স্টাফ রিপোর্টারঃ
নেত্রকোনার মদন উপজেলায় হাওর থেকে দিদারুল ইসলাম (২৫) নামে মানসিক ভারসাম্যহীন এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
রবিবার (২৩ নভেম্বর) সকালে ফেকনি গ্রামের সামনের হাওর থেকে তার মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
নিহত দিদারুল ইসলাম তিয়শ্রী ইউনিয়নের শ্রীধরপুর গ্রামের রহিছ মিয়ার ছেলে। পরিবার সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরেই মানসিক ভারসাম্যহীন অবস্থায় বাড়িতেই থাকতেন তিনি। গত শনিবার বিকেলে বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর আর ফেরেননি। সকালে স্থানীয়রা হাওরে ভাসমান অবস্থায় তার মরদেহ দেখতে পেয়ে পুলিশে খবর দেয়।
নিহতের চাচাতো ভাই মোবারক হোসেন জানান, দিদারুলের সঙ্গে কারও শত্রুতা ছিল না। মানসিক ভারসাম্যহীনতার কারণে তিনি প্রায়ই অস্বাভাবিক আচরণ করতেন।
মদন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শামসুল আলম শাহ্ বলেন, খবর পেয়ে মরদেহ উদ্ধার করে সুরতহাল শেষে ময়নাতদন্তের জন্য নেত্রকোনা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। পরিবারের মতামত অনুযায়ী পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
মাজহারুল ইসলাম উজ্জ্বল
নেত্রকোণা
নেত্রকোনার মদন উপজেলায় হাওর থেকে দিদারুল ইসলাম (২৫) নামে মানসিক ভারসাম্যহীন এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
রবিবার (২৩ নভেম্বর) সকালে ফেকনি গ্রামের সামনের হাওর থেকে তার মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
নিহত দিদারুল ইসলাম তিয়শ্রী ইউনিয়নের শ্রীধরপুর গ্রামের রহিছ মিয়ার ছেলে। পরিবার সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরেই মানসিক ভারসাম্যহীন অবস্থায় বাড়িতেই থাকতেন তিনি। গত শনিবার বিকেলে বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর আর ফেরেননি। সকালে স্থানীয়রা হাওরে ভাসমান অবস্থায় তার মরদেহ দেখতে পেয়ে পুলিশে খবর দেয়।
নিহতের চাচাতো ভাই মোবারক হোসেন জানান, দিদারুলের সঙ্গে কারও শত্রুতা ছিল না। মানসিক ভারসাম্যহীনতার কারণে তিনি প্রায়ই অস্বাভাবিক আচরণ করতেন।
মদন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শামসুল আলম শাহ্ বলেন, খবর পেয়ে মরদেহ উদ্ধার করে সুরতহাল শেষে ময়নাতদন্তের জন্য নেত্রকোনা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। পরিবারের মতামত অনুযায়ী পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
মাজহারুল ইসলাম উজ্জ্বল
নেত্রকোণা