল্পনাও করছেন। যদিও মাঠপর্যায়ের কিছু নেতাকর্মী দাবি করছেন, মনোনয়ন বঞ্চিতরা বিএনপির পক্ষেই রয়েছেন-তবে বাস্তব চিত্র ভিন্ন বলেই মনে করছেন অনেকে।