পিবিআইয়ের মিথ্যা প্রতিবেদনে সাংবাদিক কারাগারে সাংবাদিকদের ক্ষোভ

আপলোড সময় : ০৪-০১-২০২৬ ০৪:৫০:০৭ অপরাহ্ন , আপডেট সময় : ০৪-০১-২০২৬ ০৪:৫০:০৭ অপরাহ্ন
 
মাহাবুব আলম, রাণীশংকৈল(ঠাকুরগাঁও)প্রতিনিধি:
 
 
ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল প্রেসক্লাব সভাপতি আশরাফুল আলমের বিরুদ্ধে কৃষকদল নেতার বানোয়াট মামলায় মনগড়া ও মিথ্যা প্রতিবেদনের কারণে সাংবাদিক কারাগারে যাওয়ায় ঠাকুরগাঁও পুলিশ বুরো ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) এর তদন্ত কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করেছে প্রেসক্লাবের সাংবাদিকরা।
 
 
গত শনিবার( ৩ জানুয়ারী) সন্ধায় রাণীশংকৈল প্রেসক্লাবে এক সাধারণ সভায় ক্ষোভ প্রকাশ করে প্রেসক্লাবের সদস্যরা। সভায় প্রেসক্লাব সভাপতি আশরাফুল আলমের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন, সহ-সভাপতি মাসুদ রানা পলক, সম্পাদক খুরশিদ আলম শাওন,সাংবাদিক ছবি কান্তদেব,আনিসুর রহমান বাকি,মোবারক আলী,ফারুক আহাম্মদ,বিপ্লব, বিজয় রায়,সবুজ ইসলাম, নাজমুল হোসেন, আব্দুল্লাহ আল নোমান। 
 
 
জানাযায়, প্রেসক্লাব সভাপতি আশরাফুল ও তার ভাই খাইরুল,সাংবাদিক আবুল কালাম আজাদকে জড়িয়ে কৃষকদল নেতা মাসুদ রানা একটি চাদাবাজি ছিনতাই মামলা করেন। সে মামলায় পিবিআই মিথ্যা প্রতিবেদন দেয়। আদালতে আসামি পক্ষ জামিনের আবেদন করলে আদালত সাংবাদিকে জেল হাজতে প্রেরণ করেন।
 
 
সাংবাদিকরা বলেন, মিথ্যা প্রতিবেদন দিয়ে সাংবাদিককে কারাগারে পাঠানো পিবিআই’র কর্মকর্তা ঠিক করেননি। এর আগে রাণীশংকৈল উপজেলা কৃষকদলের সহ-সভাপতি মাসুদ রানার হঠাৎ করে কোটিপতি বনে যাওয়ার বিষয়ে রাণীশংকৈল উপজেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভায় আলোচনা হয়। এর পেক্ষিতে সাংবাদিকরা অনুসন্ধানসহ তার বক্তব্য নিতে গেলে তিনি রাণীশংকৈল প্রেসক্লাবকে উড়িয়ে দিতে চায়। সে অডিও রের্কডটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। বিষয়টি স্থানীয় সাংবাদিকদের নজরে আসলে মাসুদের শাস্তির দাবীতে মানববন্ধনসহ বিভিন্ন কর্মসুচি পালন করে। এর পরিপেক্ষিতে তিনি নিজেকে আড়াল করার জন্য এবং সাংবাদিকদের বিপদে ও ভয়ভীতিতে রাখার জন্য মামলা করে।
 
 
মামলাটি নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করার জন্য আদালত ঠাকুরগাঁও পিবিআইকে তদন্তের দায়িত্ব দেন। পিবিআই উপ-পরির্দশক মিলন ইসলাম মামলাটি তদন্ত করে একপক্ষ তদন্ত প্রতিবেদন ঠাকুরগাঁও আদালতে দাখিল করে। গত ২৪ ডিসেম্বর ঠাকুরগাঁও আদালতের জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রে মাহাবুব উল ইসলামের আদালতে আইনের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে হাজির হয়ে জামিন চাইলে আদালত জামিন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠান।এছাড়াও কৌশল হিসাবে মাসুদ রানা আরো ৭ জন সাংবাদিকের নামে সাইবার আইনে মামলা করার কথা বলতে শোনা যাচ্ছে। 
 
