মোঃ আকতারুল ইসলাম আক্তার ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি-
ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল সাব-রেজিস্টার অফিসের নকল নবিস মরিয়ম হঠাৎ করেই অঢেল সম্পদের মালিক হয়ে উঠেছেন। অল্প বেতনভুক্ত এই কর্মচারীর রাতারাতি বিত্তবৈভবের মালিক হয়ে ওঠা স্থানীয় সচেতন মহলে ব্যাপক প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। বিষয়টি সম্প্রতি উপজেলার আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভায়ও আলোচনায় উঠে আসে।
সাব-রেজিস্টার নাহিদ বলেন, এমন চাকুরী করে সারা জীবনেও কোটি প্রতি হওয়ার কথা না। যদি পারিবারিক কোন আয় না থাকে।
জানা যায়, মরিয়ম দলিল লিখে সামান্য বেতন-ভাতা পান, যা আবার নিয়মিতভাবেও হাতে পান না। অথচ তিনি পৌর শহরের ব্যস্ত বন্দর চৌরাস্তা মোড়ে ১ কোটি ৪০ লাখ টাকা দিয়ে একটি সুপার মার্কেট ক্রয় করেছেন। আবার সরকারকে ফাঁকি দিয়ে দলিলে ৯৫ লাখ টাকা দেখানো হয়েছে। যাহার (দলিল নং—১৪৮০/২০২৫, মৌজা—ভান্ডারা, জেল নং—৮৯)।
মরিয়মের স্বামী একজন সাধারণ বীমা কর্মী। পরিবার নিয়ে অভাব-অনটনের মধ্যে দিনযাপন করায় ১৮/০২/২০১৮ তারিখে তিনি সাব-রেজিস্টার অফিসে নকল নবিস হিসেবে যোগদান করেন। স্থানীয়দের ভাষায়—“জিরো থেকে হিরো”—এই উত্থানের পেছনের প্রকৃত উৎস জানতে চান এলাকাবাসী। তারা মনে করেন, দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) তদন্ত করলে অনেক অজানা তথ্য বেরিয়ে আসবে।
২০০৫ সালে মরিয়ম ও তাঁর পরিবার পৌর শহরের ৮নং ওয়ার্ডের আব্দুল মতিন ও বিদেশি দুলালের বাড়িতে ভাড়া থাকতেন। বাড়ির মালিক দুলাল জানান, পরিবারটি তীব্র আর্থিক কষ্টে ছিল এবং১৩ মাসের ভাড়া বকেয়া রেখে মরিয়মের স্বামী গোপনে ঢাকায় চলে যান। পরে পরিচিতজনের মাধ্যমে মরিয়ম নকল নবিস হিসেবে চাকরিতে যোগ দেন।
সম্পদের বিস্ময়কর বিস্তার-
তদন্তে পাওয়া তথ্যে দেখা যায়—মরিয়মের স্বামীমাসুদ রানা নামে একই মৌজায়৩৩ শতক জমি ২৩ লাখ ১০ হাজার টাকায় কেনা হয়েছে (দলিল নং—৩৯৪/২০২৪, জেল নং—৮৯)।তাঁদের ছেলে মশিউর রহমানের নামে কলেজপাড়া এলাকায়৫.২৩ শতক জমিসহ বাসাবাড়ি ২৫ লাখ টাকায় ক্রয় করা হয়েছে (দলিল নং—২৫০৭/২০২৩, জেল নং—৮৯)।এছাড়াও নামে-বেনামে দিনাজপুরসহ বিভিন্ন শহরে বাসাবাড়ি ক্রয়ের তথ্য পাওয়া গেছে। বিভিন্ন ব্যাংক হিসাবেও রয়েছেকোটি টাকার জমা—এমন দাবি করেছে স্থানীয় সূত্র।
স্থানীয় ব্যবসায়ীরা হতবাক। তাঁদের বক্তব্য—“আমরা বছরের পর বছর ব্যবসা করেও কোটি টাকার মালিক হতে পারিনি। কিন্তু মরিয়মের নেই ব্যবসা, নেই ভালো চাকরি—তবুও হয়ে গেলেন কোটি টাকার মালিক। এটা কীভাবে সম্ভব?”
ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল সাব-রেজিস্টার অফিসের নকল নবিস মরিয়ম হঠাৎ করেই অঢেল সম্পদের মালিক হয়ে উঠেছেন। অল্প বেতনভুক্ত এই কর্মচারীর রাতারাতি বিত্তবৈভবের মালিক হয়ে ওঠা স্থানীয় সচেতন মহলে ব্যাপক প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। বিষয়টি সম্প্রতি উপজেলার আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভায়ও আলোচনায় উঠে আসে।
সাব-রেজিস্টার নাহিদ বলেন, এমন চাকুরী করে সারা জীবনেও কোটি প্রতি হওয়ার কথা না। যদি পারিবারিক কোন আয় না থাকে।
জানা যায়, মরিয়ম দলিল লিখে সামান্য বেতন-ভাতা পান, যা আবার নিয়মিতভাবেও হাতে পান না। অথচ তিনি পৌর শহরের ব্যস্ত বন্দর চৌরাস্তা মোড়ে ১ কোটি ৪০ লাখ টাকা দিয়ে একটি সুপার মার্কেট ক্রয় করেছেন। আবার সরকারকে ফাঁকি দিয়ে দলিলে ৯৫ লাখ টাকা দেখানো হয়েছে। যাহার (দলিল নং—১৪৮০/২০২৫, মৌজা—ভান্ডারা, জেল নং—৮৯)।
মরিয়মের স্বামী একজন সাধারণ বীমা কর্মী। পরিবার নিয়ে অভাব-অনটনের মধ্যে দিনযাপন করায় ১৮/০২/২০১৮ তারিখে তিনি সাব-রেজিস্টার অফিসে নকল নবিস হিসেবে যোগদান করেন। স্থানীয়দের ভাষায়—“জিরো থেকে হিরো”—এই উত্থানের পেছনের প্রকৃত উৎস জানতে চান এলাকাবাসী। তারা মনে করেন, দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) তদন্ত করলে অনেক অজানা তথ্য বেরিয়ে আসবে।
২০০৫ সালে মরিয়ম ও তাঁর পরিবার পৌর শহরের ৮নং ওয়ার্ডের আব্দুল মতিন ও বিদেশি দুলালের বাড়িতে ভাড়া থাকতেন। বাড়ির মালিক দুলাল জানান, পরিবারটি তীব্র আর্থিক কষ্টে ছিল এবং১৩ মাসের ভাড়া বকেয়া রেখে মরিয়মের স্বামী গোপনে ঢাকায় চলে যান। পরে পরিচিতজনের মাধ্যমে মরিয়ম নকল নবিস হিসেবে চাকরিতে যোগ দেন।
সম্পদের বিস্ময়কর বিস্তার-
তদন্তে পাওয়া তথ্যে দেখা যায়—মরিয়মের স্বামীমাসুদ রানা নামে একই মৌজায়৩৩ শতক জমি ২৩ লাখ ১০ হাজার টাকায় কেনা হয়েছে (দলিল নং—৩৯৪/২০২৪, জেল নং—৮৯)।তাঁদের ছেলে মশিউর রহমানের নামে কলেজপাড়া এলাকায়৫.২৩ শতক জমিসহ বাসাবাড়ি ২৫ লাখ টাকায় ক্রয় করা হয়েছে (দলিল নং—২৫০৭/২০২৩, জেল নং—৮৯)।এছাড়াও নামে-বেনামে দিনাজপুরসহ বিভিন্ন শহরে বাসাবাড়ি ক্রয়ের তথ্য পাওয়া গেছে। বিভিন্ন ব্যাংক হিসাবেও রয়েছেকোটি টাকার জমা—এমন দাবি করেছে স্থানীয় সূত্র।
স্থানীয় ব্যবসায়ীরা হতবাক। তাঁদের বক্তব্য—“আমরা বছরের পর বছর ব্যবসা করেও কোটি টাকার মালিক হতে পারিনি। কিন্তু মরিয়মের নেই ব্যবসা, নেই ভালো চাকরি—তবুও হয়ে গেলেন কোটি টাকার মালিক। এটা কীভাবে সম্ভব?”