কেন্দুয়ায় পশু চিকিৎসকের বিরুদ্ধে স্ত্রী–কন্যাকে ভরণপোষণ না দেওয়ার অভিযোগ

আপলোড সময় : ২৫-১২-২০২৫ ১০:৫৮:৪৪ অপরাহ্ন , আপডেট সময় : ২৫-১২-২০২৫ ১০:৫৮:৪৪ অপরাহ্ন
স্টাফ রিপোর্টারঃ 
 
নেত্রকোনার কেন্দুয়া উপজেলার চিরাং ইউনিয়নের বাট্টা গ্রামের পশু চিকিৎসক বাপ্পী নাহারের বিরুদ্ধে স্ত্রী ও কন্যা সন্তানের ভরণপোষণ না দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগী স্ত্রীর দাবি, গত প্রায় তিন মাস ধরে কোনো খোঁজখবর না রেখে আত্মগোপনে রয়েছেন তিনি।
 
অভিযোগকারী পান্না নাহার জানান, তিনি কুমিল্লার কোতোয়ালী থানার মনোহরপুর এলাকার বাসিন্দা নুকূল চন্দ্রের কন্যা এবং ব্র্যাকের স্বাস্থ্য বিভাগে কর্মরত। প্রায় ১৪ বছর আগে বাপ্পী নাহারের সঙ্গে তার বিবাহ হয়। বর্তমানে তিনি শ্বশুরবাড়ি বাট্টা গ্রামে বসবাস করছেন। তাদের সংসারে স্মৃতি নাহার নামে আড়াই বছরের এক কন্যা সন্তান রয়েছে।
 
পান্না নাহারের ভাষ্য অনুযায়ী, দীর্ঘদিন ধরে স্বামী কোনো ভরণপোষণ দিচ্ছেন না এবং পরিবারের দায়িত্ব থেকেও নিজেকে গুটিয়ে নিয়েছেন। কান্নাজড়িত কণ্ঠে তিনি বলেন, স্বামী পলাতক থাকায় তিনি ও তার শিশু কন্যা চরম অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন।
 
নিকাহনামা সূত্রে জানা যায়, বাপ্পী নাহারের সঙ্গে সম্পাদিত বিবাহনামায় দেনমোহরের পরিমাণ নির্ধারণ করা হয়েছে ১০ লাখ টাকা। পাশাপাশি পৃথক একটি স্ট্যাম্পে উল্লেখ রয়েছে—স্বামী দ্বিতীয় বিবাহ করলে পান্না নাহারকে ৫০ লাখ টাকা দেনমোহর প্রদানের শর্ত।
 
ভুক্তভোগী আরও অভিযোগ করেন, লোকমুখে শুনেছেন তার স্বামী দ্বিতীয় বিবাহ করে অজ্ঞাত স্থানে সংসার করছেন। এ অবস্থায় ন্যায্য ভরণপোষণের দাবিতে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন বলে জানান তিনি। একই সঙ্গে গণমাধ্যমের মাধ্যমে বাপ্পী নাহারের সন্ধান পেতেও সহযোগিতা কামনা করেছেন পান্না।
 
অভিযুক্ত বাপ্পী নাহরের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করার চেষ্ঠা করিলে তার নাম্বারটি বন্ধ পাওয়া যায়।
 

সম্পাদকীয় :

প্রকাশক ও সম্পাদক

মোঃ গোলাম মাওলা শাওন

মোবাইল : ০১৭১১-০০৬২১৪

অফিস :

প্রধান কার্যালয়


৩১/১ শরীফ কমপ্লেক্স ৬ষ্ট তলা পুরানা পল্টন ঢাকা ১০০০

মোবাইল : ০১৯৯৯-৯৫৩৯৭০

ই-মেইল : banglaralonewsbd@gmail.com