 
রাণীশংকৈল প্রেসক্লাবের সভাপতি আশরাফুল আলম zতার ভাইসহ এ মামলায় ৭জনকে আসামী করে মামলা করেছেন। মামলায় বলা হয়েছে আমরা সবাই মিলে তাকে ছিনতাই চাদাবাজির চেষ্টা করেছি। সব চেয়ে আর্শ্বজনক বিষয় হচ্ছে মামলার বাদীর সাথে গত কয়েকমাসও আমার দেখা হয়নি। তাছাড়া আমি নিজেও কিডনির অস্ত্রপাচার করে অসুস্থ অবস্থায় রয়েছি। মামলাটি পুরোপরি সাজানো ও মিথ্যা। পিবিআই তদন্ত কর্মকর্তা মিলন মোটা অংকের উৎকোচের বিনিময়ে সম্পুর্ণ মিথ্যা ঘটনাকে সত্য রুপে রুপান্তরিত করেছে। মামলাটি পুনরায় তদন্তের দাবী জানাচ্ছি। 
 
 
বিবাদীর আইনজীবি বার কাউন্সিলের সভাপতি জেলা বিএনপি’র মানবাধিকার বিষয়ক সম্পাদক জয়নাল আবেদীন জানান, মামলাটির তদন্ত প্রতিবেদন সাংবাদিকের বিপক্ষে যাওয়ায় আদালত তাকে কারাগারে পাঠিয়েছিল। এক সপ্তাহে কারাভোগের পর গত ১ জানুয়ারী তিনি জামিনে মুক্ত হন।
 
এ বিষয়ে ঠাকুরগাঁও পিবিআইয়ের উপ-পরির্দশক মিলন ইসলাম মুঠোফোনে বলেন, প্রথমত বিবাদী পক্ষ আমাকে অসহযোগিতা করেছে। তাছাড়া স্থানীয়দের স্বাক্ষরপ্রমানাদি ও পারিপাশিকতার উপর ভিত্তিকরে তদন্ত প্রতিবেদন আদালতে দাখিল করা হয়েছে।
মাহাবুব আলম, রাণীশংকৈল(ঠাকুরগাঁও)প্রতিনিধি:
 
 
ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল প্রেসক্লাব সভাপতি আশরাফুল আলমের বিরুদ্ধে কৃষকদল নেতার বানোয়াট মামলায় মনগড়া ও মিথ্যা প্রতিবেদনের কারণে সাংবাদিক কারাগারে যাওয়ায় ঠাকুরগাঁও পুলিশ বুরো ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) এর তদন্ত কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করেছে প্রেসক্লাবের সাংবাদিকরা।
 
 
গত শনিবার( ৩ জানুয়ারী) সন্ধায় রাণীশংকৈল প্রেসক্লাবে এক সাধারণ সভায় ক্ষোভ প্রকাশ করে প্রেসক্লাবের সদস্যরা। সভায় প্রেসক্লাব সভাপতি আশরাফুল আলমের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন, সহ-সভাপতি মাসুদ রানা পলক, সম্পাদক খুরশিদ আলম শাওন,সাংবাদিক ছবি কান্তদেব,আনিসুর রহমান বাকি,মোবারক আলী,ফারুক আহাম্মদ,বিপ্লব, বিজয় রায়,সবুজ ইসলাম, নাজমুল হোসেন, আব্দুল্লাহ আল নোমান। 
 
 
জানাযায়, প্রেসক্লাব সভাপতি আশরাফুল ও তার ভাই খাইরুল,সাংবাদিক আবুল কালাম আজাদকে জড়িয়ে কৃষকদল নেতা মাসুদ রানা একটি চাদাবাজি ছিনতাই মামলা করেন। সে মামলায় পিবিআই মিথ্যা প্রতিবেদন দেয়। আদালতে আসামি পক্ষ জামিনের আবেদন করলে আদালত সাংবাদিকে জেল হাজতে প্রেরণ করেন।
 
