মোঃ মোকাদ্দেস হোসাইন সোহান, রায়গঞ্জ, সিরাজগঞ্জ:
সিরাজগঞ্জ জেলার রায়গঞ্জে গত কয়েকদিনের তীব্র শীতে বেড়েছে ফুটপাতে গরম কাপড় কেনাকাটার ধুম। পৌষ মাসের শুরু থেকেই বেড়েছে শীতের তীব্রতা। তীব্র শীতের সাথে বেড়েছে ঘন কুয়াশা ও হিমেল হাওয়া। এই শীতের তীব্রতায় উপজেলার বিভিন্ন হাট বাজারের ফুটপাতের দোকান গুলোতে বেড়েছে গরম কাপড়ের কেনাকাট।
নিম্ন মধ্যবিত্ত থেকে শুরু করে প্রায় সকল পেশার মানুষ ফুটপাতের দোকানগুলো থেকে শীত নিবারণের জন্য গরম কাপড় কেনাকাটা করছেন। উপজেলার নিমগাছি, চান্দাইকোনা, ধানগড়া ও পাঙ্গাসী এলাকার ফুটপাতের দোকানগুলো ঘুরে দেখা গেছে গরম কাপড়ের জমজমাট কেনাকাটা। উপজেলার পাঙ্গাসী বাজার সিএনজি স্টেশন এলাকার কয়েকজন ব্যবসায়ীর সাথে কথা হলে তারা জানান, প্রতি শনিবার ও মঙ্গলবার হাটবারে জমজমাট কেনাবেচা করার সুযোগ হয়ে থাকে তাদের।
তবে অন্যান্য দিনে তেমন বেচাকেনা হয় না। এদিকে উপজেলার গোতগাতি গ্রামের লুৎফর রহমান নামের এক ব্যক্তির সাথে কথা হলে তিনি জানান, আমাদের মত গরিবদের বেশি দামের শীতের পোশাক কেনার মত সামর্থ্য নেই। তাই ফুটপাতের দোকান গুলোই আমাদের একমাত্র ভরসা। এদিকে শীতের তীব্রতা আপাতত কমছে না বলেই জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।
নিম্ন মধ্যবিত্ত থেকে শুরু করে প্রায় সকল পেশার মানুষ ফুটপাতের দোকানগুলো থেকে শীত নিবারণের জন্য গরম কাপড় কেনাকাটা করছেন। উপজেলার নিমগাছি, চান্দাইকোনা, ধানগড়া ও পাঙ্গাসী এলাকার ফুটপাতের দোকানগুলো ঘুরে দেখা গেছে গরম কাপড়ের জমজমাট কেনাকাটা। উপজেলার পাঙ্গাসী বাজার সিএনজি স্টেশন এলাকার কয়েকজন ব্যবসায়ীর সাথে কথা হলে তারা জানান, প্রতি শনিবার ও মঙ্গলবার হাটবারে জমজমাট কেনাবেচা করার সুযোগ হয়ে থাকে তাদের।
তবে অন্যান্য দিনে তেমন বেচাকেনা হয় না। এদিকে উপজেলার গোতগাতি গ্রামের লুৎফর রহমান নামের এক ব্যক্তির সাথে কথা হলে তিনি জানান, আমাদের মত গরিবদের বেশি দামের শীতের পোশাক কেনার মত সামর্থ্য নেই। তাই ফুটপাতের দোকান গুলোই আমাদের একমাত্র ভরসা। এদিকে শীতের তীব্রতা আপাতত কমছে না বলেই জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।