 
সাংবাদিকরা বলেন, মিথ্যা প্রতিবেদন দিয়ে সাংবাদিককে কারাগারে পাঠানো পিবিআই’র কর্মকর্তা ঠিক করেননি। এর আগে রাণীশংকৈল উপজেলা কৃষকদলের সহ-সভাপতি মাসুদ রানার হঠাৎ করে কোটিপতি বনে যাওয়ার বিষয়ে রাণীশংকৈল উপজেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভায় আলোচনা হয়। এর পেক্ষিতে সাংবাদিকরা অনুসন্ধানসহ তার বক্তব্য নিতে গেলে তিনি রাণীশংকৈল প্রেসক্লাবকে উড়িয়ে দিতে চায়। সে অডিও রের্কডটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। বিষয়টি স্থানীয় সাংবাদিকদের নজরে আসলে মাসুদের শাস্তির দাবীতে মানববন্ধনসহ বিভিন্ন কর্মসুচি পালন করে। এর পরিপেক্ষিতে তিনি নিজেকে আড়াল করার জন্য এবং সাংবাদিকদের বিপদে ও ভয়ভীতিতে রাখার জন্য মামলা করে।
 
 
মামলাটি নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করার জন্য আদালত ঠাকুরগাঁও পিবিআইকে তদন্তের দায়িত্ব দেন। পিবিআই উপ-পরির্দশক মিলন ইসলাম মামলাটি তদন্ত করে একপক্ষ তদন্ত প্রতিবেদন ঠাকুরগাঁও আদালতে দাখিল করে। গত ২৪ ডিসেম্বর ঠাকুরগাঁও আদালতের জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রে মাহাবুব উল ইসলামের আদালতে আইনের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে হাজির হয়ে জামিন চাইলে আদালত জামিন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠান।এছাড়াও কৌশল হিসাবে মাসুদ রানা আরো ৭ জন সাংবাদিকের নামে সাইবার আইনে মামলা করার কথা বলতে শোনা যাচ্ছে। 
 
 
রাণীশংকৈল প্রেসক্লাবের সভাপতি আশরাফুল আলম বলেন, তার ভাইসহ এ মামলায় ৭জনকে আসামী করে মামলা করেছেন। মামলায় বলা হয়েছে আমরা সবাই মিলে তাকে ছিনতাই চাদাবাজির চেষ্টা করেছি। সব চেয়ে আর্শ্বজনক বিষয় হচ্ছে মামলার বাদীর সাথে গত কয়েকমাসও আমার দেখা হয়নি। তাছাড়া আমি নিজেও কিডনির অস্ত্রপাচার করে অসুস্থ অবস্থায় রয়েছি। মামলাটি পুরোপরি সাজানো ও মিথ্যা। পিবিআই তদন্ত কর্মকর্তা মিলন মোটা অংকের উৎকোচের বিনিময়ে সম্পুর্ণ মিথ্যা ঘটনাকে সত্য রুপে রুপান্তরিত করেছে। মামলাটি পুনরায় তদন্তের দাবী জানাচ্ছি। 
 
 
বিবাদীর আইনজীবি বার কাউন্সিলের সভাপতি জেলা বিএনপি’র মানবাধিকার বিষয়ক সম্পাদক জয়নাল আবেদীন জানান, মামলাটির তদন্ত প্রতিবেদন সাংবাদিকের বিপক্ষে যাওয়ায় আদালত তাকে কারাগারে পাঠিয়েছিল। এক সপ্তাহে কারাভোগের পর গত ১ জানুয়ারী তিনি জামিনে মুক্ত হন।
 
এ বিষয়ে ঠাকুরগাঁও পিবিআইয়ের উপ-পরির্দশক মিলন ইসলাম মুঠোফোনে বলেন, প্রথমত বিবাদী পক্ষ আমাকে অসহযোগিতা করেছে। তাছাড়া স্থানীয়দের স্বাক্ষরপ্রমানাদি ও পারিপাশিকতার উপর ভিত্তিকরে তদন্ত প্রতিবেদন আদালতে দাখিল করা হয়েছে।

সম্পাদকীয় :

প্রকাশক ও সম্পাদক

মোঃ গোলাম মাওলা শাওন

মোবাইল : ০১৭১১-০০৬২১৪

অফিস :

প্রধান কার্যালয়


৩১/১ শরীফ কমপ্লেক্স দশম তলা পুরানা পল্টন ঢাকা ১০০০

মোবাইল : ০১৯৯৯-৯৫৩৯৭০

ই-মেইল : [email protected]